আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এই ব্যটা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইলো কেমনে ?

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

এই সব পোস্ট দেখে মনে হয় , ব্লগের একটা সম্পাদক থাকা দরকার ছিলো যে বিকৃত তথ্য ও টোয়াইলাইট যোনীয় যুক্তি ভরা পোস্ট মুছে দেবে । " বর্তমান ... ওষুধ আবিষ্কৃত না হওয়ায় বিজ্ঞানের চরম সাফল্যের যুগেও মানুষকে থমকে দিয়েছে ঘাতকব্যাধি এইডস্‌। আর এর পরিণতি নিশ্চিত মৃত্যু। " --- এই কথার ভিত্তি কি? উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হইলেও মানুষ সারাজীবন ওষুধ খেয়ে যায় , যাদের পরিনতি নিশ্চিত মৃত্যু । ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পরেও ২০/৩০/৪০ বছর বেঁচে থাকা সম্ভব ।

এইডস বলতে যদি ভাইরাসের সংক্রমন বুঝায়, উক্ত পোস্টে যা বুঝানো হয়েছে বলে মনে হয় , সেইটার পরিণতি অন্য আরো অনেক রোগ যা কখনো ভালো হয় না কিন্তু কন্ট্রোল করা যায় , তাদের মতই। ইসলামের অনুশাসন বাস্তবায়নের মাধ্যমে এইডস্‌ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। ---- পরিত্রান মানে তো " কিওর" জানতাম , ভাইরাস থেকে ইসলাম মুক্তি দেবে কি ভাবে ? পবিত্র কুরআন শরীফ গবেষণা করে দেখা গেছে­­ আদ, সামুদ জাতি হস্তমৈথুন, যৌনাচার ইত্যাদিতে দারুণ আসক্ত হয়ে পড়ায় তাদের ভিতর এ ধরনের রোগের উৎপত্তি ঘটেছিল। এটি সম্পূর্ণ প্রকৃতি বিরোধী অনুশীলনের ফলাফল ছাড়া আর কিছুই নয়। ----- -------------- হস্তমৈথুন থেকে এইডস এর মত কি কি রোগ ছড়ায় রে বাবা !!!! ডাক্তার হয়েও একটা নাম মনে করতে পারলাম না যেইটা হস্তমৈথুনের মাধ্যমে ছড়ায় , তাও আবার এইডস এর মত মারাত্মক !!! যৌনাচার যে প্রকৃতিবিরোধী কাজ, এইটাও জ্ঞানী পোস্ট পড়িয়া জানলাম ।

এ রোগের বিস্তার লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে অবৈধ যৌনমিলন। ---- ------------ জঘন্য মিথ্যাচার । মাধ্যম হচ্ছে অনিরাপদ ( কন্ডমবিহীন) যৌন সঙ্গম যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের রস অন্য ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করেছে । বৈধ , অবৈধতার সাথে এর কোন সম্পর্ক নাই । এইখানে উল্লেখ্য , হাজার হাজার নির্দোষ স্ত্রী এইচ আই ভি আক্রান্ত হয়েছেন তাদের স্বামীর কাছ থেকে ।

এইখানে অবৈধ যৌনাচার আসলো কোথা থেকে ? তবে আজ তা আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশ থেকে ভারত, চীন, কম্পোডিয়া, মায়ানমার, থাইল্যান্ডসহ পার্শ্ববর্তী অনেক দেশসহ বাংলাদেশেও মহামারী আকারে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ---- বাংলাদেশে মহামারী হইলো কখন ? কোন তথ্যের সূত্রে এই সব বলা হচ্ছে ? ফাজলামো নাকি ? তবে সে সব দেশে অবাধ সমকামিতা সে সব দেশে এইডস্‌ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করছে। ----- এই দেশ গুলার নাম জানতে চাই । কোন কোন দেশে অবাধ সমকামিতা আছে যারা এইডসের ঝড়ে পড়েছে জানা দরকার । সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী আফ্রিকার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ ।

আফ্রিকার কোন দেশেই অবাধ সমকামিতা আছে বলে জানি না । ... এইডস্‌ ঝুঁকির আশংকা রয়েছে। এইডস্‌ প্রতিরোধে ইসলামঃ ধর্মীয় অনুশাসন পালনের মাধ্যমে এইডস্‌ সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। এইডস্‌ প্রতিরোধে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আজ থেকে প্রায় ১৪শ’ বছর পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ মানব জাতিকে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অনেক দিকনির্দেশনা দিয়ে গিয়েছেন।

আর সে সব বিধি-বিধান বর্তমানে পালিত না হওয়ার কারণে এইডস্‌-এর মত ভয়াবহ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটছে। ------ --------------------------- একদম ঠিক কথা । এই জন্যই দেশে দেশে ম্যালেরিয়া, শ্বাস্নালীর সংক্রমন, ডায়রিয়া, যক্ষা ইত্যাদিতে লাখ লাখ মানুষ মারা যায় । বার্ড ফ্লুতে হাজার হাজার মানুষ সর্বসান্ত হয়ে গেছে । এই জন্যই সারা বিশ্বে ৬০% এর বেশি শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় আর সৌদি আরব আমেরিকারে ফ্রি ফ্রি তেল সরবরাহ করে।

এই সব কিছুর পিছনেই হলো ইসলাম না মানা। ক. ধর্মীয় অনুশাসন পালনের নির্দেশঃ ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। ইসলামকে পূর্ণভাবে অনুশাসনের মাধ্যমেই কেবলমাত্র শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মহান আল্লাহ তায়ালা পূর্ণভাবে ইসলামকে পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে ধর্মীয় অনুশাসন পালন না করার কারণে অবাধ মেলামেশার মাধ্যমে মরণব্যাধি এইডস্‌ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে।

খ. অবাধ যৌনমিলন নিষিদ্ধকরণঃ অবাধ যৌনমিলন তথা ব্যভিচারই ভয়াবহ ব্যাধি ও সামাজিক অনাসৃষ্টির কারণ। বর্তমান বিশ্বে হত্যা, সামাজিক বিশৃক্মখলা ও ভয়াবহ এইডস্‌সহ নানা ধরনের দুরারোগ্য রোগের যে ছড়াছড়ি তা মূলতঃ নারী-পুরুষের অপকর্মে লিপ্ত থাকার ফল। ------ ---------------------------------- আহারে , এই তথ্য আগে কেন পাইলাম না !!! খামাখা গবেষনার বিলিওন ডলার বেচে যাইতো । হত্যার কারন নারী -পুরুষের অপকর্ম !!! তা ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, ইরাকে , কঙ্গোতে তাহলে এই কারনেই ... ... ... গ. অসামাজিক ও অশ্লীল কাজ নিষিদ্ধকরণঃ যুগে যুগে অতি উৎসাহী, বিকৃত চিন্তা-চেতনার অনুসারী কিছু সংখ্যক লোক শয়তানের প্ররোচণায় নানা রকম অসামাজিক, অশ্লীল এবং পাশবিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ আতংক সৃষ্টিকারী মরণব্যাধি এইডস্‌ ও তেমনি ঘৃণিত অশ্লীল অপরাধ।

------------------------- তার মানে , এইচ আই ভি আক্রান্ত সকলকে ঘৃণা করতে হবে? এই ছাগুটা জানে বাংলাদেশে সিফিলিস , গনোরিয়া ইত্যাদি যৌণ রোগ গুলা আমরা কাদের ভিতর সবচেয়ে বেশি পাই ? ঘ. ভয়ংকর মহামারীর ব্যাপারে সতর্কঃ অশ্লীল, বেহায়াপনা ও অশালীন আচার-আচরণের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে যায়। ঘৃণা এই অশ্লীল কাজের মাধ্যমেই ভয়ংকর মহামারী রোগ সৃষ্টি হয়। --------------------------------- কিয়ের মধ্যে কি ? কয়টা রোগ আছে মানবের ইতিহাসে ? মহামারী হইলে তো সবার জানার কথা । লেখকঃ মোহাম্মদ আদেলউদ্দিন আল মাহমুদ ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ফোন: ০১৭১৬ ২৪২৪৫৭ ---------------------------------------------------------- বহুত লম্বা জ্ঞানী পোস্ট ।

অনেক অংশ মুছে দিতে বাধ্য হয়েছি । কিন্তু ঘুরে ফিরে একই ফাজলামো । এইডস মানে কি জিনিস , এইটাও এই পাগল জানে কিনা সন্দেহ । এইচ আই ভি আক্রান্ত ব্যক্তির একেবারে শেষ অবস্থায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমে গেলে সাধারন সংক্রমন গুলো শরীরে ভয়ংকর হয়ে দেখা দেয় । শরীরের চামড়ায় কিংবা অন্ত্রে অবস্থিত ব্যাক্টেরিয়া , ভাইরাস যা সুস্থ দেহে কিছু করতে পারে না , সেই সব জীবানুও তখন রোগ তৈরী করে ।

এই রকম অবস্থাকে এইডস বলে । বিস্তারিত তথ্য অনলাইনে পাবেন । বাংলাদেশে এইডসের উপর কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় যেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আমরা প্রায়শ হয়েছি তা হলো মানুষের না জানার থেকেও ভয়ংকর -- ভুল তথ্য জানা । বছরের পর বছর যুদ্ধ করে আজকে বাংলাদেশে এইডস নিয়ে মোটামুটি খোলাখুলি আলোচনা করা যায় , জানানো যায় সঠিক তথ্য । আর এই কাজটা এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে যে সব মানুষ , তারা অন্যদের বাঁচাতে চায় বলে নিজেদের তুলে ধরেছে অন্য মানুষের সামনে ।

এইচ আই ভি পজিটিভ হওয়ার সাথে যে ভয়ংকর স্টিগমা জড়িত, যেই খুনী ঘৃণা জড়িত তাকে সরাতে কম কষ্ট করতে হয়নি । এ লড়াই এখনো চলছে । অনেক মানুষের রক্ত পানি করা প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে কোন ছাগল যখন ভুল ভাল তথ্য দিয়ে মানুষের ব্রেইন ওয়াশ করতে থাকে , তখন সত্যি ইচ্ছা করে ধরে একটা কষে থাপ্পড় লাগাই । ইসলাম পালন করার , আল্লাহকে ভালোবাসার অনেক ভালো ভালো কারন আছে । ইসলামী জীবন যাপনের ভালো ফলাফল কিংবা যে কোন ধর্মের সত্যিকার অনুসারী হওয়ার ফলে একটা ডিসিপ্লিন্ড লাইফের সুফল পাওয়াও সম্ভব ।

তবে , সেইটা নাস্তিক হইলেও সম্ভব । কোন জীবনাচরন মানবের জন্য কল্যানকর , সেইটা একটু চিন্তা করলেই মানুষ বোঝে । ইসলাম কিংবা অন্য যে কোন ধর্মের মূল শিক্ষা আর ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা ( কোন ধর্ম ব্যতিরেকে) মূলত একই । কেউ , যদি কোরান হাতে নিয়ে সেই ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করে , ওয়েল এন্ড গুড। তাই বলে , আউল ফাউল যুক্তি দেখায় , ভুল ভাল তথ্য দিয়ে , " ইসলাম পালন করুন, এইডস মুক্ত হউন " -- টাইপের ছাগলামি যেন কাউকে বিশ্বাস করতে না হয়।

স্বাস্থ্য এবং ধর্ম -- কোনটাই যেন ছাগলের পাল্লায় না পড়ে , ইয়া মাবুদ , রক্ষা করো !

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।