বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্উক, হে ভগবান। রবীন্দ্রনাথ
রবীন্দ্রনাথ। চির তরুন। চিরদিনের; বাঙালির ও বিশ্বের ...
আকাশে মেঘ দেখে আমরা যখন নিরাপদ আশ্রয়ে লুকাই রবীন্দ্রনাথ তখন বলেন যে, ঝড়তুফানে নদীর অথৈ জলে আমি ডুবতে রাজি আছি।
রবীন্দ্রনাথ এখানেই আমাদের থেকে আলাদা।
এ কারণেই বিশ্ববাসীর আগ্রহ টেগোরকে নিয়ে-আমাদের নিয়ে নয়। সমস্তরকম বিরোধীতা উপেক্ষা করে বলতে পারি: বিশ্ববাসীর সেই আগ্রহ সভ্যতার শেষ দিন অবধি অটুট থাকবে।
কিন্তু, কেন রবীন্দ্রনাথ ঝড়তুফানের নদীতে ডুবে মরতে চান? কেনই-বা তিনি লিখলেন-
তোমার খোলা হাওয়া/ লাগিয়ে পালে;
টুকরে কাছি/আমি ডুবতে রাজী আছি।
রবীন্দ্রনাথ ঝড়তুফানের নদীতে ডুবে মরতে চান, কারণ, তিনি প্রকৃতির বিশালত্ব আর নিজের ক্ষুদ্রত্ব উপলব্দি করতে পেরেছিলেন।
এই হচ্ছে রবীন্দ্রহৃদয়। যা পুরোদস্তুর রোমানটিক। এই হচ্ছে চিরকালীন রবীন্দ্রনাথ। যিনি কুড়ি শতকের প্রথমার্ধে পদ্মা নদীর পাড়ে বৈশাখি ঝড়ের অপেক্ষায় থাকেন; যিনি পূর্ববাংলার ঝড়তুফানের ভিতর নিজেকে মিশিয়ে দিতে চাইতেন। যিনি পদ্মাপাড়ের প্রকৃতির বিশাল ও ব্যাপক সৌন্দর্যে ভারি মুগ্ধ হয়ে যেতেন-সে মুগ্ধতা এতই গভীর ছিল যে সে বিশাল ও ব্যাপক প্রকৃতির গর্ভে নিজের তুচ্ছ অস্তিত্ব মিশিয়ে দেওয়ার কথা ভাবতেন।
লিখেছেন-
তোমার খোলা হাওয়া ...
এই তোমার মানে প্রকৃতি কিংবা ঈশ্বর। প্রকৃতির বিশালত্ব আর নিজস্ব ক্ষুদ্রত্বর উপলব্দিবোধই রবীন্দ্রনাথের রোমানটিমনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক।
এ রকম রোমানটিক হৃদয় যখন গল্প লিখতে বসেন; আমাদের তখন কৌতূহল হতেই পারে- কেমন করে আবেগ সংযত করে প্রকাশ করেন জীবনের নানা না-বলা কথা ...
Click This Link
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।