আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বনী ইসরাঈলের ধ্বংস কাহিনী -২

"A little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God." Francis Bacon.

প্রথমে দেবতার নামে কুরবানী দেয়া হল । তখনকার সময় কুরবানী কবুলের নিয়ম ছিলো আসমান থেকে এক খন্ড মেঘ এসে জবাইকৃত পশুর মাংস ও রক্ত পুড়িয়ে দেবে । তারা কুরবানী দিয়ে সবাই বা-আল দেবতার উপাসনা ও কাকুতি-মিনতিতে লিপ্ত হল , যেন তাদের কুরবানী কবুল হয় । কিন্তু সকাল থেকে দ্বিপ্রহর পর্যন্ত তাদের আবেদন নিস্ফল হলো । কুরবানী কবুলের লক্ষণও দেখা গেলো না ।

দুপুরের পর ইলিয়াস (আ) কুরবানী করলেন । অনতিবিলম্বে আকাশ থেকে আগুন এসে তার কুরবানী জ্বালিয়ে দিলো এবং কবুল হয়ে গেলো । এ অবস্হা দেখে অনেক লোক তাৎক্ষণিক সেজদায় পড়ে সত্য ধর্মে চলে আসে । এক বর্ণনায় আসে শাসকও মুসলমান হয়ে যায় । পরে আবার পুজারী হয়ে যায় ।

চাক্ষুষ মোজেজার পরও যখন তারা এভাবে নাফরমান থেকে যায়, তখন নবী বড় দুংখ পেয়ে দু-হাত তুলে বলেন, হে রব ! তুমি এদের নির্মুল করে দাও । এরপর মূর্তি পূজারীরা সবাই ঝড়-বৃষ্টিতে পড়ে নিহত হয় । এলাকা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় । কিন্তু শাসক আখিয়াব ও তার স্ত্রী ইযাবেলা মূর্তি পূজা ছাড়লো না । তারা গোপনে মিশন লাগালো নবীকে হত্যা করার জন্য ।

তিনি এটা জানতে পেরে সে এলাকা ছেড়ে বায়তুল মোকাদ্দাসে চলে আসেন । হযরত ইলিয়াস (আঃ) এর চাচত ভাই আল-ইয়াসা ছিলেন হযরত ইলিয়াস (আঃ) এর সর্বক্ষণের খেদমদগার । জীবনের বেশিরভাগ সময় নবীর সহচর্য্যে ছিলেন । ইলিয়াস (আঃ) তাকে খলীফা নিযুক্ত করেছিলেন । ইলিয়াস (আঃ) মহান আল্লাহ পাক হেফাজত করে লোকচক্ষুর অন্তরালে নিয়ে যান ।

অতঃপর আল-ইয়াসা (আঃ) কে আল্লাহ নবুয়ত প্রদান করেন । উনার সম্পর্কে কুরআনে সূরা আনআম ৮৬ আয়াত ও সোয়াদ এর ৪৮ আয়াতে সামান্য বর্ণনা আছে । তিনিও ধর্ম প্রচার করেন এবং অল্পকাল পরে ইন্তিকাল করেন । অতঃপর ৭শ বছর যাবত বনী ইসরাঈলের মাঝে আল্লাহপাক কোন নবী পাঠাননি । সাতশো বছর পর আবারও হযরত হানযালা (আঃ) -কে নবুয়ত প্রদান করেন ।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।