আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

নাম বিড়ম্বনা

*~*জীবনে যত কম প্রত্যাশা থাকবে ... .. . তত বেশী ভালো থাকা যাবে*~*

একসাথে ৪ জন মিলে আবেদন করার পর ৫দিনের মধ্যে যখন এটিএম কার্ড পেলাম তখন আমার খুশী দেখে কে। কলিগরা মুখ করে বললো--"একসাথে সবাই দিলাম আপনাকে এতো বেশী খাতির করলো ক্যান। আপনি বেশী হাসি মুখ করে ভাইয়া ডাকলেন আর অমনিতেই কাজ হয়ে গেলো"? মানুষের এই এক সমস্যা কারো ভালো দেখলে পিত্তি জ্বলে যায়। যাই হোক দুষ্ট লোকের দুষ্ট কথায় কান দিতে নেই। পরের দিন টাকা তুলতে গিয়ে কার্ড ভিতরে দিলাম অমনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য টাশকি খেলাম।

শুধু নামই না পুরো জেন্ডারই বদলে গেছে। এটিএম কার্ডে নাম দেখি আরেক জনের, তাও ছেলেদের নাম। লাভ নেই জেনে ও ব্যাংকের শাখায় গিয়ে সমস্যার কথা জানালাম। ব্যাংকের শাখার লোকজন হলো গন্ডার প্রজাতী। ওদের শনিবার সুড়সুড়ি দিলে প্রতিক্রিয়া স্বরুপ বুধবার হাসবে।

ততদিনে বুঝে গেছি সমস্যাটি কোথায়। আমার নামের বানান ইংরেজীতে লিখতে গেলে শেষে একটা "E"হয় কিন্তু বেশী ফ্যাশন করে ২টা "E" লিখি যার জন্য ওরা শেষ "E"টাকে "S" ভেবেছে। ব্যাপারটা এই রকম আরিফা নামের কেউ আরিফ হয়ে যাওয়ার মতন। ওরা সরি তো বললোই না আবার বলে নামে কি আসে যায়। টাকা তুলতে পারলেই তো হয়।

কত বদ অফিসার দেখেন যখনই দেখা হয় সবগুলো দাঁত বের করে হাসে। আপু ডাকে ঠিকই তার আগে যে নামটা বলে তা হলো এটিএম কার্ডের ছেলেদের নামটা। এই জন্য কার্ডটা লুকিয়ে রাখি ব্যাগে। কেউ দেখতে চাইলে এক শব্দে বলি--"নাই"। আফসোস এটিএম কার্ডের চক্করে পরে শুধু পিতৃপ্রদত্ত্ব নামই বদলায়নি আমার জেন্ডার ও বদলে গেছে..............।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।