আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

@ উমর রা.-এর মতো শাসক চাই

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

মনীষীজনকে পৃথিবী বারবার পায় না, যখন পায় তখন এ ধরা উদ্বেলিত হয়, আলোড়িত হয় মানুষের অন্তর, রঙিন হয় তাদের আলোকে মানুষের জীবন ও তার ধারা। সময়ের প্রান্তে-সীমান্তে পৃথিবী খুঁজে ফেরে সেসব সোনালি মানুষকে। তেমনি একদল মানুষ এসেছিলেন একটা শ্রেষ্ঠ সময়ে, যে সময় পৃথিবী আর কখনো দেখবে না, যে ন্যায়নিষ্ঠা পৃথিবী আর কোনো দিন পাবে না, যে প্রশান্তি পৃথিবী আর অনুভব করবে না এবং সুদীর্ঘ চৌদ্দ শতকের কোনো একটি মুহূর্তেও পায়নি, অনুভব করেনি। সেই দলে ছিলেন এমন একজন মানুষ যে তাঁর সারাটি বাল্যজীবন ঊষর মরুর বুকে উষ্ট্রচারণের কাজ করেছেন; একদা যখন ‘যাজযান’ প্রান্তর অতিক্রম করছিলেন তখন অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেছিলেনঃ ‘আল্লাহু আকবার! এমন এক সময় ছিল যখন আমি পশমি জামা পরে এই মাঠে প্রখর রৌদ্রতাপে উট চরাতাম। যখন শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে ক্ষণিকের জন্য বসতে যেতাম, তখন পিতার হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত হতাম।

কিন্তু আজ আমার পক্ষে এমন দিন এসেছে, আমার ওপর এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো মালিক নেই। ’ ­ এই সেই ইতিহাস খ্যাত উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু, যার ইসলাম গ্রহণে স্বয়ং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনন্দের আতিশয্যে বলে উঠেছিলেনঃ ‘আল্লাহু আকবর!’ সেদিন তাঁর সাথে সাথে সমবেত সাহাবিগণও ‘আল্লাহ আকবর!’ ধ্বনি তুলে মক্কার আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলেছিলেন। উমারের ইসলাম গ্রহণের পরই কেবল কাবাঘরে গিয়ে মুসলমানরা সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে সালাত আদায় করেছিলেন। তেমন বীরপুরুষ কেন আজ নেই মুসলিম উম্মাহ? মাত্র ৪০-৫০ জন মুসলমান সে দিন সমগ্র মক্কাবাসীকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, আজ কোটি কোটি মুসলমানের বর্তমানে কেন প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত হচ্ছে ইসলাম, ইসলামের নবীর সম্মান, ইসলামের সোনালিসব মানুষ? মুসলমানরা যেন এ প্রশ্ন ভুলে গেছে, যেন অদ্ভুত ঠেকে তাদের কাছে এ আত্মজিজ্ঞাসা, তারা নিজেদের আলাদা কিছু ভাবতে শুরু করেছে কিংবা তাদের ভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে তারা যারা সদাসর্বদা পদানত দেখতে চায় ইসলামকে, মুসলিম জাতিকে; এমনকি দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশাও সুচারুরূপে এঁকেছে। আল-ফারুক উমার এক দিন এ জাতির জন্য আজানের প্রস্তাব করেছিলেন, যখন কেউ ঘণ্টার প্রস্তাব করেছিলেন, কেউ শিঙ্গার প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু প্রাজ্ঞ উমার বললেন, ‘এক ব্যক্তিকে সালাতের আহ্বানের জন্য নিযুক্ত করলে কেমন হয়?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আজানের নির্দেশ দিলেন।

আজানে কল্যাণের দিকে ডাকা হয়, সালাত আদায়ে পরিশুদ্ধ হয় অন্তর, চরিত্র ও প্রশান্ত হয় মন। সেই উমারের উত্তরসূরি শাসকগোষ্ঠী এখন সংস্কৃতির নামে কত না অশ্লীল কথা, শিরকি বাক্য, কুফরি কাব্য, মাতোয়ারা করা তুমুল বাদ্য, নাটক-সিনেমায় কুরুচিপূর্ণ নারী-পুরুষের নানা রঙ্গলীলা এবং নারী জাতিকে প্রায়োলঙ্গ করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লাঞ্ছিত করে যাচ্ছে, উপরন্তু এর নাম দিয়ে যায় ‘শিল্প’! একদার ‘নর্তকি’, ‘বাইজি’ শব্দাবলিকে ‘শিল্পের’ রঙে রাঙিয়ে তুলে দৃষ্টি ও মননে জীবাণু ছড়ানো অপরাধী চক্র এখন পুরোপুরি সফল। আফসোসের বিষয়, উমারের প্রস্তাবিত আজান­ যা আল্লাহ কবুল করে তাঁর রাসূলের মাধ্যমে ইসলামের সালাতের আহ্বানের পরিণত হয়েছে­ যেন এখন মুসলমানদের কাছেই গৌণ হয়ে পড়েছে। জনারণ্যে দু-তিন কাতারের মসজিদের জামায়াতগুলো যার জ্বলজ্যান্ত সাক্ষী। ভ্রাতৃত্বে উদার ও শত্রুতায় বজ্রকঠোর উমার বদর যুদ্ধ শেষে বন্দীদের সম্পর্কে মুক্তিপণ আদায়ে ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদী কণ্ঠে বলেছিলেনঃ ‘ইসলামের বিধিব্যবস্থা স্বজনপ্রীতির অনেক ঊর্ধ্বে; সুতরাং তাদের (বন্দীদের) হত্যা করা হোক।

আমাদের মধ্য থেকে প্রত্যেকের স্বজনকে নিজ হাতে হত্যা করব! যথা- আলী (আপন ভাই) আকিলের ভার নিন, হামজা (আপন ভাই) আব্বাসকে হত্যা করুন এবং আমি আমার কোনো নিকটাত্মীয়কে হত্যা করে ফেলি!’ যদিও সেদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সীমাহীন দয়া প্রদর্শন করে বন্দীদের মুক্তিপণের বিনিময়েই মুক্ত করে দিয়েছিলেন। সেই উমারের উত্তরসূরিরা এখন নিজেদের মুসলমান ভাইদের চেয়ে বিজাতীয়দের অধিক বন্ধু ভাবে, কি ব্যক্তিগত পর্যায়ে, কি সামাজিক আর কি রাষ্ট্রীয়ভাবে; এ যেন এক করুণ নির্ভরতা! উহুদের বিপর্যয়ের দিনে যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহত হয়ে কয়েকজন সাহাবি সমভিব্যহারে পর্বতের একাংশে অবস্থান করছিলেন, তখন শত্রু পক্ষীয় সেনাপতি আবু সুফিয়ান হাঁক ছেড়ে জানতে চাইল­ কেউ আছে না কি সবাই নিহত হয়েছে? জবাবের এক পর্যায়ে উমার বললেনঃ ‘রে আল্লাহর দুশমন! আমরা সবাই জীবিত আছি। ’ আবু সুফিয়ান বললঃ ‘উলু হুবল বা হোবলের জয় হোক’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমারকে বললেনঃ ‘জবাব দাও আল্লাহু আলা ওয়াআজাল্লু বা আল্লাহ মহান ও সম্মানী। ’ এই অসীম সাহসী বীরের উত্তরসূরিরা আজ ইহুদি-নাসারাদের প্রচারিত ‘সন্ত্রাসী’ শব্দকে নিজেদের মুসলমান ভাইদের জন্য নিজেরাই ব্যবহার করছে।

এ যেন অজ্ঞতার অন্ধকারে অথবা বিভ্রান্তির অমানিশায় আপন ভাইয়ের বুকেই ছুরিকাঘাত করা! এ যেন এক অভিনব আত্মহত্যা! মুসলমানদের মধ্য থেকে যেন আজ এ চেতনাবোধও বিলুপ্ত হয়ে গেছে, শত্রুদের শেখানো গালি তারা নিজেদের জন্যই অবলীলায় আউড়ে যাচ্ছে… আফসোস! সময় কি আছে মুসলিম শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে তাদের ঐতিহ্য কী ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কী বিক্রম ছিল তাদের অতীত শৌর্যে, কী ন্যায়নিষ্ঠা ছিল তাদের পূর্বপুরুষ? প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পর যখন ‘কে হবে পরবর্তী কর্ণধার’?­ এ প্রশ্ন গুঞ্জরিত হচ্ছিল, তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক বক্তৃতায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন এবং লোকদের গুঞ্জরণ স্তিমিত করেন। খেলাফতের জন্য প্রস্তাবিত হয় সর্বোচ্চ মানের সাহাবি­ আবু বকর, উমার ও আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুম­ এ তিনজনের নাম। উমার মুহূর্ত কাল বিলম্ব না করে আবু বকরের হাতে খেলাফতের বাইয়াত করে ফেলেন, অথচ প্রার্থী হিসেবে উমারের নামও প্রস্তাবিত হয়েছিল। কী নিঃস্বার্থ শিক্ষা, ক’জন পাওয়া যাবে আজ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব খুঁজে যারা নিজ নিজ স্বার্থ নয়; বরং আল্লাহর দ্বীনের শিক্ষাকে উচ্চকিত করে জাতির লোকদের জন্য এমন ত্যাগী মানসিকতা ধারণ করেন? বিজয় যেন আমাদের কাছে এখন এক প্রাচীন শব্দ কিংবা এক কিংবদন্তি। আমাদের সেনাপতিরা বিজয়ে সুস্বপ্নও দেখেন কি না তাও অনিশ্চিত এখন।

আমাদের জননায়করা কখনো বিজয় অর্জন করলে তা দিয়ে নিজের আখের গোছানোতেই অত্যধিক তৎপরতা দেখিয়ে থাকেন, যার কারণে জাতির লোকদের কাছে নন্দিত হওয়ার পর নিন্দিত হতে বাধ্য থাকেন। অথচ কী ঘটেছিল সে দিন মদিনার পথে-গলিতে, যে দিন কাদেসিয়া থেকে বিজয়ের সুসংবাদ বয়ে এনেছিল কাসেদ? যুদ্ধের শুরু থেকেই আমিরুল মুমিনীন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রতি দিন মদিনার বাইরে এসে অধীর অপেক্ষায় থাকতেন কখন সংবাদবাহক আসবে…। এক দিন কাসেদ এলো দ্রুতগামী উষ্ট্রারোহীরূপে, উমার প্রশ্ন করে জানতে পারলেন, এ সেনাপতি সা’আদের কাসেদ, তিনি কাসেদের উষ্ট্রের সাথে সাথে মদিনার রাস্তায় দৌড়ে দৌড়ে এক এক করে যাবতীয় খোঁজখবর নিচ্ছেন। কাসেদ চিনতেন না উমারকে, নগরীতে প্রবেশের পর যখন কাসেদ দেখলেন প্রত্যেকেই তার উষ্ট্রের সাথে দৌড়াতে থাকা ব্যক্তিকে আমিরুল মুমিনীন বলে সম্বধন করছে, তখন সে ভীত হয়ে বললঃ আগে পরিচয় না দিয়ে আমাকে কেন অপরাধী করলেন? আমিরুল মুমিনীন বললেনঃ ‘এতে কিছু আসে-যায় না, তুমি সুসংবাদ পৌঁছাতে থাক। ’ তিনি আগের মতো উষ্ট্রের সাথে সাথে দৌড়াতে দৌড়াতে মাসজিদুন নববীতে পৌঁছলেন।

সেখানে তিনি যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিলেন, তার শেষ কিছু অংশ নিম্নরূপঃ ‘মুসলমানগণ! আমি কোনো বাদশাহ নই যে, তোমাদেরকে গোলাম বানাতে চাইব; বরং আমিই স্বয়ং আল্লাহর গোলাম। হ্যাঁ, খেলাফতের বোঝা আমার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। যদি আমি এভাবে কাজ করতে সক্ষম হই যে, তোমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পার, তবে আমি আমাকে সৌভাগ্যবান মনে করব। কিন্তু যদি আমার এই কুপ্রবৃত্তি হয় যে, তোমরা আমার দরজায় গিয়ে ধরনা দাও, তবে তা আমার দুর্ভাগ্যই বলতে হবে। আমি সর্বদাই তোমাদের শিক্ষা দিতে চাই, তবে কথার দ্বারা নয়… কাজের দ্বারা।

’ আমাদের শাসককুলের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে যদি মিলিয়ে দেখা হয় আমিরুল মুমিনীনের এ বক্তৃতাকে, তবে যেন অন্ধও দেখতে পাবে আমাদের অযোগ্যতাগুলো কোথায়, কোন কোন বিন্দুতে স্থির হয়ে আছে? কবে আমরা শিক্ষা নেব? কবে আমাদের শাসকবর্গ উমার হওয়ার সাধনা করবে?? অনাহারী, রোগী, শোকসন্তপ্ত, বস্ত্রহীন, গৃহহীন মানুষ যখন আহাজারি করে আল্লাহর আরশ কাঁপিয়ে তুলছে, তখনো আমাদের শাসকবৃন্দের ঘুম ভাঙে না। আজ তো সরাসরি শাসকের কাছে গণমানুষের যাওয়ার ব্যবস্থাও প্রায় নেই; মাধ্যম হয়ে কিংবা পদস্থরাই কেবল সে সৌভাগ্য অর্জন করে থাকে। সেনাপতি আমর মুয়াবিয়াকে ইস্কান্দারিয়ার বিজয় সুসংবাদসহ যখন প্রেরণ করলেন, মুয়াবিয়া মদিনায় পৌঁছলেন দুপুর নাগাদ। ভাবলেন, আমিরুল মুমিনীন হয়তো এখন ঘুমাচ্ছেন, তাই তিনি উমারের বাড়িতে না গিয়ে মসজিদের দিকে চলে গেলেন। পরে উমার যখন তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘তুমি প্রথমেই কেন আমার বাড়িতে এলে না?’ মুয়াবিয়া বললেনঃ ‘আমি ভেবেছিলাম এই ভরদুপুরে হয়তো আপনি একটু ঘুমাচ্ছিলেন।

’ এ কথা শুনে ফারুকে আজম বললেনঃ ‘আমার দুর্ভাগ্য যে, তোমরা আমার প্রতি এরূপ ধারণা করো! আমি যদি দিনে শয়ন করি, তবে খেলাফতের গুরুভার কে বহন করবে?’ !!! ইতিহাস কি আমাদের শাসকবর্গের স্মৃতি থেকে মুছে গেছে কিংবা এ আমাদেরই দুর্ভাগ্য যে, আমরা উমারের জীবন থেকে শিক্ষা নিচ্ছি না, আমাদের শাসকরা উমারের মতো হওয়ার স্বপ্ন দেখছে না…। গাছ তো সেরূপ ফলই ফলাবে, যেরূপ রস-নির্যাস পেয়েছে সে তার শেকড় থেকে। আজ কি মুসলিম বিশ্বের কোনো অধিপতির এ কথা বলার বড় মুখ আছে, যেরূপ একদা আমিরুল মুমিনীর মিসর বিজয়ী বাহিনীর সাহায্যার্থে প্রেরিত চারজন সেনানায়ক সম্পর্কে এক পত্রোত্তরে বলেছিলেনঃ ‘আমি যে চারজন সেনাপতি পাঠিয়েছি, তাঁরা একেকজন এক হাজার অশ্বারোহীর সমকক্ষ!’ উল্লেখ্য, তাঁরা চারজন ছিলেন যথাক্রমে­ যুবাইর ইবনুল আওয়াম, উবাদা ইবনে সামেত, মিকদাদ ইবনে আমর ও সালামা ইবনে মোখাল্লাদ। ইতিহাস স্তম্ভিত করা এ হুঙ্কার ছিল মুসলমানদের ঐতিহ্য, সে কথা যেন আজ মুসলমানদের সন্তানদের কাছেই রূপকথা ঠেকে। একজন শাসক একটি জাতির অভিভাবক, তাদের শিক্ষায়, নৈতিকতায়, বীরত্বে, সাফল্যে গড়ে তোলার দায়িত্ব শাসকের ওপর বর্তিত।

কিন্তু নাগরিক হিসেবে কি আমরা তা পাচ্ছি শাসকদের কাছ থেকে? অথবা শাসক হিসেবে কি সে অভিভাবকদের দায়িত্ব পালিত হচ্ছে দেশে দেশে? এ প্রশ্নমালার উত্তর প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষাও যেন আজ এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়, ভুক্তভোগীদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন! ১ মে ২০০৮ মদিনা মুনাওয়ারা, সৌদি আরব। লেখাটি দৈনিক নয়াদিগন্তের ৮ আগষ্ট ২০০৮ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে: Click This Link

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।