যখন বিকাল হতে থাকে, হতে হতে সূর্যটা ঢলে পড়ে, পড়তে থাকে
দেশের মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে দশ বছর যাবত। অথচ মুঘল আমল থেকে কার্পাসমহল (ল্যান্ড অফ কটন) নামে পরিচিত বাংলাদেশের ৯ শতাংশ ভূখন্ডে অবস্থিত চেঙ্গমি (খাগড়াছড়ি), গঙ্গকাবর (রাঙ্গামাটি), আরভূমি (বান্দরবন) জেলাতে বসবাসকারী দশমিক নয় ভাগ বাংলাদেশী এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত। প্রায় তের হাজার বর্গকিলোমিটার ভূখন্ড জুরে বাসকারী তের লাখ মানুষ এই পনোরকোটি মানুষ অধ্যুষিত দেশে পরিগনিত হচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী, ভয়ংকর ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পরগাছার মত। তাদেরকে বিচ্ছি্ন্ন ও শৃংখলিত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
প্রতিবর্গকিলোমিটারে একশ জন মানুষ বসবাস করে উক্ত অঞ্চলে।
এই একশনজনের মধ্যে পঞ্চাশ জনই জুমা (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তেনচুঙ্গায়া, চাক, পাঙ্কো, ম্রু, ম্রুরাং, বাম, লুসাই, খ্যাঙ এবং কুমি)। এই সব জাতিসত্ত্বার মানুষেরা এপারেন্টলী পরাধীন ও অনগ্রসর। অথচ উক্ত অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের বয়ান ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের একটা লিফলেটও প্রিন্ট হয় না। বহির্বিশ্বে ট্যুরিজমের প্রচারনা কার্পাসমহল ছাড়া অচল।
বাংলাদেশের কাশ্মীর বলে খ্যাত এই কার্পাসমহলে ইন্ডিয়ার মতই আগ্রাসন চালাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
লুটে পুটে এর সম্পদ আহরণ করে যাচ্ছে, অন্যদিকে মোবাইলের ব্যবহার শৃংখলিত করে বাংলাদেশ থেকে প্রকারন্তরে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
এই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকেরা কি বাঙালীর ভৃত্যসম? আমাদের এমন কি অধিকার আছে তাদের দাসত্বের শৃঙ্খলে আটকে রাখবো?
ধিক এ বাঙালি জন্ম! ধিক আমাদের স্বাধীণতা!
* অনুপ্রাণঃ রোবায়েত ফেরদৌসের প্রথম আলোর আজকের এ সম্পর্কিত একটা আর্টিকেল।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।