আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

তোর কি হবে রে কাল্লু?

যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি
অনেকের হয়তো মনে থাকবে - বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার হুবুহু নকল করে দোস্ত দুশমন নামে একটা বাংলা সিনেমা বানিয়েছিলো প্রয়াত নকলবাজ পরিচালক ইবনে মিজান। সেই সিনেমায় ভিলেন জসিম পিস্তল ধরে জিজ্ঞাসা করেছিলো আনিসকে - তোর কি হবে রে কাল্লু? ( হু হা হা হা.......) এই সংলাপটা ছিল দারুন জনপ্রিয়। রাস্তাঘাটে অনেকের মুখে এই সংলাপটা শুনা যেত। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কালের স্বঘোষিত সৎলোকের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির মামলার খবর শুনে আবারো সেই সংলাপটা মনে পড়ে গেল। এই সরকার যখন দূর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু করে - প্রথম দিকে ত্রানের ঢেউ টিনের ঢেউয়ে খবরের কাগজ ভেসে যেত।

ধরা পড়তে শুরু করলো বড় বড় রুই কাতলা। প্রথম দিকে বিএনপির এমপিরা - তখন জামাতের লোকজন বলা শুরু করলো - দেখো, আমরা কেমন ৫ বছর ক্ষমতায় থেকেছি - কিন্তু দূর্নীতি করিনি। অনেকটা নাইতে নেমেও বেণী ভিজাইনি। কিন্তু যখন মিজানুর রহমান (সাবেক জামাতি এমপি) ঢেউ টিনের নীচে পড়ে গেল - তখন তাড়াহুড়া করে জামাতের মসলিসের সুরা তাকে জামাত থেকে বহিষ্কার করলো। জামাত - শিবিরের কর্মীরা বলা শুরু করলো - দেখো আমাদের ঘরে একটাই ছুঁচো ছিল - বাইরে ফেলে দিয়েছি।

এখন আমরা সৎলোকের দল। কিন্তু বিধির বিধান - একে একে তাহের, শাহজাহান, রিয়াসত আলী, গাজী নজরুল ধরা পড়লে - জামাতের কর্মীরা একটু চেপে গেল। মসলিশে সুরার মিটিং আর বসে না। মনে হয় ছুঁচোর সাথে বসবাসের সিদ্ধান্তই এখন তাদের নিয়তি। কিন্তু এখন দেখছি - জামাতের শীর্ষ দু্‌ই শতশত কোটি টাকার জালিয়াতির মামলায় আটকে যাচ্ছে।

কয়লা খনি আর গ্যাটকো মামলা থেকে তাদের মুক্তি দিলে হয়তো মামলাটাকেই বাতিল করতে হবে। তবে ওদের প্রতি আগের সামরিক সরকারের মতো এবার এরা সদয় হয়েছে। যেমন অনেককে কোন মামলা ছাড়াই গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করা হয়ে - এই ক্ষেত্রে এরা ভাগ্যবান। শত শত কোটি টাকার জালিয়অতির পরও এরা বহাল তবিয়তে জীবন যাবন করছে কোন এক অদৃশ্য কারিগরের বদৌলতে। কথা সেইটা না।

এখন শিবিররে কর্মীগন তাদের নেতাদের সম্পর্কে কি বলবে। তারা কি নিজেদের মধ্যে বলে - আমাদের কি হবে রে কাল্লু, নেতারে যে সবাই দূর্নীতি ডুবে ছিলো। নাকি জসিমের প্রশ্নের উত্তরে আনিস যেভাবে বলে ছিলো - হুজুর আপনার লবন খেয়েছি.... ( কারন বেশীর ভাগ শিবির কর্মীইতো দলের কাছে ঋনী)
 


এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।