নিজেকে নিয়ে কিছু একটা লেখার চেষ্টা, এখোনো করে যাচ্ছি . . .
জীবনে কখনও প্রেম এসেছিল কিনা তাও মনে নেই। তবে যখন প্রথম প্রেম শব্দটি শুনেছিলাম সেদিনই শব্দটিকে ভালবেসেছিলাম, বাস্তবে রুপ দেবার অনন্ত চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু কখনও বাস্তবে সেরকম চুটিয়ে কিংবা জমিয়ে পরিণত প্রেম করা হয়ে উঠেনি, সময়ের অভাবেই হোক আর কাউকে কাছে টানার অদক্ষতাই হোক, পার্থিব অপার্থিব কারও উপর দোষ দিবনা এবং তাতে আমার কোন আফসোস নেই বা কষ্টও নেই।
প্রেম বলে যে জিনিসটি আমার জীবনে সংঘটিত হয়েছিল মনোবিজ্ঞানীদের ভাষায় তা হল “বাচুরে প্রেম” অর্থ্যাৎ ক্লাস যে বয়সে মনের চেয়ে চোখের দেখাতে যে প্রেম হয় সেরকমই কিছু। আমার বিষয়টি অতটাও গভীর ছিলনা।
তবে একটি বিষয়ের প্রতি দূর্বলতা ছিল তা হল “প্রেম পত্র”, ইচ্ছে ছিল যেভাবেই হোক একটিবারের জন্য একটি হলেও “প্রেম-পত্র” সংগ্রহ করতে হবে। যখন দেখলাম একজন আমার বয়সী বিপরীত লিঙ্গের কেউ দৃষ্টি নিবন্ধিত করার চেষ্টা করছে তখনকার সে সুযোগকে অবহেলায় অবলীলায় ফেলে দিইনি বরং সাদরে গ্রহণ করেছিলাম। লক্ষ্য একটাই ছিল একটি “প্রেম-পত্র”। পেয়েছিলামও বটে। সময়ের স্রোতে স্থান ত্যাগ করার সাথে সাথে প্রেমের ভাবও বাষ্পায়ীত হয়ে শূণ্যে মিলিযে গিয়েছিল।
“প্রেমের চিঠি পাওয়া সহজ, কিন্তু ধরে রাখা কঠিন” কঠিন এ বাস্তব সত্যকে আরেকবার উপলবদ্ধি করলাম যখন চিঠি সমেত মা’এর হাতে ধরা খেলাম। চিঠিটি মা’এর কাছেই অদ্যবধি সুরক্ষিত আছে তার আলমিরাতে একান্তই আমার বিনীত অনুরোধে।
সকালে অফিসে বের হচ্ছি, মা নানুর কিছু পুরোনো চিঠি দিয়ে স্ক্যান করে রাখতে বলছিলেন তখনই আমার “প্রেম-পত্র”টির কথা মনে পড়ে যায়,
- মা, তোমাকে একটি অনুরোধ করি ? তোমার কাছে রাখা আমার প্রথম “প্রেম-পত্র”টি দিলে সেটাও স্ক্যান করিয়ে রাখতাম !
মা’এর চোখদুটো স্বাভাবিকের চেয়ে ১০গুন বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে তার জবাব
“কি নতুন করে কপি করবি নাকি? আগে বিয়ে কর, তারপর চিঠিটা পাবি, তার আগে না”
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।