বিক্ষিপ্ত জীবন. . . কখনো হাসায় . . . কখনো কাদাঁয় . . . আবার কখনো নির্ভেজাল অন্ধকার ঘিরে ফেলে চারদিক থেকে . . .
সিআরপিতে সফি সামির ভ’মিকা নিয়ে সমালোচনা এখন তুঙ্গে। অথচ কয়েকমাসে আগেও সফি সামিকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ছিলো। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের প্রতি অসমর্থন জানিয়ে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন তিনি। অথচ এই পদত্যাগের ফলে না না ধরনের ভয়ানক হুমকি’র মুখোমুখি হতে হয়েছিলো তাকে।
অত্যন্ত অমায়িক ও মিষ্টভাষী এই লোকটিকে কাছে থেকে দেখার অনেক সুযোগ হয়েছিলো অনেক বার।
মনে পড়ে গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকবার সকালে গিয়ে হাজির হয়েছি তার বাসায়। কোন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছি তার কাছ থেকে। তার ড্রয়িং বা ডাইনিং রুমে বসে গল্প করেছি ঘন্টার পর ঘন্টা। তার কর্মকান্ড দেখে সম্মান জানাতে বার বার স্যার ডেকেছি তাকে।
স্যার ডাকার ব্যাপারে একটি নিয়ম মানি আমি। যেই লোকটিকে প্রচন্ড সম্মান জানাতে ইচ্ছা করে, তাকেই সাধারনত স্যার ডাকি। সফি সামিকেও নিয়ে গিয়েছিলাম সেই কাতারে। প্রচন্ড সম্মানের জায়গায়। ১৫ মে সাপ্তাহিক ২০০০ এর জন্মদিনে এসেছিলেন তিনি।
অনেকক্ষন থেকেছেন, মজা করেছেন। আমরাও তার সঙ্গ উপভোগ করেছি।
কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নির্মম। তারপর পরই আসলো সিআরপি’র ঘটনা। নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতি অনুযায়ী আগালো সাপ্তাহিক ২০০০।
অপরাধী কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হলো সিআরপি নিয়ে লেখার। দ্বায়িত্ব পেলো সহকর্মী কনক বড়–য়া। একটা’র পর একটা ঘটনা কনক তুলে ধরলো তার প্রতিবেদনে। আমাদের সম্পাদক গোলাম মোর্তোজাও অকপটে লিখলেন সিআরপি নিয়ে, সফি সামি’র সমালোচনা করলেন সুস্পষ্ট এবং গোছালোভাবে।
যাইহোক, সফি সামি’র প্রতি সেই শ্রদ্ধা এখন আর অনুভব করি না। বরং কোথাও একটা কাঁটার খোঁচা অনুভব করি। এই লোকটাকে কতই না সম্মান দেখিয়েছি। অথচ এখন মনে হচ্ছে সেও একজন রাজনীতিবিদ, অন্তত্ব বাবরদের চেয়ে কোন অংশে কম নয় সে। ধিব্কার সফি সামিকে, আর কখনো ‘স্যার’ ডাকবো না তাকে...
সিআরপি নিয়ে সাপ্তাহিক ২০০০ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গোলাম মোর্তজা’র লেখাটি পড়তে পারেন নিচের লিংকে গিয়ে:
Click This Link
সিআরপি নিয়ে আমার সমকর্মী কনক বড়–য়া’র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি পড়তে পারেন নিচের লিংকে গিয়ে:
Click This Link
ছবিঃ সফি সামির সঙ্গে আমি
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।