সুন্দরী বালিকাদের যত্ন করে কামড়াই
করবেটের টেম্পল টাইগারের ধারে কাছে দিয়েও যাবে না আমার গল্প, কিন্তু তবুও বলি।
গহীন জঙ্গলের মধ্যে এক মন্দির। সেই মন্দিরের ভেতর একটা বেদী। বেদীর ওপর শুয়ে একটা মাদী গাধী। চার পা চারদিকে চ্যাগানো।
কাৎরাচ্ছে সে। পাশেই মেঝের ওপর রোদে শুয়ে আরামে ঝিমুচ্ছে এক প্রকান্ড বাঘ।
শিকারী বাঘকে শুধালো, "বাঘাদা, ঘটনা কী?"
বাঘ আড়মোড়া ভেঙে প্রকান্ড এক হাই তুলে বললো, "আর বোলো না ভাইগ্না, চলছিলাম আমি নিজের খেয়ালে, এই মন্দিরের সামনে দেখা হলো এই গাধীর সাথে। "
শিকারী শুধায়, "তারপর?"
বাঘ একটা বিড়ি ধরায়। বলে, "এসব কাজের পর ধূমপান করতে ভালোই লাগে।
তোমার কাছে কি মুড়ি হবে?"
শিকারী কোঁচড় থেকে একটু মুড়ি বার করে দেয় বাঘকে। বাঘ দুই গাল মুড়ি খেয়ে বলে, "তারপর হলো কী ... আমি নিজের পরিচয় দিলাম। বললাম যে আমি বাঘ। মাগী বিশ্বাস করে না। বলে, তুমি তো আন্ডারডগ।
টাইগার তো হলো গিয়ে আমার গাধাটা। "
শিকারী বলে, "বলে কী?"
বাঘ বলে, "তুমিই বলো ভাইগ্না, এইসব শুনে পোষায়?"
শিকারী বলে, "তারপর?"
বাঘ বলে, "তারপর আর কী? কানে ধরে নিয়ে এলাম মন্দিরের ভেতরে। বেদীর ওপর ফেলে, ঠ্যাং দুটো নিজের কাঁধে তুলে, তারপর যা হবার হলো। "
শিকারী ঘাবড়ে গিয়ে বলে, "ওটা আবার কোন ইশটাইল? মিশনারি না ডগি?"
বাঘ বিড়ির ধোঁয়া ছাড়ে, বলে, "ওটা হলো গিয়ে আন্ডারডগি ইশটাইল। "
গাধী ডুকরে ওঠে নেপথ্যে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।