আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের স্বীকৃতি

দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অবদান এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ। ওই পুরস্কারের নাম দ্য ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন (আইওএসএসসি)।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আইওএসএসসির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার গ্রহণের পর শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি আমাদের দেশের জনগণ ও বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের স্বীকৃতি। এছাড়া বাংলাদেশসহ বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলো যারা দারিদ্র্য বিমোচনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার গ্রহণ করে আমি গর্বিত।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রয়েছেন। খবর বাসসের।

দক্ষিণ-দক্ষিণ অঞ্চলের দেশগুলোর ত্রিমুখী সহযোগিতায় জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইওএসএসসি গঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদের বরাত দিয়ে বাসস আরও জানায়, সাউথ-সাউথ সদর দপ্তরের প্রেসিডেন্ট ও সাউথ-সাউথ নিউজ এম্বাসেডর ফ্রান্সিস লরেঞ্জো সংস্থাটির সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের জন্য এ পুরস্কার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী আইওএসএসসি এবং বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী, ফার্স্ট লেডি এবং আইওএসএসসিভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দারিদ্র্যবিরোধী লড়াই বিশেষ করে ২০১৫ সাল নাগাদ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আরও কঠোর ভূমিকা পালনে এ পুরস্কার বাংলাদেশকে উত্সাহিত করবে। এছাড়া ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের উন্নয়নে যে সব লক্ষ্য ঠিক করা আছে, তা অর্জনে সমভাবে নিরলস কাজ করতেও এটি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। ’

বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, ইউএনডিপিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদারদের সমর্থনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তারও ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, পৃথিবীকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে এবং জনগণ যাতে আরও উন্নত জীবন যাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে বিশ্ব নেতারা তাঁর দেশের জনগণের পাশে দাঁড়াবেন এবং একযোগে কাজ করবেন।

পুরস্কারটি বাংলাদেশের জনগণকে উত্সর্গ করে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে নির্বাচিত এবং সেবা করার সুযোগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, তাঁর মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, আওয়ামী লীগের নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাসদের নেতা মঈনুদ্দিন খান বাদল, প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ওয়ালডর্ফ এস্টোরিয়া হোটেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেন।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।