আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আমাদের এই লিফলেট সকল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর ভাইদের কছে পৌছে জাবে সবাই মোবাইল নাম্বার ও ইমেল সহ যোগাযোগ করেন….. Inbox এ এবং শেয়ার ও লাইক দিন ফেইসবুক -এ…..

আমাদের এই লিফলেট সকল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর ভাইদের কছে পৌছে জাবে সবাই মোবাইল নাম্বার ও ইমেল সহ যোগাযোগ করেন..... Inbox এ এবং শেয়ার ও লাইক দিন ফেইসবুক -এ.....

৩ তারিখের পরীক্ষা বর্জনের ঘোষনা দিয়েছে দেশের কয়েকটি পলিটেকনিক। পলাশীর যুদ্ধ ও পলিটেকনিক সংগ্রাম ...... এক ও অভিন্ন......
কারণ, বাকাছাপ এর নেতা মিঃ জাকির আমাদের সাথে বেঈমানী করেছে। তবে বাকাছাপ ও সকল ছা্এছাএী আমাদের সাথে আছে >>>>
কারিগরি ছাত্র পরিষদ-বাকাছাপ এর ফেইসবুক পেজ >> বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদ-বাকাছাপ
 
কয়েক-জনের কমেন্ট উল্লেখ করলাম:
>> Dreemy Prince Ruman: চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সহ দেশের ৪৮ টি সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এবং বেসরকারি পলিটেকনিক এর ছাত্র- ছাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। । আগামী ০৩/১০/১৩ অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল পরিক্ষা বর্জনে একাত্নতা প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক কেন্দ্রীয় ছাত্র-ছাত্রী সংসদ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (চট্টগ্রাম পলিটেকনিক শাখা)।

এর সাথে চট্টগ্রাম এর স্থানীয় অনেক বেসরকারি পলিটেকনিক সমূহ একাত্নতা প্রকাশ করেছে। আমাদের ভাইয়ের রক্ত ব্রিথা যেতে দেব না!! যতদিন আমাদের ভাইরা মুক্তি পাবে না এবং আমাদের ভাইরা সুস্থ হবে না ততদিন আমাদের আন্দলোন চালিয়ে যাব। এখানে কিছু ইন্ধন কাজ করছে আমাদের এই ২ দফা বাতিল করতে। তাই আমরা সকলে পরিক্ষা বর্জন এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি । তাই দেশের সকল সাধারণ ছাত্র প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং সকলের মতামত কামনা করছি! যদি একমত হয়ে থাকেন তাহলে খবরটি পৌছিয়ে দিন সকল পলিটেকনিক এর ছাত্র প্রতিনিধি দের কাছে।

চট্টগ্রাম ছাত্র প্রতিনিধি : সৈয়দ আহমদউল্লাহ আবীর প্রোভিপি (কেন্দ্রীয় ছাত্র- ছাত্রী সংসদ) চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, চট্টগ্রাম যোগাযোগ :০১৬৭৩৬৬৪৮৮৩ 01673664883 collected from Anonto Chowdhory
> Md Mahedi Hasan: আগামি কাল সকাল ৮ টায় ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সিটিউট এ উপস্থিত থাকবেন , আমরা আগামি ৩/০৯/১৩ তারিখের পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করবনা । ময়মনসিংহ এর সকল পলিটেকনিক ইন্সিটিউট এর সকল ছাত্র ছাত্রি বাই ও বোনেরা আগামি কাল সকাল ৮ টায় ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সিটিউট এ উপস্থিতি কামনা করি @
> Ahasan Habib Shatu: কারিগরি শিক্ষার সেকাল - একাল মোঃ আহসান হাবীব সেতু ( ঢা. প. ই )
দেড়শতাধিক বছর আগে শুরু হয়েছিলো পলিটেকনিক শিক্ষাব্যাবস্থা । দেশ ও জাতির অগ্রগতির জন্য মূলত এ শিক্ষাব্যাবস্থার পথচলা । ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষা হিসেবে পরিচিত করা হয় এই শিক্ষাব্যাবস্থাকে । ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা যাতে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারে সেই লক্ষে দেশের সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পড়ার সুযোগ করে দেয় তৎকালীন শিক্ষাপরিষদ ।

ডিপ্লোমাদেরকে সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে দশটি কোটা দেওয়া হয় । ভালই চলতে শুরুকরে ডিপ্লোমা ও অন্যান্য প্রকৌশল শিক্ষাব্যাবস্থা । দেশের সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখাযায় প্রতিটি বিভাগে যে দশ জন করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নেওয়া হয়েছে তারাই এক থেকে দশম স্থান অর্জন করেছে । শুরু হয়ে গেল সাধারন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ( এটা প্রথম শুরু হয় রুয়েটে ) । তারা দাবিকরে কোন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী তাদের সাথে পড়তে পারবে না ।

তাদের লাগাতার কর্মসূচীতে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ ডিপ্লোমাদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া বন্ধ করে দেয় । প্রায় এক লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য চালু করা হয় একটি মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়েট । যার আসন সংখ্যা মাত্র বারশত । ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা তা বীণাআপত্তিতে মেনে নিয়ে আবার যাত্রা শুরুকরে নতুন ও কঠিন পথে । উচ্চ শিক্ষার সুযোগ কমে যাওয়ায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা কর্ম সংস্থানে যোগ দিতে শুরু করে ।

সেখানে তারা তাদের সৃজনশীল প্রতিভার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান নিয়ে যায় উচ্চ শিক্ষিত বি.এস.সি প্রকৌশলীদের সমপর্যায়ে । শুরু হয়েগেল আবার দন্দ । বি.এস.সিরা মানতে চাইলনা ডিপ্লোমাদের এ পদন্নতি । শুরু হয়েগেল আন্দোলন, বৈষম্য ও শত্রুতা । এমন একটা কথা আছে, 'যে দিন থেকে কেউ ডিপ্লোমাতে ভর্তি হল, সেইদিন থেকেই সে বি.এস.সিদের শত্রু হয়ে গেল ' ।

বি.এস.সিরা লাগাতার আবেদন জানাতে থাকল যে, ' ডিপ্লোমারা আমাদেরচেয়ে কম শিক্ষিত, তারা কোন কাজে প্রতিভা দেখাতে পারেনা, আমরা তাদের পদন্নতি মানি না ' । আবার নীল - নকশায় হারিয়ে গেল ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা । ২০০৮ সালে কেড়ে নেওয়া হল তাদের পদবী । তারা আর ডিপ্লোমা প্রকৌশলী থাকলনা, হয়েগেল "সুপারভাইজার" ।
"জাগো ডিপ্লোমারা জাগো ।

এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না । যদি তোমরা আজ না জাগো, আর কোনদিনও জাগতে পারবেনা । সারাটা জীবন তোমাদের জেগেও ঘুমিয়ে থাকতে হবে । "
> Ahsan Habib: একটি মানবতার ডাক সকল বন্ধু ও বাকাসাপের প্রতি আকুল আবেদন যে, আমাদের অনেক ভাই আজ জেলে,অনেকে বা অসুস্থ তাদের জীবনকে অন্ধকারে ঠেলেদিয়ে আমরা কি ভাবে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করব.। তাদের এই জায়গায় যদি আমরা থাকতাম তবে ? প্লিজ তাদের কথা একবার ভাবেন.আমরা তাদের জেল থেকে মুক্তির এবং সুস্থতার জন্ন্য প্লিজ যার যার অবস্থান থেকে একত্রিত হয়ে ঈদের পর পর্যন্ত পরিক্ষা বিরতির জন্ন্য আগামীকাল মানব বন্ধন করি কাল সকাল 10টায়. একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি মানববন্ধন করি.প্লিজ প্লিজ প্লিজ
> Azizul Opu:
সকল পলিটেকনিক ছাত্র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি..! আপনারা অতি দ্রুত আপনারা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে জরুরি সভা ডেকে ৩ তারিখের পরীক্ষার ব্যাপারে সিদ্বন্ত নিন !!! আমি শুধু একটি কথায় বলব যাদের রক্তের বিনিময়ে দাবি মেনে নেয়ার ঘোষণা পেয়েছেন সেই রক্তের উপর পা দিয়ে আপনি তরীক্ষার হলে যাবেন ? না তাদেরকে নিয়ে একসাথে পরীক্ যদি আমার ভাইদের রক্তের প্রতি আপনার এতটুকু শ্রদ্বাবোধ থাকে তাহলে পরীক্ষা বর্জন করুন।

এব ং জাকির হোসেন সাগরকে জানিয়ে দিন আমরা তাকে নেতা বানিয়েছি এব করতে !!! সকল পলিটেকনিকের সিদ্বান্ব আমাদের জানান।
কিছু প্রস্তাব পেশ করছি:
১.সকল জেলবন্দি ভাইদের কালকের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে এবং আমাদের বিরুদ্ধে থাকা সকল মামলা নিঃশর্তে উঠিয়ে নিতে হবে । ২.যে সকল ভাই ও বোনেরা অসুস্থ তাদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে । ৩.যে সকল ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে তাদের জন্য প্রত্যেক পলিটেকনিকে গায়েবানা জনাযা আদায় করা হোক ।
“দাবী মানুক আর নাই মানুক অন্তত আগামী এক সপ্তাহ কোন পরিক্ষা হওয়া উচিত নয়।

কারণ আন্দোলন করতে গিয়ে ইতি মধ্যে শত শত ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। যাদের পক্ষে এখন পরিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। আর আমরা যদি তাদের বাদ দিয়ে পরিক্ষা দিতে যাই তাহলে ভবিষ্যতে আর কোন আন্দোলন ঐক্যবদ্ধ ভাবে গড়ে উঠবে না ”
{ By TPL} { The Lover }

সোর্স: http://www.techtunes.com.bd/     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।