মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের দুই প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
দক্ষিণের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন এসএম জাবেদ ইকবাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমাদের পাঁচ হাজার ২০০ জনের নিয়মিত কর্মী বাহিনী রয়েছে। এর বাইরে আমারা ঈদ উপলক্ষে আরো চার হাজার জনবল নিয়োগ করেছি।
“আমাদের সিটি কর্পোরেশন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
“আজ (বুধবার) দুপুর থেকে আমাদের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
আগামীকাল দুপুর নাগাদ বর্জ্য অপসারণে আমরা ভাল একটি পর্যায়ে পৌঁছতে পারব। তবে ৪৮ ঘণ্টায় আমরা শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। ”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ঢাকা মহানগরে কোরবানির জন্য ‘স্লটার হাউজ’ নেই। সকল এলাকা ও মহল্লায় সবাইকে এক স্থানে কোরবানি দিতে বলা হলেও তাতে সাড়া পড়েনি।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মহানগর দক্ষিণ তাদের এলাকাকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুল খুলেছে।
অঞ্চল-১ এ রয়েছে ধানমন্ডি, শুক্রাবাদ, নিউমার্কেট, মন্ত্রিপাড়া, সেগুনবাগিচা, পরিবাগ এবং এর মধ্যবর্তী এলাকা।
অঞ্চল-২ এ আছে খিলগাঁও, বাসাবো, মতিঝিল, কমলাপুর ও মালিবাগ।
অঞ্চল-৩ এ রয়েছে লালবাগ, হাজারীবাগ, আজিমপুর ও জিগাতলা।
অঞ্চল-৪ এ রয়েছে নয়াবাজার, সিদ্দিকবাজার ও লক্ষ্মীবাজার এলাকা।
অঞ্চল-৫ এ রয়েছে সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন, দয়াগঞ্জ ও গেন্ডারিয়া।
যেকোনো প্রয়োজনে দক্ষিণের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর ৯৫৫৬০১৪-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া পাঁচটি অঞ্চলে (১ থেকে ৫) যথাক্রমে ০১৫৫২৩৮৯৬৭১, ০১৯৩৭৬৯১৬৩৯, ০১৭১২৫৯২১২৬, ০১৭১৫৪৩২৩৬৭ ও ০১৭১২২৯৩১৮৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে চাই।
“এজন্য আমাদের নিয়মিত লোকবলের পাশাপাশি নতুন লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগ করা হয়েছে অন্যান্য উপায় উপকরণও।
আশা করছি, আমরা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারব। ”
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।