মইনের বাড়ি নওগাঁ জেলার পোরশা থানার গীতপুর গ্রামে।
এই মইনসহ ২০ বিডিআর সদস্যের খোঁজ পাওয়া যায়নি, যারা প্রত্যেকে হত্যা এবং বিদ্রোহ মামলার আসামি। দেশের প্রতিটি থানায়, স্থল- বিমানবন্দরে তাদের বিষয়ে নোটিস পাঠানো রয়েছে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানায় দরবার হলে ৯৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ২ হাজার ৪৮৩ জনের উপস্থিতিতে দরবার শুরু হওয়ার পরপরই সিপাহি মইন অস্ত্র হাতে মঞ্চে উঠে পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
মঞ্চে সে সময়ে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ছিলেন।
মঞ্চে থাকা কর্মকর্তারা কিছুক্ষণের মধ্যে মইনকে নিচে ফেলে দিয়ে নিবৃত্ত করেছিলেন, যার একটি ছবি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়।
বিদ্রোহ ও হত্যামামলার বিবরণে বলা হয়, সেখানে মইনকে নিবৃত্ত করা হলেও বিদ্রোহ দমন করা সম্ভব হয়নি। বিদ্রোহের ধারাবাহিকতায় ওই দিন জীবন দিতে হয় মহাপরিচালকসহ অর্ধ শতাধিক সেনা কর্মকর্তাকে।
মইনকে সেখানে নিবৃত্ত করার পর তার অবস্থান আর কেউ বলতে পারেনি। মইন ছাড়াও আরো ২৪ জনকে পলাতক হিসাবে দেখিয়ে বিডিআর কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।
পরে বিভিন্ন সময়ে পাঁচজন গ্রেপ্তার হন।
বাকি ২০ জনের অনুপস্থিতিতেই বিদ্রোহ এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। এই ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন সিপাহি এবং একজন ল্যান্সনায়েক।
তারা হচ্ছেন- ল্যান্সনায়েক হামিদুল ইসলাম, সিপাহি রেজাউল করিম, আইয়ুব আলী, বাকি বিল্লাহ, আতিকুর রহমান, মো. সাদুল্ল্যাহ, মিজানুর রহমান, পল্টন চাকমা, মুকুল আলম, কামরুল হাসান, মেজবাহ উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, মো. সেলিম, নুরুল আলম, মো. আল মামুন, আনিছুর রহমান, মকবুল হোসেন, হাসিবুল হাসান এবং আবদুল্লাহ আল মামুন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।