আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আদিল-এলানের অভিযোগ গঠন পেছাল

রোববার এ শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও এলানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় শুনানি পিছিয়ে যায়।  
অবশ্য জামিনে থাকা আদিল আদালতে হাজির ছিলেন।
ঢাকার সাইবার অপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের এ মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য ২৪ নভেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করেছেন। ওই দিনই এলানের জামিন আবেদনের শুনানিরও দিন রয়েছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর এ দুইজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক আশরাফুল আলম।

পরে মামলাটি পাঠানো হয় সাইবার অপরাধ দমন ট্রাইবুনালে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর আদিল ও এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইবুনালের বিচারক।
এরই মধ্যে আদিল হাই কোর্ট থেকে জামিন পান। আর এলানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইবুনাল।
পরে গত ৬ নভেম্বর এলান ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।


মতিঝিলে হেফাজতবিরোধী অভিযান নিয়ে তথ্য বিকৃতি, অসত্য তথ্য উপস্থাপন, ফটোশপের মাধ্যমে ছবি বিকৃত করে অধিকারের প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা এবং জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর মতো অভিযোগ আনা হয়েছে দুই আসামির বিরুদ্ধে।
মামলায় বলা হয়েছে, “ওই কাজের মধ্য দিয়ে তারা রাষ্ট্রের প্রতি ষড়যন্ত্র এবং দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। ”
তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭, ৫৭(১), ৫৭(২) এবং দণ্ডবিধির ৫০৫(এ)(সি)(ডি) ধারায় অস্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টিরও অভিযোগ আনা হয়েছে আদিল ও এলানের বিরুদ্ধে।
গত ৫ মে রাতে শাপলা চত্বর থেকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে অভিযান চালায়, তাতে ৬১ জন নিহত হয় বলে ডানপন্থীদের সমর্থনপুষ্ট অধিকারের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
অধিকারের কাছে ‘নিহত’ ৬১ জনের নাম পরিচয় চেয়ে সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হলেও অধিকার তথ্য দিতে অস্বীকার করে।


এরপর গত ১০ অগাস্ট আদিলকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।
আদিলকে গ্রেপ্তার করায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়; বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনও নিন্দা জানায়।
নিম্ন আদালত আদিলকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ দিনের রিমান্ডে নিতে অনুমতি দিলেও হাই কোর্টের এক আদেশে রিমান্ড স্থগিত করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।


সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।