আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে একটি মার্কিন ডেষ্ট্রয়ার তার রুটিন টহল দিচ্ছিল। উজ্জল সূর্যের আলোয় ঐ দিনটাকে স্বাভাবিক মনে হলেও হঠাৎই তার রাডারে দূরে থাকা একটি নৌযানের অস্তিত্ব ধরা পরে। কোন মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ কিংবা সাবমেরিন কোথায় সেটা অভিনেতা Robert Mitchum
যিনি ডেষ্ট্রয়ারের ক্যাপ্টেন চরিত্রে মুরেল জানেন। তিনি এও জানেন যদি এটা নাৎসী তথা জার্মান নৌবাহিনীর কোন জাহাজ হত তাহলে আরো আগেই রাডারে ধরা পড়ত। কারণ এই নৌযান তাদের অতিক্রম করলে আরো আগেই টের পেতেন।
তাই তিনি নিশ্চত হলেন এটা জার্মান ইউবোট। নিশ্চয়ই ডুবন্ত অবস্থায় ব্যাটারীতে না চলে ডিজেলে চলার জন্য পানির উপরে ভেসে দক্ষিণে যাচ্ছে। তার ধারণা হল উত্তর ও মধ্য আটলান্টিক ছেড়ে এত দক্ষিণে যেহেতু যাচ্ছে তাই কোন বিশেষ মিশন না হয়ে পারে না। তাই মার্কিন ক্যাপ্টেন সিদ্ধান্ত নিলেন এটাকে ধাওয়া করার। অন্যদিকে নাৎসী জার্মান ইউবোটের ক্যাপ্টেন ভিলেন Curd Jürgens
যিনি Von Stolberg চরিত্রে তিনি ভাবলেন যদি ডেষ্ট্রয়ার ভালোয় ভালোয় অন্যদিকে যায় তো সমস্যা নেই নতুবা ডেষ্ট্রয়ারকে তিনি খেলা দেখিয়ে দিবেন।
তারপর যেই ডেষ্ট্রয়ার কাছাকাছি চলে আসল এইতো শুরু হল লড়াই ও কৌশল। দুই জাহাজের ক্যাপ্টেন তাদের সব মেধা ও কসরত করল। অনেক ডেপথ চার্জ ফেললেও ধূরন্ধর ক্যাপ্টেন ফল ষ্টলবের্গ এড়িয়ে গিয়ে শেষমেশ মার্কিন ডেষ্ট্রয়ারকে টর্পোডোকে আঘাত করে ক্ষতিগ্রস্থ করল। ডেষ্ট্রয়ার আর বড় জোর এক ঘন্টার একটু বেশী পরেই ডুবে যাবে। তাতে এই পরিস্থিতি দাড়াল যে ডেষ্ট্রয়ারের ক্রুরা রেডিওর মাধ্যমে উদ্ধারের বার্তা দিয়ে জীবন রক্ষা পাবে যেহেতু আটলান্টিকে মার্কিন নৌবহর বেশী।
কিন্তু ডেষ্ট্রয়ারের ক্যাপ্টেন এই অবস্থাতেও এক দারুণ কৌশল করলেন। তিনি ভাবলেন আমরা হয়ত রক্ষা পাব তারপরেও জার্মান ইউবোটকে এমনি এমনি চলে যেতে অথবা পার পেতে দিবেন না। বাকীটা ছবি দেখেই জেনে নিন। এর টরেন্ট লিংক;
Click This Link
এই মূভিটির মূল উপন্যাস রচিয়তা D.A. Rayner ও স্ক্রীন প্লে Wendell Mayes। টুয়েন্টিন্থ সেঞ্চুরী ফক্সের নির্মিত এই ছবির পরিচালক Dick Powell।
আই.এম.ডি.বিতে এর রেটিং ৭.৬
http://www.imdb.com/title/tt0050356
উল্লেখ্য এই মূভিটি ১৯৫৮ সালে স্পেশাল এফেক্টের জন্য অস্কার পুরস্কার লাভ করে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।