আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

প্রথম আলো সম্পাদক, প্রকাশক ও প্রতিবেদকের জরিমানা মওকুফ

হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজীর এলএলবি সনদ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশ ও প্রতিবেদককে হাইকোর্টের দেওয়া জরিমানার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ।

তবে একই ঘটনায় ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিবেদক সমরেশ বৈদ্যর দুই মাসের কারাদাণ্ড মওকুফ করে এক হাজার টাকা জরিমানা বহাল রেখেছেন আদালত। অনাদায়ে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

এছাড়া, পত্রিকার প্রকাশক ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীকেও জরিমানা গুণতে হবে না। তবে তৎকালীন সম্পাদক আবেদ খানের এক হাজার টাকা জরিমানার বিষয়টি মডিফিকেশন করা হয়েছে।

আদালতে আপিলকারীর পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন। ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি।

বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজীর এলএলবি সনদ নিয়ে ২০০৪ সালের ৩০ অক্টোবর দৈনিক ভোরের কাগজ এবং প্রথম আলো পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ফয়েজীর মার্কসিটে এলএলবি বিষয়ে নম্বর ঘষামাজা।

এরপর ফয়েজীর বাবা সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফয়েজ হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করেন।

এ মামলায় ২০০৫ সালের ২১ মার্চ এক রায়ে হাইকোর্ট প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, প্রকাশক মাহফুজ আনাম, প্রতিবেদক একরামুল হক বুলবুল ও মাসুদ মিলাদকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

এছাড়া ভোরের কাগজের প্রতিবেদক সমরেশ বৈদ্যকে দুই মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা এবং ওই সময়কার সম্পাদক আবেদন খান ও প্রকাশক সাবের হোসেন চৌধুরীকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রায়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন। আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগ এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন।



অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।