আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এখন কেউ এভারেস্টে উঠতে গেলে যা করবেন....

এখন যা অবস্থা, আপনি সত্যি সত্যি এভারেস্ট সামিট করলেও কেউ আর সেটা বিশ্বাস করবেনা। ব্যাপারটা বিশ্বাসযোগ্য করতে এই কাজগুলো করতে পারেন:

১. সাথে করে মুন্নী সাহাকে নিয়ে যাবেন, যিনি এভারেস্টের চূড়ায় বসে "আপনার অনুভূতি কি?" টাইপ প্রশ্ন করে দেশবাসীকে লাইভ দেখাবেন। একই সাথে সামুর একটা সেফ নিক থেকে সরাসরি পোস্ট দিবেন।
২. সামিট করে অবশ্যই কাপড়-চোপড় খুলে সম্পূর্ন উলঙ্গ হয়ে ছবি তুলবেন, চেহারা সহ কিছুই ঢেকে রাখা চলবেনা।
৩. চূড়ায় নাকি একটা বুদ্ধ-মূর্তি আছে, সেটা সরিয়ে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি রাখবেন।


৪. কাটা-কম্পাস নিয়ে চূড়ায় আপনার ছায়া কোন সময়ে কোন এ্যাঙ্গেলে পড়েছে সেটা মেপে দেখাবেন।
৫. আপনার আশে-পাশে যারা থাকবে, তাদের ধরে কাপড়-চোপড় খুলে দেবেন, এরপর উলঙ্গ অবস্থায় সবাই গ্রুপ ছবি তুলবেন। কারও চেহারা ঢাকতে দেবেননা।
৬. চূড়া থেকে লাইভ টিভি ফোন-ইন প্রোগ্রামের আয়োজন করবেন, সেখানে চাঙ্খারপুল থেকে জনৈক মোতালেব মিঞা নিজের পরিচয় দিয়ে, টিভি সেটের ভলিয়্যুম কমিয়ে তারপর আপনার সাথে সরাসরি কথা বলবেন। উনি "চোখ কই?", "নাক কই?", "ভূঁড়ি কই?", " **** কই?" টাইপের প্রশ্ন করলে আপনি সরাসরি হাত দিয়ে দেখিয়ে দেবেন।


৭. সামিট শেষে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট, মার্ক শিট, টেস্টোমোনিয়াল এগুলো নিয়ে এসে যেকোন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করবেন। এরপর কনভোকেশন হবার পর মূল সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি খবরের কাগজে প্রকাশ করবেন।
৮. এরপরও আপনি যে বাংলাদেশি সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। কাজেই বার্থ-সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি রেডি রাখবেন। বাসার ঠিকানা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে, সেজন্য ফোন অথবা ইলেক্ট্রিক বিলের ফটোকপি রেডি রাখবেন।


৯. মিছা ইব্রাহিমের ধারে-পাশেও থাকবেননা, সেরকম কোন ছবি প্রকাশিত হলে এতো কিছু করেও শেষ রক্ষা হবেনা, কেউ আপনার সামিট বিশ্বাস করবেনা। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।