ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত প্রবাসী ব্যবসায়ী ইশরাক আহমেদ ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি এম ইদ্রিস সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সেনাসদর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, ইশরাক ও জিয়াউল হক ২০১১ সালে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের চেষ্টায় জড়িত ছিলেন।
২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়, কয়েকজন ধর্মান্ধ সেনা কর্মকর্তার একটি অভ্যুত্থান পরিকল্পনা নস্যাত্ করা হয়েছে। সে সময় এই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাকারী হিসেবে ইশরাক আহমেদ ও মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হকের নাম আসে। এর আগে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান।
ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন, মুজিবুল হক, নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, রফিকুল ইসলাম, মঞ্জুর কাদের কোরাইশী ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষাসচিব খোন্দকার আসাদুজ্জামান, সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুল ইসলাম, নৌবাহিনী-প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব ও বিমানবাহিনী-প্রধান এয়ার মার্শাল ইনামুল বারী। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।