আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এ লেখা পড়া আপনার জন্য ফরজ, কারণ জান বাচানো ফরজ (কপি-পেষ্ট)

দিন আনি দিন খাই। রাজনিতীতে নাক গলাই। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের ইন্টারনেট কানেকশান স্লো। কারণ, সরকার দীর্ঘদিনের একটা কাজ শেষ করে এখন জাল গুটিয়ে আনছে। বাংলাদেশের লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর মধ্য থেকে নির্দিষ্ট কয়েকহাজার মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রায় দেড় বছর যাবত এ প্রজেক্টের কাজ করা হচ্ছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে। প্রজেক্ট সেলের অফিস ঢাকার পরীবাগে। বেশ কয়েকজন মোটা বেতনের কনসালটেন্ট ভারতীয় নাগরিক। বেশ কয়েকজন পুরনো ব্লগার ও ফেসবুক এক্টিভিষ্ট এ প্রজেক্টে প্রথম থেকেই সরকারকে তথ্য সরবরাহ করেছেন।

কোন মানুষগুলো আওয়ামী বিরোধী ব্লগিং ও ফেসবুকে লেখালেখি করে তাদের চিহ্নিত করা ছিলো মূল কাজ। ব্লগের ইউজারনেম, ফেসবুক আইডি আর ইমেইল এড্রেস কালেকশান করে এ ডাটাবেজ বানানো হয়েছে। কেউ হয়তো ব্লগে নিকনেম ব্যবহার করেন, কিন্তু তার ফেসবুক আইডিটা নিজ নামে। অথবা কারো মেইল এড্রেস ব্যাক্তিগত। বিশাল ডাটাবেজে প্রতিটা নাম ও অন্যান্য পরিচয়বাচক ডাটা পুনরাবৃত্তিকরণ রোধ করা হয়েছে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে।

বিভিন্ন ব্লগের ব্লগার, ফেসবুকে নোট লেখা ও মন্তব্য করা সাধারণ মানুষ, পত্রিকায় খবরের নিচে মন্তব্য করা পাঠক ও বিভিন্ন গ্রুপ মেইলে সরকারের সমালোচনা করে মেইল করা ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীরা দীর্ঘদিন যাবত চিহ্নিত হয়েছেন। এর সাথে যোগ করা হয়েছে সরকারবিরোধী পরিচিত মানুষজন, জেলাপর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতাদের নাম, বুদ্ধিজীবি ও শিক্ষকদের নাম। এখন সব ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাষ্টমার ডাটাবেজে সরকারের ঐ ডাটাবেজ রান করানো হচ্ছে এবং তাদের নিজ নামে নেয়া সব সংযোগ চিহ্নিত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ নামে অন্য কোন সংযোগ নিলেই বিটিআরসির কাছে স্বয়ংক্রিয় ওয়ার্নিং চলে যাবে। প্রজেক্টের সব রিসোর্স আর ব্যাকআপ আছে নির্দিষ্ট কিছু লোকের হাতে।

কোনকারণে আওয়ামী লীগের সরকার পতন হলে এক ঘন্টার মাঝে সবকিছু প্যাক হয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় চলে যাবে, সরকারও আর কিছু পাবে না, স্রেফ উবে যাবে হাওয়ায়। আপনি কোন সাইটে লগইন করেন, কোথায় কি মন্তব্য করেন, কাকে কি মেইল পাঠান সব দেখেশুনে আপনার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত অভিযোগ গুলোর যে কোনটি অথবা সবগুলো আনা হবে। - যুদ্ধাপরাধী বিচারে বাধাপ্রদান - বিচার বানচালের ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ - নাশকতার ষড়যন্ত্র - মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধীতা - রাষ্ট্রদ্রোহীতা - শান্তি ও শৃংখলা ভঙ্গের ষড়যন্ত্র - হত্যা ও তান্ডব সৃষ্টির ষড়যন্ত্র - সাইবার অপরাধ আইন সুতরাং নিজে এতদিন ইন্টারনেটে কি কি করেছেন এবং এখন পিঠের ছালা বাঁচানোর জন্য কি কি করা দরকার ভেবেচিন্তে সতর্ক সিদ্ধান্ত নিন। বুদ্ধিমান হউন, ঠিক কাজটি করুন। যে কোন মুহুর্তে ধরা খেলে নগদ ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা লাগবে, জেলহাজতে চালান না হয়ে থানা থেকেই ফিরে আসতে।

আর যদি জামাত শিবিরের সাথে সম্পর্ক থাকে, তাহলে আব তো গ্যায়া। Click This Link ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।