মনের খোলা জানালয় কত আলো কত রঙ, খেলা করে চুপি সারে, আসে যায় কড়া নাড়ে ... ... আমার এক বন্ধু সব সময় খুব আফসোস করে, সারা জীবনে একটাও সফল প্রেম করতে পারে নাই। কখনো জোড়া লাগে নাই আবার কখনো বেশি দূর আগায় নাই। এ বিষয়ে অবশ্য ওর সব চাইতে বড় অভিযোগ খোদার কাছে। সে অসুন্দর, পকেটে টাকা কম, টাকা থাকলেও...
মেজাজটা ভীষন খিচড়ে আছে তমার। অফিস থেকে এসে শুয়ে আছে চুপচাপ। এরমধ্যেই আম্মা দুইবার এসে বলে গেছে উঠে গোসল-খাওয়া সারতে। কিন্তু উঠতেই ইচ্ছা করছে না। এত অস্থির লাগছে, এত অসহায় লাগছে নিজেকে। কিছু ভাল লাগছে না। অনেক অনেকক্ষণ পরে বিদ্যুৎ চলে যেতে শোয়া থেকে ওঠে তমা। বাথরুমে ঢুকে শাওয়ার ছেড়ে দেয়।...
চিন্তা করছি বি.টি.আর.সি. নতুন আরো ২টি সাবমেরিন কেবল অপারেটরের লাইসেন্স দেবার গাইডলাইন ওয়েবে দিয়ে সবার কাছ থেকে মতামত নিচ্ছে। পড়ে যতটুকু বুঝলাম উপকূলের কোথাও ডমেস্টিক ল্যান্ডিং স্টেশন করে সোজা ঢাকাতে ফাইবার টেনে নিয়ে যাবে। তার মানে প্রথম সাবমেরিন কেবলের মত এইটারও সিংগেল পয়েন্ট অব ফেইলিওর,...
"পসার বিকিয়ে চলি জগৎ ফুটপাতে, সন্ধ্যাকালে ফিরে আসি প্রিয়ার মালা হাতে" যন্ত্রণা বলো- কতটা যন্ত্রণা সইলে আমি হবো গাঢ় নীল কতটা নীল বুকে ধরলে তুমি বলবে আকাশ কতটা নীল বুকে জড়ালে তুমি বলবে সমুদ্র তুমি হয়তো ভাববে- আমার এই ছোট্ট একটা হৃদয় কতটুকুইবা ধরবে খন্ড খন্ড মেঘের কষ্ট ...
তমার মেজাজ খারাপ। মেজাজ চরম খারাপ। ইচ্ছে করছে সবকিছু ভেঙে-চুরে একাকার করে ফেলতে। অথচ অনেক ভেবেও সে এই মেজাজ খারাপের কোন কারণ বের করতে পারছে না। এটা অবশ্য তমার জন্য নতুন কিছু না। প্রায়ই ওর এমন বিনা কারণে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। সবকিছুর ওপর বিরক্ত লাগতে থাকে। অসহ্য ভাঙচুর টাইপের...
Click This Link 'তমা..........তমা.......চোখ খোল...........কি হল............' ভাসা ভাসা কথাগুলো আসতে থাকে তমার কানে। মনে হচ্ছে একটা অন্ধকার সুরঙ্গের ভেতর প্যাঁচিয়ে প্যাঁচিয়ে ঢুকে যাচ্ছে। মাথাটা এত ভারী লাগছে, নিচের দিকে ডেবে যাচ্ছেই তো যাচ্ছে। চোখের পাতাও ভারী হয়ে...
Click This Link Click This Link বই নিয়ে বসে আছে তমা। কিন্তু পড়া হচ্ছে না। মাথাটা একদম কাজ করছে না। কেমন ভোতা হয়ে আছে। পরশুদিন পরীক্ষা। নিজের ওপরই বিরক্ত লাগছে। কি দরকার ছিল? খামোখা! আম্মা একবার এসে বলে গেছে, ‘এখন আর পড়তে হবে না। শুয়ে পড়, ঘুমা। সকাল সকাল উঠে তারপর...
দুইদিন অপেক্ষা করতে হয় না। পরদিন রাতেই প্রিয়ন্তীর খোঁজ পায় তমা। যাওয়ার পথে এ্যাক্সিডেন্ট করেছিল প্রিয়ন্তীদের বাস। একটা প্রাইভেট কারকে ধাক্কা দিয়ে বাসটা উল্টে পড়েছে রাস্তার পাশের একটা খাদে। ওর মা মারা গেছেন সাথে সাথেই। প্রিয়ন্তী আর ওর বোনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া...
ছোটবেলা থেকেই তমা শুনে এসেছে ও অনেক সুন্দর দেখতে। ফর্সা টুকটুকে গোলগাল মুখ, বড় বড় চোখ আর এক মাথা ঝাকড়া চুল, ওকে পুতুল পুতুল দেখাতো। আর সবার বাড়তি আদরও পেয়েছে অনেক সুন্দর হওয়ার জন্য। কিন্তু এই সুন্দর হওয়াটাই ওর জন্য একটা অভিশাপ ছিল। বড়দের আদরগুলো একটা সময় আর স্বাভাবিক আদরের...
তমা ভুলে যেতে চায় ছেলেটাকে। ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজের কাজ, পড়ালেখা নিয়ে, বন্ধুদের নিয়ে। কিন্তু তিনদিন পর আবার পড়ে যায় ছেলেটার সামনে রাস্তায়। তেমনিভাবে চেয়ে থাকে ছেলেটা, ঠোঁটে ঝুলানো একটা তেলতেলে হাসি। গা ঘিনঘিন করে তমার। এমন না যে ছেলেটা দেখতে খারাপ, কিন্তু কি যেন খারাপ কিছু আছে ওর চোখে। পর...
সকালে তমার ফোলা চোখ দেখে আম্মা বুঝতে পারল কিছু একটা হয়েছে। বারবার জিজ্ঞাসা করতে লাগল, ‘কি হয়েছে?’ তমা কিছু বলে না। কিন্তু বারবার জোর করার পরে শেষ পর্যন্ত অস্থির হয়ে বলল, ‘'তোমাকে বলে কি হবে? তুমিতো সেই একই কথা বলবা, সাবধানে থাকিস। আর কিভাবে সাবধানে থাকে মানুষ?’' আম্মা উদ্বিগ্ন...
প্রিয়ন্তী তমাকে বাসায় পৌঁছে দেয়। বাসায় ফিরেও তমা অস্থির হয়ে থাকে। যেকোন সমান্য শব্দেও বারবার চমকে উঠতে থাকে। সন্ধ্যার পরে আম্মাকে রুমে ডেকে আনে, কাগজটা দেখায়, খুলে বলে কি ঘটেছে। সব শুনে আম্মাও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে। বলে, ‘এত ভাবিস না। আল্লাহ আছে। আর আমি তোর আব্বাকে বলবো। তোর ইউসুফ চাচারে...
কখন, কতক্ষন পরে জ্ঞান ফেরে তমা জানে না। মাথায় একটা ভোঁতা যন্ত্রণা আস্তে আস্তে ওকে বাস্তবে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। খুব ধীরে ধীরে চোখ খোলে তমা। আবছা অন্ধকার একটা ঘর, গুমোট, ধূলার গন্ধ নাকে লাগে। মেঝেতে পাতা একটা চাটাইয়ে শুয়ে আছে তমা। মাথাটা এত ভারী যে তুলতেই পারছে না। বাইরে অস্পষ্ট হল্লার শব্দ...
তমা ভেবেছিল কখনো কাউকে জানাবে না। কিন্তু জানাতে হয়েছিল। রাত সাড়ে দশটার দিকে প্রিয়ন্তী ফোন করল। একদমই কথা বলতে ইচ্ছা না হলেও তমাকে স্বাভাবিকভাবেই ফোন ধরতে হল। প্রিয়ন্তী ফোন ধরে বলে, '‘কিরে তমা, শরীর কেমন? তুই কি বলতো, এত প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে তুই কিনা অনুষ্ঠানের দিন অসুস্থ হয়ে...
কানাকে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলিও না, ইহাতে উহারা কষ্ট পায় আমি কানা বাবা বইলে অন্যের পোষ্টে মন্তব্য করবার পারমু না, এইডা কুন কতা হইল? কতদিন অপেক্ষা করন লাগব?