আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

অলাম্বস ভূত ও সাহসী বীরের গল্প

পি এম বাহার আহমেদ হেলেনাকে উদ্ধার- শেষ পর্ব হেলেনাকে উদ্ধার পর্ব-এক হেলেনাকে উদ্ধার পর্ব-দুই অলাম্বস সতর্ক পা’য়ে হেঁটে প্রাসাদের ভিতরে চলে গেল। চারদিকে অন্ধকার। সামনে এগোনো সম্ভব হচ্ছে না। তাই পেচনে ফিরে আসতে চাইল। সেটাও সম্ভব হলো না।

পেচনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। এখন বিকট একটা হাসি শোনা যায়। যে হাসি শুনলে হাড় কাঁপানো ভয় জাগে। স্টোক করার গ্যারান্টি থাকে। অলাম্বস হতচকিত হয়ে যানতে চাইলো. ‘কে তুমি? অন্ধকারে তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না।

’ আবারো সেই হাসি- এত বিদঘুটে হাসি অলাম্বস কখনো শুনেনি। আবার বলল, ‘সামনে আসো। দেখা দাও। আমি দেখতে চাই তোমার কি শক্তি। তোমার কি রূপ।

’ ‘চার’দিক থেকে বিক্রিত কণ্ঠের প্রতিধ্বনি হচ্ছে। ‘অলাম্বস, আমাকে তুমি দেখতে পাবে না। আমি ফিগো। ভূতদের সম্রাট তানস ফিগো। কোনো মানব সন্তান এই প্রাসাদে প্রবেশ করার অধিকার নেই।

তুমি অনধিকার চর্চা করেছ। মৃত্যুর গুহায় ঢুকেছ। তুমি বাঁচবে না। মরা’র জন্য প্রস্তুত হও অলাম্বস! হিআহ হাহাহা!’ কণ্ঠ যেমন কর্কশ, হাসিও তেমন বিশ্রি। হাসির দাপটে সমস্ত প্রাসাদ নড়বরে অবস্থা।

অলাম্বস বলে, ‘শয়তান ফিগো! আমি দু’শ বছরের বন্ধিনী রাজ কন্যা হেলেনা’কে নিতে এসেছি। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চাইলে হেলেনা’কে আমার হাতে তুলে দে। ’ তানস ফিগো হাসির শব্দ’টা আরো বাড়িয়ে দিল। ‘বোকা মানব! সুন্দরী রাজ কুমারীর জন্য দু’শত একত্রিশ বছর অপেক্ষা করছি। দু’বছর এখন ওকে ভূতদের রাণী বানাবো।

মানুষের রক্তে মাংশে গড়া ভূতদের রাণী হবে মানব জাতিকে ধ্বংসের একমাত্র অস্ত্র। তোমাদের কোনো ওঝা-বৈদ্য, জাদুঘর আমাকে ঠেকাতে পারবে না। তোমরা ধ্বংস হবে। ধ্বংস হবে। হা হা হা!’ অলাম্বস বলে, ‘শয়তান ফিগো, মানব জাতীকে ধ্বংসের আগে নিজের ধ্বংস দেখে নে-’ অলাম্বস দ্রুত ধারালো তলোয়ার হাতে নেয়।

সাথে একটা ভারাক্কি পিস্তল ছিল। নরেন্দা রাজ্যের রাঁজার দেয়া উপহার। সেটা এখন কাজে আসবে না। বুলেট শেষ হওয়াতে পিস্তলের কাজ শেষ। যা করতে হবে তলোয়ার দিয়ে করতে হবে।

অন্ধকারে তলোয়ার চালানো অসম্ভব এখন। হঠাৎ পেছন থেকে কিয়ং কিয়ং শব্দ হলো। অলাম্বস তরবারি ফেরানোর আগে অদৃশ্য কিছুর আঘাতে ছিটকে পড়লো। মনে হচ্ছে কংকাল জাতীয় কিছুর লাথি খেয়েছে। কতদূর এসে পড়েছে, অন্ধকারে অনুমান করা মশকিল।

পকেট খেকে দিয়শলাই বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করে। আগুন ধরাতে সফল হয়নি। তার আগে কেউ যেন ধরে শূন্যে উঠিয়ে ছুড়ে মারে। দিয়শলাই হাত থেকে খসে পড়লো। কোনো রকম উঠে দাঁড়াতে ফের ফুটবলের মত শুট খেল।

অলাম্বস উপায় না পেয়ে শোয়া থেকে এলোপাথারী তলোয়ার চালাতে শুরু করে। কং কং কং শব্দ হচ্ছে। নিশ্চয় কংকাল ভূতে’রা হাত-পা’, ঘাড় কেটে যাচ্ছে। এখন অন্ধকারে ‘চার’দিক’টা নিঃস্তব্দ। অলাম্বস হাঁপিয়ে উঠেছে।

আতর্কিত মনে হচ্ছে, ফের আক্রমণের শিকার হতে যাচ্ছে। তলোয়ারের আঘাতে টুকরো হওয়া কংকালগুলোর হাত-পা’, মাথাসহ শরীরের অন্যান্ন অংশগুলো একত্রিত হয়ে অলাম্বসকে আঘাত করতে শুরু করে। পরিস্থিতি অলাম্বসের কাছে আতঙ্কের মতো মনে হলো। দিকবিদিকে দৌঁড়াতে শুরু করে। কোথায় কোন পথে যাচ্ছে ঠিক অনুমান হচ্ছে না।

কংকাল টুকরো’গুলো তার পিছে লেগে আছে। অলাম্বস যেনো হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। কংকাল টুকরো’রা উধাও হয়ে গেলো। একটা পাথর খন্ড হাতে পেয়ে প্রাসাদের দেয়ালের সাথে ঘষতে থাকে। দেয়ারের সাথে পাথর খন্ডের ঘর্ষণে অগ্নিকণা দিক-বিদিক ছুটছে।

আবিস্কার’টা দারুণ কাজে এলো। পিঠে ঝুলানো ব্যাগ থেকে মোম বের করে আগুন সংরহ করলো। বিশাল প্রাসাদে সামান্য আলোর খুব বেশি প্রভাব পড়েনি। খুব সাবধানে এক পা’ দুই পা’ করে এগোচ্ছে। আতর্কিত মোমের আলোটা নিবে যায়।

পাশ থেকে আগের ‘মিউ’ শব্দ’টা ভেসে এলো। কোনো অদৃশ্য বস্তু অলাম্বস’কে শূন্যে তুলে নিলো। অনেক উপড়ে উঠিয়ে ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিলো। কোথায় এসে পড়লো বুঝা গেলো না। ‘চার’দিকে ঘন কালো অন্ধকার দোয়াল।

অলাম্বসের এক বন্ধু বলতেন, ‘পৃথিবী অন্ধকার করে যমদূত আসে। এক’টানে প্রাণ নিয়ে উড়ে যায়। ’ ‘ চার’দিকে আলো জ্বলে উঠে। কি আশ্চার্য! সামনে একটা কিম্বোৎ প্রাণী দেখা যাচ্ছে। মুখ’টা কংকালের মতো।

কিন্তু এক পাউন্ড মাংস পর্যন্ত নেই। দু’টি হাত স্বর্ণের চেয়ারের দু’প্রান্তে ধরে আছে । মাথা, মাজা পর্যন্ত মানুষের আকৃতির; মাজার নিচের অংশ ডাইনোসরের লেজের মতো। লেজ খুব মশ্রিণ হলেও দেখতে এতো বিশ্রি, যা বুঝিয়ে বলার মতো না। ‘স্বাগতম, অলাম্বস! তোমার জন্য দু’শ একত্রিশ বছর অপেক্ষা করছিলাম।

তুমি আসবে। প্রভু জিউরের দোহাই দিয়ে বলছি, তোমাকে মেরে ভূত বানাবো। ভূতের রাজে তোমাকে মন্ত্রী বানাবো। তানস ফিগো’র মন্ত্রী। তোমার শক্তি ও বুদ্ধি দিয়ে পৃথিবী ধ্বংস করে দেব।

সব মানুষকে মেরে ভূত ভানাবো। হা হা হা!’ অলাম্বস কিছু বলছে না। ‘চার’দিকে তাকাচ্ছে। বুঝতে চাচ্ছে সে এখন কোথায়। কি ভাবে এখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

মনে হচ্ছে, প্রাসাদের চূড়ায় এসেছে। বিশাল ও বহুতল বিশিষ্ট প্রাসাদ। ‘তিন’কোণ বিশিষ্ট বিস্তৃর্ণ জায়গা জুড়ে প্রাসাদের আয়তন। ডান-বাম দিকে একটি রুম বুঝাতে কিছুটা দেয়ালে ঘেরা। পিছনের দিকে ফুটবল গ্যালারীর মতো দৃশ্য।

ফ্যাবলিয়ন হচ্ছে এই রুম। তানস ফিগোর দরবার। যেখানে বসে ইশারায় সব কাজ সমাধা করে। পেছনের দিকে হাজার হাজার ভূতে’রা নাচানাচি করছে। হার্ট স্টাইক করার মতো দৃশ্য।

তানস ফিগো বলে, ‘কি দেখছ, মানব! বুঝেছি, যার জন্য ফিগোর দরবারে এসেছ-তাকে খুঁচছো? ঐ দেখো, সেও তোমাকে খুঁজছে। ’ অলাম্বস বাম পাশে আলোর প্রতিফলন দেখতে পায়। আলো’টা ক্রমাগত বড় হতে থাকে। তারপর আলোর প্রতিফলন কমে কমে স্পষ্ট একটা খাঁচা দেখতে পেলো। খাঁচা’র মধ্যে হেলেনা।

দাঁড়িয়ে আছে। হেলেনা’র রূপ গুণের অনেক গল্প শুনেছে। সেটা রূপ কথার গল্প মনে হয়েছিল। মানুষ যে এত সুন্দর হতে পারে, হেলেনা’কে না দেখে কেউ বিশ্বাস করবে না। অলাম্বসের কাছে হেলেনা’ স্বপ্নপরী মনে হলো।

হেলেনা অলাম্বসের দিকে চেয়ে আছে। কোনো দিকে তার দৃষ্টি নড়ে না। সে এক মায়াবী দৃষ্টি। অলাম্বস দেখলো পিছন দিকে ভূতেরা ডাক-ডোল পিটিয়ে আসছে। তরুণ-তরুণী ছেলে ও মেয়ে ভূতেরা কেউ নাছে, কেউ গায়।

কিম্বোৎ আকারের কিছু ভূত থালা বাটি নিয়ে টুং টাং শব্দ তৈরী করে নাছ গানে সুর দেয়। কেউ বিশ্রি মুখে ভেংচি কাটে। তানস ফিগো নিজেও খুশিতে নাছে। একবার শূন্যে উঠে, ফের কুরসিতে বসে পড়ে। লেজ তিরিং বিরিং করছে।

হেলেনা তখনো অলাম্বসের দিকে চেয়ে থাকে। যেনো হাজার বছরের পরিচিত যুবক তার সামনে দাঁড়িছে আছে। অলাম্বস পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে সেভ করতে চাইলে ফিগো উড়ে এসে মাথা দিয়ে ধাক্কা দেয়। অলাম্বস পড়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চাকু দিয়ে ফিগো’র লেজে আঘাত করে। লেজ দু’টুকরো হয়ে যায়।

কয়েক সেকেন্ডর মধ্যে খন্ড লেজ উড়ে এসে জোড়া লেগে যায়। চমৎকার একটা শয়তানী শক্তি দেখাতে পেরে ফিগো আনন্দ প্রকাশ করে। এ’মূহুর্তে ‘চার’দিক থেকে অলাম্বসকে ঘিরে ধরে। একসাথে আক্রমন চালাতে চেষ্টা করে। এক সাথে অলাম্বসকে আঘাত শুরু করে তারা।

আশ পাশের তরুণী ভূতেরা গায়, ‘কিয়ং কিয়ং পিয়ং’ এটা ভূতদের জাতীয় সঙ্গিত। গানের সাথে ফিগো আনন্দে নাছতে থাকে। শিস্য’রা আক্রমনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অলাম্বস একাধারে আঘাত খেয়ে পাথরের প্লোরে লুটোপুটি খাচ্ছে। জ্ঞান হারানোর উপক্রম হয়েছে।

হেলেনা খাঁচার ভেতর থেকে হাত মেলে ধরে। ‘আমাকে ধরো, অলাম্বস!’ অলাম্বস হাত এগিয়ে দেয়। সামান্য দূরত্বের জন্য হেলেনাকে স্পর্শ করতে পারছে না। ভূতে’রা পিঁপিলিকার মতো তাকে ঘিরে ধরে। পেছন দিকে টানাটানি শুরু করে দেয়।

ফিগো নিজেও বিপজ্জনক পরিস্থিতি এড়াতে অলাম্বসের হাত সরাতে যায়। কিন্তু এক পলকে অলাম্বস হেলেনার হাত স্পর্শ করে। সব ভূতে’রা চিৎকার দিয়ে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পড়ে। কয়েক’টা ভূত প্রাসাদের একদম নিচে পড়ে যায়। ফিগো দেয়ালের সাথে মাথা পেটে কয়েক খন্ড হয়।

আবার আস্তে আস্তে ফিগো’র ফাটল দেয়া মাথা জোড়া লাগে। সব ভূতে’রা কিছুক্ষণের জন্য বোকা বনে। এদিক-ওদিক আপাদ-মস্তক ঝেড়ে অবাক দৃষ্টিতে অলাম্বসকে দেখতে থাকে। এ’কোন জাদু, ফিগো ছাড়া কেউ বুঝতে পারে না। অলাম্বস উঠে দাঁড়ায়।

পাশে পড়ে থাকা চাকু’টা কুড়িয়ে নেয়। আবার যুদ্ধ শুরু হয়। অলাম্বস এখন খুব শক্তি খাটাতে জানে। চাকু দিয়ে খোঁচা দেয়। লাথি-ঘুষি দেয়।

ভূতে’রা উড়ে উড়ে গিয়ে এদিক ওদিক গিয়ে পড়ে। হেলেনা চিৎকার দেয়, ‘অলাম্বস! ডান পাশে যেতে থাকো। ’ ভূতদের প্রতিহত করে করে ডান দিকে দেয়ালের কাছে যায়। হেলেনা বলে, ‘কয়েক পা’ সামনে এগোও। ’ এ’মুহুর্তে তানস ফিগো’র চোখ দু‘টি খাদ থেকে বেরিয়ে আসে।

পুরো শক্তি দিয়ে অলাম্বসকে প্রতিহত করতে চায়। অলাম্বস কম যায় না। কৌশল নিয়ে দু’তিন পা’ পিছে আসে। ভূত ও মানবের শক্তির খেলা-যুদ্ধ চলছে। অলাম্বসের শক্তির কাছে ভূতে’রা পিছু হটতে থাকে।

এক পলকে ফিগো’কে একটা লাথি দিয়ে পূর্বের স্থানে আসে। হেলেনা বলে, ‘সামনের কালো পাথর’টা হাতে নাও। ওঠা ধরলে আগুন জ্বলবে। কিন্তু ওটা ছেড়ো না। ’ অলাম্বসের সমস্ত শরীরে আগুন ধরে।

খুব জোরে চিৎকার দেয়। ক্রমান্বয়ে আগুন নিবে যেতে থাকে। এখন মনে হচ্ছে, এটি একটা সাধারণ পাথর। তানস ফিগো এবং তার অনুসারীরা ভয়ে থরথর করে কাপেঁ। একটু করে তারা পিছনে হটে।

অলাম্বস বলে, ‘এখন মনে হচ্ছে, পৃথিবীর একমাত্র শান্ত ও নিরাপদ প্রাসাদ এটা!’ হেলেনা, ‘এখন তুমি এ’প্রাসাদের সব ক্ষমতার মালিক। তোমার ক্ষতি করার ক্ষমতা কারোর নেই। পাথর দিয়ে খাঁচায় আঘাত করে আমাকে মুক্ত করে নাও, বন্ধু। আমি পৃথিবীর আলো দেখতে খুব আগ্রহী। ’ অলাম্বস তাই করে।

‘দু’শত একত্রিশ’ বছর বন্ধি জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে হেলেনা আনন্দ প্রকাশ করে। ‘তোমাকে ধন্যবাদ বন্ধু!’ এতক্ষণ হতাশার দৃষ্টিতে তানস ফিগো’সহ সব ভূতে’রা অলাম্বসের কার্যক্রম দেখছিল। এসব নীরব দর্শক হয়ে দেখা ছাড়া তাদের কিছু করার ছিলো না। হেলেনা খাঁচা থেকে মুক্ত হবার সাথে সাথে তানস ফিগো ছাড়া সব ভূতে’রা উধাও বনে যায়। ফিগো মিনতি করে, ‘না! মেরো না।

আমাকে মেরো না। আমার জীবন পাথর ফেরত দাও। আমাকে মেরো না!’ ফিগো জীবন ভিক্ষা করতে থাকে। অলাম্বস হেলেনার দিকে তাকায়। হেলেনা বলে, ‘শয়তান’টাকে পাথর চুড়ে দাও।

’ ফিগো মিনতি করতে থাকে, ‘না, মেরো না! দয়া করো। আমি কখনো মানুষের ক্ষতি করবো না। আমাকে মেরো না!’ অলাম্বস ও হেলেনা’র চোখাচোখি হয়। দু’জনে স্বস্থ্যর হাসি দেয়। ‘মৃত্যুর জন্য তৈরী হও,শয়তান ফিগো।

’ অলাম্বস কালো পাথর চুড়ে দেয়। ফিগো’র শরীরে আগুন ধরে যায়। ফিগো চিৎকার দিতে দিতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তারপর উধাও হয়ে যায়। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.