আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আট বছর একসঙ্গে কাটানোর পর এখন বিয়ে না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা ঠুকে দিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী।

আমরা হেরে যাইনি। এশিয়া কাপ না জিতলেও তোমরা আমাদের হৃদয় জয় করেছ। আমরা গর্বিত বিগত আট বছর বেশ ভালোই কেটেছিল দিল্লিভিত্তিক এক কম্পিউটার প্রকৌশলীর। বিয়ে না করেও এক ছাদের নিচে সুখেই দিন কাটাচ্ছিলেন এক মেয়ের সঙ্গে। কিন্তু বিয়ের কথা তুলতেই ঘটে যত বিপত্তি।

জাত-বর্ণের কথা তুলে ওই মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। পরিবারের সম্মতিক্রমে তিন মাস আগে বিয়ে করেন আরেকটি মেয়েকে। কিন্তু আট বছর একসঙ্গে কাটানোর পর এখন বিয়ে না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা ঠুকে দিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী। এখন নতুন বিবাহিত জীবন উপভোগ করা তো দূরের কথা, বরং জেলের ঘানি টানতে হতে পারে দিল্লির ওই কম্পিউটার প্রকৌশলীকে। আজ শুক্রবার তাঁর জামিনের আশাতেও পানি ঢেলে দিয়েছেন দিল্লি সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।

ছেলেপক্ষের আইনজীবী শুনানিতে যুক্তি দেখান, ‘গত আট বছরে মেয়েটি তো কখনো ধর্ষণের অভিযোগ তোলেননি। কিন্তু যখন তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখন প্রতিহিংসাবশত এই মামলা করা হয়েছে। কিন্তু বিচারকেরা মেয়েটির প্রতিই সহানুভূতি দেখিয়েছেন। বিচারক দিপক বর্মা ও এস জে মুখোপাধ্যায় আসামির উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি আট বছর ধরে এই মেয়েটির সঙ্গে কাটিয়েছেন। কিন্তু শুধু অন্য একজনকে বিয়ে করার জন্য এখন তাঁকে পরিত্যাগ করতে যাচ্ছেন।

এটাই হয়তো এই অভিযোগের কারণ হতে পারে। কিন্তু আপনাকে জবাবদিহি করতে হবে। ’ ২০০৪ সালে প্রথম পরিচয় হয়েছিল এই দুজনের। এরপর তাঁরা ২০১১ সালের শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে কাটিয়েছেন। পরে মেয়েটি বিয়ের জন্য চাপ দিলে ছেলেটি জাত-ধর্ম, পরিবার-সমাজের অজুহাত তুলে তা এড়িয়ে যান।

এবং পরিবারের সম্মতিক্রমে অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করেন। এ কথা জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই গত ৪ ফেব্রুয়ারি ছেলেটির নামে ধর্ষণের মামলা ঠুকে দেন আট বছরের সঙ্গী সেই মেয়েটি। — টাইমস অব ইন্ডিয়া  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।