আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আই লাভ ডিরেক্ট সেলিং সংবাদ সম্মেলনে বিপণন গুরু ফিলিপ কটলার

আমি ফিফা চেয়ারম্যান হতে চাই। চেয়ারম্যান হলে আমার নাম হবে জন ফু সোহেল বিশ্ববরেণ্য মার্কেটিং ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ফিলিপ কটলার বলেছেন, আই লাভ ডিরেক্ট সেলিং। বিশ্বজুড়ে এর উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিটের প্রথম দিনের শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। প্রেস বিফ্রিংয়ে মার্কেটিংয়ের বিশ্ব গুরু ড. ফিলিপ কটলার বলেন, সারাবিশ্বে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডোর টু ডোর বিজনেস করছে ডিরেক্ট সেলিং কোম্পানিগুলো।

ডিরেক্ট সেলিং পদ্ধতি বিশ্বে এখন জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এটা উত্তম পদ্ধতি বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বে ডিরেক্ট সেলিং পদ্ধতির উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমি এই পদ্ধতিকে ভালোবাসি। সম্মেলনের উদ্দেশ সম্পর্কে কটলার বলেন, এর উদ্দেশ হচ্ছে এমন একটি মঞ্চ উপস্থাপন করা যেখানে বিশ্বসেরা মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিংয়ে পথিকৃৎ ব্যক্তিত্বরা মার্কেটিং বা বিপণন নীতি, উপাদান ও অভ্যন্তরীণ নানা অনুষঙ্গ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে বিশ্ব সমস্যার সমাধানে আলোকপাত করতে পারেন।

তিনি বলেন, এখন বিভিন্ন দেশ বিপণনকে তাদের উন্নয়নের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। বিপণনকে এখন জীবনমানের মাধ্যম হিসেবেও দেখা হয়। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। তা আমরা এই সম্মেলনে তুলে ধরতে চাই। কটলার বলেন, এই সম্মেলনে সামাজিক ব্যবসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কিভাবে এর উন্নয়ন করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হবে। সিএসআর (করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) সম্পর্কে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি সিএসআর দায়িত্ব পালন করে থাকে। এটাকে কিভাবে, কোন খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে_ তা নিয়ে ভাবতে হবে। এ সম্মেলনে এ বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রেস বিফ্রিংয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, পিপিআরসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন কটলার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মার্কেটিংয়ে অনেকদূর এগিয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার ভালো ভূমিকা রাখছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০ ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রধান এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট এমন একটি প্লাটফর্ম যার মধ্য দিয়ে শক্তিশালী বাংলাদেশ নিজের ব্র্যান্ডং উপস্থাপনের সুযোগ পাচ্ছে। এ মঞ্চে বাংলাদেশ তার সুমহান ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি, সমাজ, অর্থনীতির নানাদিক উপস্থাপন করবে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনিধারকদের এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে বিদেশি বিনিয়োগেও সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও উদ্ভাবনী সমাধান বের করতে বিপণন-দর্শন, নীতি-নৈতিকতা এবং দূরদৃষ্টি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়েই আলোচনা হবে এ সম্মেলনে। সম্মেলনের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে ইনকিউবেটর, যা মূলত গবেষণা পরিচালনার জন্য কাজ করবে। জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে বিপণন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ২০১৫ সালের মধ্যে তা বাস্তবায়নেও সচেষ্ট থাকবে এই সম্মেলন। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।