আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ঐতিহাসিক বিশ্বনাথমুক্ত দিবসে বিশ্বনাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নাজমুল ইসলাম মকবুল ঐতিহাসিক বিশ্বনাথমুক্ত দিবসে বিশ্বনাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বনাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। বিশ্বনাথ থেকে চিরতরে বিতাড়িত করা হয়েছিল পাক হানাদার বাহিণী ও তাদের দোসরদের। বিশ্বনাথে গতকাল ১১ই ডিসেম্বর রবিবার ঐতিহাসিক বিশ্বনাথমুক্ত দিবস পালন উপলে বিকেল ৪ টায় বিশ্বনাথ কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভ চত্ত্বরে বিশ্বনাথ সাংস্কৃতিক ঐক্য পরিষদ এবং ৭১ এর গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সংগঠন মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম এর যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বনাথ সাংস্কৃতিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি কবি সাইদুর রহমান সাঈদ এর সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম সভাপতি কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল এর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিশ্বনাথ পৌরসভা বাস্তবায়ন পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব ফয়জুর রহমান, গণতন্ত্রী পার্টি বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমদ, সাধারন সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, উত্তর বিশ্বনাথ কলেজের অধ্য নেছার আহমদ, সম্মিলিত উৎপাদক ও ব্যবসায়ী সমিতি বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি মোঃ মধু মিয়া, বিশ্বনাথ প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল আহাদ, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মহব্বত আলী জাহান, সাংবাদিক কলামিস্ট স্বপন দাশ, মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম’র সাধারন সম্পাদক লিমন মিয়া, সাংবাদিক ফজল খান, ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম সফিক, বিশ্বনাথ থিয়েটারের সাধারন সম্পাদক নবীন সোহেল, সহ সভাপতি আনহার আলী, বিজন চন্দ্র দাস বিজয়, সুহেল আহমদ, হাজি সমসির আলী, সুমন মিয়া, আলী আক্তার, ওলিউর রহমান, শহিদ মিয়া, আনোয়ার হোসেন রাজ প্রমূখ। বক্তারা বলেন, ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের মুক্তিকামী বীর জনতার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ছিল।

মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে এ দেশের অগণিত বীর মুক্তিযোদ্ধা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। প্রিয় মাতৃভুমিকে পাক হানাদারমুক্ত করতে এবং রাজাকার আলবদরদের নীল নকশা প্রতিহত করতে পরিবার পরিজন তথা নিজের প্রাণের মায়া বিসর্জন দিয়ে জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য অস্ত্র হাতে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বাংলার বীর সন্তানরা। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ চল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হলেও বিশেষ বিশেষ দিবসে একটু সম্বর্ধনা ও যৎসামান্য ভাতা প্রদান ছাড়া জাতির শ্রেষ্ঠ এ বীর সন্তানদের যথাযথ মুল্যায়নে আজও কার্যকর পদপে নেয়া হয়নি। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই আমাদের ৭১এর মহান বীর যোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অবদান ও তাদের পরিচিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে একদিন হয়তো আমাদের বীর সন্তানদের গৌরবময় ভূমিকা কালের অতল গর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

তাই বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গৌরবময় পরিচিতি তুলে ধরার নিমিত্তে বিশ্বনাথসহ সারাদেশের প্রতিটি উপজেলা সদরের সম্মুখে দর্শনীয় স্থানে উপজেলার তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম খোদাই সম্বলিত স্থায়ী ফলক নির্মাণ করুন। সভায় ১১ ডিসেম্বর বিশ্বনাথমুক্ত দিবস সম্পর্কে অযথা বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে বিশ্বনাথের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানানো হয়।  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.