আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ভানুকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন সাঈদী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে ওপেনিং স্টেটমেন্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট শেষ হয়েছে। গতকাল প্রসিকিউশন তাদের স্টেটমেন্টে বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা সাঈদী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাড়েরহাট বন্দরের বিপদ সাহার মেয়ে ভানু সাহাকে নিয়মিত যৌননির্যাতন করতেন। বিপদ সাহার বাড়িতেই আটকে রেখে অন্যান্য রাজাকারসহ ভানু সাহাকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। একসময় ভানু সাহা দেশত্যাগে বাধ্য হন। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

স্টেটমেন্টে আরও বলা হয়, সাঈদী একাত্তরে অসংখ্য হিন্দুকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছিলেন, নামাজ পড়তেও বাধ্য করেছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বধর্মে প্রত্যাবর্তন করে এবং কেউ কেউ ভারতে চলে যান। গতকাল ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট শুনেন। অসমাপ্ত ওপেনিং স্টেটমেন্ট পড়ে শোনান প্রসিকিউটর সৈয়দ রেজাউর রহমান। শুনানিতে তিনি আরও বলেন, একাত্তরে সাঈদী তার নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনী গঠন করে মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুণ্ঠন করেন।

সাঈদীর নেতৃত্বে একদল রাজাকার পিরোজপুরে নারীদের ধরে নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিতেন। হানাদার বাহিনী তাদের ধর্ষণ করতেন। পিরোজপুরের হুগলা বুনিয়া ও পাড়েরহাটের এক লাখ মানুষকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করেন সাঈদী। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর যুদ্ধ শেষ হলে সাঈদী আত্মসমর্পণ না করে এলাকা ছেড়ে যশোরের বাঘাপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপন করেন। পরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নিজেকে নিরাপদ মনে করে বের হয়ে আসেন।

১৯৮৬ সালে নিজেকে মাওলানা পরিচয় দিয়ে শুরু করেন ওয়াজ মাহফিল। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।