আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

হরতালের স্ক্রিপ্ট মনে হয় লেখাই ছিল

বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত .. আমি সেই দিন হব শান্ত .... মুলত ১৮ দলের ছদ্দাবরনে এটা জামাত-শিবিরেরই সমাবেশ ছিল। দাবি জামাতি, আন্দোলন জামাতি, এজেন্ডা জামাতি ... কোরান তেলয়াতের পর সমাবেশের শুরুটাও হয়েছিল শিবির নেতা ইয়াসিনের বক্তৃতা দিয়েই। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলছিল। পুলিশ আজকে আগবাড়িয়ে কিছু করবেনা বলেছিল, এজন্য তারা অন্যান্ন দিনের চেয়ে বেশ দূরেই দাড়িয়ে ছিল। উপস্থিত সাংবাদিকরা দেখেছেন পুরোটাই।

নাইটেঙ্গেল মোড়ে দীর্ঘ সময় ধরে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল, ইট-পাটকেল ছুঁড়ছিল (মানে কেন পুলিশ আক্রমনে যাচ্ছে না?) এর কিছু সময় পর সময় ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। নাইটেঙ্গেল মোড়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে ছুড়তে অধর্য হয়ে? আশ্চর্যজনিক ভাবে এবার পুলিশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় দীর্ঘসময় ধরে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে। পুলিশ মনে হচ্ছিল বদ্ধপরিককর ' নো একশান'। গনমাধম কর্মি যারা সেখানে ছিল সবাই দেখেছে। হরতাল হবে আজ সারাদিনই গুজব ছিল, হরতালের স্ক্রিপ্ট মনে হয় লেখাই ছিল, ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানোর অল্পকিছু পরই ঘোষনা হরতাল।

বিষ্ফোরনে কেউ আহত হয়নি। পুলিশ তখনো অনেক দূরে। হরতাল ঘোষনার কিছু পরই পুলিশের একশান শুরু হয়ে যায়, নেতারা হুরমুর করে বিএনপি অফিসে ঢুকে যেতে দেখা যায়। তবে এবার কাঊকে পিটুনি দিতে দেখা যায় নি। পত্রিকা সবগুলো পড়িনি, তবে 'আমারদেশ' ও মানবজমিন পড়লে মনে হবে পুলিশ পার্টি অফিসে ঢুকে নেতাদের গ্রেফতার করেছে বলেই হরতাল দেয়া হল।

পুলিশ যখন কার্যালয়ে প্রবেশ করে তখন পুলিশের সাথে সাথে সাংবাদিক এবং টিভি ক্যামেরাগুলোকে প্রবেশ করতে দেখেছি, সময় সহ কয়েকটি চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করছিল, শতাধিক গনমাধ্যম কর্মি ও ক্যামেরার ভিড়েই তল্লাসি চলছিল। দেখলাম পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ওয়ারলেসে বোমা নিস্ক্রিয় দলকে ওখানে আসার জন্য খবর দিচ্ছে এবং অন্য একটি কক্ষের দরজা খুলে আরো কযেকটি বোমার সন্ধান পায় যা টিভির দর্শকরা সরাসরি দেখেছে নিশ্চই।  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.