আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

শিশুকে সঠিকভাবে স্যালাইন খাওয়ানোর নিয়ম

আমি অনেক কিছু সাহস করে বলতে চেয়ে ও বলতে পারি না যখন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলো পিছু হটে যায়... যখন দেখি সবাই নিজেকে নিয়ে অনেক বেশি ভাবে,তাই আমি ও কিছু বলতে চাই আমার প্রিয় ব্লগে... সজোরে আওয়াজ তুলতে চাই আমার ভালো লাগা লেখনি দিয়ে। রাজিব সামির............... শিশুদের প্রায়ই ডায়রিয়া হয়ে থাকে। আর ডায়রিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক জটিলতা হলো পানিশূন্যতা। এখনো অনেক মা-ই জানেন না কীভাবে সঠিক উপায়ে খাবার স্যালাইন তৈরি করতে হয় এবং খাওয়াতে হয়। এক. শিশু পুরোটা একবারে খেতে পারবে না ভেবে অনেক মা প্যাকেটের অর্ধেক বা তার কম আগে গুলিয়ে নেন ও বাকিটা রেখে দেন পরে ব্যবহার করবেন ভেবে।

এতে স্যালাইনে পানি ও লবণের অনুপাত সঠিক হয় না। পুরো এক প্যাকেট স্যালাইন আধা সের বা ৫০০ মিলিলিটার বিশুদ্ধ পানিতে একবারে মেশাতে হবে। তা না হলে লবণের তারতম্যের জন্য দেহে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেমন: খিঁচুনি, হূদ্যন্ত্রের গতি ওঠানামা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এমনকি মৃত্যুও। দুই. শিশু প্রতিবার পাতলা পায়খানা করার পর একটি পরিষ্কার বাটি ও চামচ ব্যবহার করে প্রতিবারে ১০ থেকে ২০ চামচ করে ধীরে ধীরে খাওয়াতে হবে। একবারে বেশি পরিমাণে খেলে বমি হতে পারে।

তাই তাড়াহুড়া করা উচিত নয়। কখনোই ফিডার ব্যবহার করা চলবে না। তিন. একবার এক প্যাকেট স্যালাইন পানিতে মেশানোর পর তা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়। শেষ না হলে এটি ফেলে দিয়ে আবার তৈরি করতে হবে। চার. ঠান্ডা স্যালাইন খেলে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে, এই ভয়ে অনেকে তা জ্বাল দিয়ে বা গরম করে নেন।

এতে স্যালাইনের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। পাঁচ. স্তন্যদানকারী মা নিজে স্যালাইন খেয়ে মনে করেন শিশুকে আর খাওয়াতে হবে না। শিশুকে স্তন্যপান কিছুতেই বন্ধ করা চলবে না, পাশাপাশি স্যালাইনও খাওয়াতে হবে। ছয়. কেবল স্যালাইন নয়, এ সময় শিশুকে স্বাভাবিক সব খাবারই খেতে হবে।  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.