আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান

আবর্জনাকে রবীন্দ্রনাথ প্রশংসা করলেও আবর্জনাই থাকে।

সুরের মুর্ছনা, মায়াজাল, মাদকতা, রক্তে সুরের নাচন আর একবার নুতন করে উপলব্ধি করলাম । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আলদীন মুক্তমনঞে গত ৯ই ফেব্রুয়ারি রাতে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান সরোদ বাজিয়েছেন , তার দুই কন্যা সহ দলে ছিল সব মিলিয়ে ৭ জন যন্ত্রী। আমি বিমুগ্ধ !!!!!! ( মুগ্ধতা সবটুকু প্রকাশ করতে পারলাম না ভাযাগত সীমাবদ্ধতার কারনে ) আমি সেই সদ্য ধর্মানন্তরিত মুসলমানের মত যে কিনা গরু দেখলে কতটুকু মাংস হবে সেটা মুখে মুখে হিসাব করে ফেলে । ( কিছু দিন হল রাগ সংগীত,উচ্চাঙ সংগীত শোনা শুরু করেছি ব্লগার শায়মা কত্ৃক অনুপ্রানিত হয়ে , ধন্যবাদ শায়মা ) তো সেই একই কারনে আপনাদের সাথে এই শিল্পীর জীবনি শেয়ার করলাম উপ-মহাদেশের সেতার ও সরোদ শিল্পী ওস্তাদ আবেদ খান এর একমাত্র পুএ শাহাদাত হোসেন খান কুমিল্লায় জন্ম গ্রহন করেন ।

তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার শিবপুর গ্রামে । শাহাদাত সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ'র কনিস্ঠ ভ্রাতা উপ-মহাদেশের বরেন্য সুর সাধক ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ'র পেীত্র । পারিবারিক ঐতিহ্য হিসাবে বাল্যকালেই তিনি সংগীতের প্রতি আক্ৃস্ঠ হন এবং সাত বছর বয়সে পিতার কাছে প্রথম তবলায় এবং পরে সরোদ তালিম নিতে শুরু করেন। পরর্বতীতে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সরদ শিল্পী ও সংগীত পরিচালক চাচা ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খানের শিয্যত্ব গ্রহন করেন । ১৯৭২ সালে ঢাকায় অনুস্ঠিত " আলাউদ্দিন সংগীত সম্মেলন "- এ ওস্তাদ বাহাদুর খান এর সাথে যুগোলবন্দি পরিবেশন করে প্রচুর সুনাম অর্জন করেন ।

১৯৭৪ সালে ভারত সরকারের আমন্ত্রনে প্রথম বাংলাদেশের উচ্চাঙ যন্ত শিল্পী হিসাবে ভারতের কোলকাতা ,মাদ্রাজ,মুম্বাই,দিল্লী ও শ্রীনগরে অনুস্ঠিত " আল ইন্ডিয়া রেডিও মিউজিক কনফারেন্স" -এ পিতার সাথে যুগোলবন্দি পরিবেশন করে সুখ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৭৪ সালেই রুশ সরকারের আমন্ত্রনে তিনি মস্কো,জালালাবাদ,কিরগিজ,উজবিক প্রভ্ৃতি স্হানে সরোদ পরিবেশন করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন । এরপর ১৯৭৫ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সরকারী ও বেসরকারী আমন্ত্রনে শাহাদত হোসেন যুক্তরাস্ট্র ,যুক্তরাজ্য,ফ্রান্স,জার্মানি,কানাডা,চীন,জাপান,ইরাক,ইরান,কোরিয়া,ইতালি সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরোদ বাজিয়ে প্রভুত প্রশংসা অর্জন করেন । ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্ত্ৃক তিনি "একুশে পদক" এ ভুযিত হন । ***** ( একুশে পদক কেমন যেন হয়ে গেছে , হানিফ সংকেতও ইহা পায় !!!) এছাড়াও তিনি দেশ বিদেশে বিভিন্ন পুরুস্কার লাভ করেন ।

২০০০ সালে তাঁর প্রথম সিডি প্রকাশিত হ্য় যুক্তরাস্ট্র থেকে। পরবর্তীতে আরো তিনটি সিডি প্রকাশিত হয় ঢাকা থেকে এবং একটি সিডি প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারের পরারস্ট্র মন্ত্রনালয় । ১লা বৈশাখ ১৪১৭ সালে তাঁর আরও একটি সিডি প্রকাশিত হয়েছে । শাহাদত ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতোকোওর ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১৯৮৫ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্হিত "আলী আকবর কলেজ অফ মিউজিক" থেকে স্নাতক ডিগ্রি মানের "বিদ্যালন্কার" ডিগ্রি লাভ করেন । **** ২০০০ সাল থেকে শাহাদাত যুক্তরাজ্যের গ্রান্ড ইউনিয়ন অর্কেস্ট্রার সাথে উপ-মহাদেশের সংগীত পরিবেশন করে ইউরোপে প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে স ম্প্ৃক্ত রয়েছেন ।

নোট - কিছু বানান চেস্টা করেও ঠিক করতে পারলাম না ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.