আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আরো একটা শিবিরীয় ভন্ডামীর নমুনা:কাভার্ড ভ্যান ছিনতাই চক্র নিয়ন্ত্রণ করছেন শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ



শিবিরের ভন্ডামী দেখুন,জানুন। কিপরিমাণ ভন্ড কল্পনাও করতে পারবেন না। চবি'তে পড়াকালীন দেখতাম শিবির ক্যাডার রা নানা আকাম-কুকাম করে ধরা পড়ার পর ,শিবির শহরে সংবাদ সম্মেলন করে বলত এই কাজের সাথে শিবিরের দূরতম সম্পর্কও নেই। এই হলো তাদের ভন্ডামীর প্রথম কাজ। তারপর আরও আছে তাকে চিনি না বা শিবিরের কেউ নয় এমনসব ডাহা মিথ্যাবাদিতা।

আর সেই সব ভন্ডরাই আবার ছাত্রলীগ বা অন্যকোন দলের কারো কোন খারাপ খবর পেলে ব্লগে পাল বেধেঁ তা নিয়ে পোষ্ট দেয়। ভাল কথা ছাত্রলীগের ছেলেটি বা সমর্থক সে কিন্তু অপরাধ করে তা স্বীকার করে এবং তার জন্য নিজেকে অপরাধী মনে করে। আর শিবির তার উল্টো। একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী বিপরীত তাদের কোন দোষ নাই। সবই নাদান পোলাপাইন।

এখানেই শিবিরের সাথে অন্যদলগুলোর পার্থক্য। অপরাধ করাকে অপরাধ হিসেবে মেনে না নেওয়া এইটা বিরাট ভয়ঙ্কক ব্যাপার। এবং সে জাত অপরাধীই হয়ে উঠে। তাই আমি বলি শিবিরের সবাই অপরাধী বিভিন্নভাবে। আজও একটা শিবিরীয় ভন্ডামী দেখেন দুবাই থেকে কাভার্ড ভ্যান ছিনতাই চক্র নিয়ন্ত্রণ করছেন শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম চট্টগ্রাম: নগরীতে শিবির ক্যাডারদের নিয়ন্ত্রণে কাভার্ড ভ্যান ছিনতাইকারীদের একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে উঠেছে।

নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সাজ্জাদ হোসেন চক্রটিকে দুবাই থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। রোববার চট্টগ্রামের একটি আদালতে কাভার্ড ভ্যান ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্য তার জবানবন্দিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রামে ছিনতাই করা গার্মেন্টস পণ্যসহ গ্রেপ্তার হওয়া জহির মহানগর হাকিম মুনতাসীর মামুনের আদালতে এ জবানবন্দি দেন। আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দি প্রদানকারী জহির আটক কাভার্ড ভ্যানের চালক। তার সঙ্গে ইমাম হোসেন ও কানু দাশ নামে আরও দুই সাী আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে নগরীর বায়েজীদ থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম বাংলানিউজকে বলেন, ‘জবানবন্দিতে চালক জহির কাভার্ড ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় সন্ত্রাসী সাজ্জাদের দুই সহযোগী মেক্সন ও সরওয়ারের নাম উল্লেখ করেছে। এছাড়া তাদের নির্দেশদাতা হিসেবে সাজ্জাদের নাম বলেছে। ’ ওসি বলেন, ‘জবানবন্দিতে জহির বলেছে বায়েজীদ এলাকায় বাড়ি-ঘর ও ভবন বানাতে সাজ্জাদের বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয়। ’ একই কথা বলেন সিএমপির সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্ত্তীও। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘সাজ্জাদের দুই সহযোগী জহিরকে গাড়ি চালাতে বাধ্য করেছে।

এক পর্যায়ে জহির গাড়ি চালাতে অস্বীকৃতি জানালে সাজ্জাদের সহযোগী মেক্সন তাকে হত্যার হুমকি দেয়। জহির জবানবন্দিতে বিষয়টি উল্লেখ করেছে। ’ পুলিশ সূত্র জানায়, ২০০০ সালে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় ব্রাশ ফায়ারে আট ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিবির ক্যাডার সাজ্জাদকে ২০০১ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৩ সালে সাজ্জাদ জামিনে মুক্তি পেয়ে বের হয়ে আসেন। মুক্তির পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের গেইটে সাজ্জাদকে তৎকালীন চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার জামায়াত দলীয় দু’সাংসদ সংবর্ধনা দেন।

এরপর থেকে সাজ্জাদ পলাতক রয়েছেন। এর মধ্যে ২০০৪ সালে চাঞ্চল্যকর এইট মার্ডার মামলায় সাজ্জাদের মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বায়েজীদ বোস্তামী থানার ওসি বলেন, ‘শুনেছি সাজ্জাদ এখন দুবাইতে আছে। সেখান থেকেই সে কাভার্ড ভ্যান ছিনতাইকারী চক্র এবং সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করছে সে। ’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া ৪০ হাজার শার্ট উদ্ধার করে।

সেইসঙ্গে এ ঘটনায় সাজ্জাদের সহযোগী সন্ত্রাসী রুবেল ও কাভার্ড ভ্যানের চালক জহিরকেও গ্রেপ্তার করে তারা। দণি আফ্রিকায় রপ্তানির জন্য এসব পোশাক প্রস্তুত করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। হয়ত শিবির বা জামাতের কেউ সংবাদ সম্মেলন করে বলবে সজ্জাদের সাথে শিবিরের কোন সম্পর্ক নাই। যেমনিভাবে বলেছিল শিবির ক্যাডার নাসিরকে গ্রেফতারের পর। তাদের ভন্ডামীর কোন শেষ নাই।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।