আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ইচ্ছামৃত্যুর মিছিলে হলিউডের তারকারা

পেশাজীবনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পাওয়ার হতাশা, সৃষ্টিশীল কাজে উত্সাহ হারিয়ে ফেলায় এক ধরনের শূন্যতার অনুভূতি কিংবা মনের মানুষের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এখন পর্যন্ত বিশ্বের অনেক তারকাই আত্মহত্যার মতো কঠিন পথ বেছে নিয়েছেন।
বিনোদনজগতের চাকচিক্য আর তারকাখ্যাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো কাজের প্রচণ্ড ব্যস্ততা আর অতিরিক্ত মানসিক চাপ। প্রায় সব তারকাই জনপ্রিয়তা অর্জনের পর খ্যাতি ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। জনপ্রিয়তার এ ইঁদুরদৌড়ে হাঁপিয়ে উঠে কিংবা পিছিয়ে পড়ে বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন তাঁদের কেউ কেউ। হতাশার জালে আটকে বিপর্যস্ত মানসিক অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে কখনো কখনো নিজের জীবনকেও তুচ্ছজ্ঞান করেন তাঁরা।

নিজেকে সঁপে দেন ইচ্ছামৃত্যুর কোলে। বিশ্বের অনেক নামীদামি তারকার মধ্যে হলিউডের বেশ কয়েকজন তারকাও ইচ্ছামৃত্যুর এ মিছিলে যোগ দিয়েছেন।

মেরিলিন মনরোর রহস্যময় মৃত্যু
হলিউডের বহুল আলোচিত অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মৃত্যুরহস্য আজও অমীমাংসিত। ১৯৬২ সালের ৫ আগস্ট সকালে লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল মনরোকে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৬ বছর।

হলিউডের একাধিক জনপ্রিয় তারকার মতো তাঁর মৃত্যুর জন্যও দায়ী করা হয় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবনকে। বারবিচুরেট বিষক্রিয়ায় মনরোর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয় তাঁর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে। মনরোর মৃত্যুকে ‘সম্ভাব্য আত্মহত্যা’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে মনরোর এ অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুকে নিছক আত্মহত্যা মানতে নারাজ তাঁর ভক্তরা। তাঁরা বিশ্বাস করেন, অতিরিক্ত ঘুমের বড়ি সেবনের ফলে দুর্ঘটনাবশত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হয়েছিল তাঁদের প্রিয় তারকাকে।

আবার কেউ কেউ এ মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেও মনে করেন। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।