আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

রিট খারিজ: ডিসিসি নির্বাচনের ‘বাধা কাটল’

এর ফলে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন করতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী শাহদীন মালিক।
বিচারপতি বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ সোমবার নির্বাচন স্থগিতের জন্য করা রিট ও রুল খারিজ করে দেন।
তফসিল ঘোষণার পর ওই আবেদনে হাই কোর্ট রুল ও স্থগিতাদেশ দেয়ায় নির্বাচন স্থগিত হয়ে গিয়েছিল।
রিট আবেদনকারী পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেসুর রহমান।


এই মামলায় বিভিন্ন সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও শুনানি করেন। নির্বাচন কমিশনের কমিশনের পক্ষে ছিলেন শাহদীন মালিক।
আদেশের পর শাহদীন মালিক বলেন, “রুল খারিজ করেছে আদালত। হয়রানির জন্য এই রিট করা হয়েছিল। আপিল বিভাগের একটা নির্দেশনা আছে, তফসিল হওয়ার পর নির্বাচন স্থগিত করা যায় না।

কিন্তু হাই কোর্ট এরপরও রুল জারি করে নির্বাচন স্থগিত করেছিলেন। আমরা রুলের জবাব দিয়েছি। এখন রুল খারিজ করে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
“ওই আদেশ প্রত্যাহারের পর এখন নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই। আমরা নির্বাচন করতে প্রস্তুত।


অন্যদিকে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছেন এবং স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে নতুন ভোটাররা যদি এ নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন তাহলে আমরা আপিল করব। ” 
সরকার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভেঙে উত্তর ও দক্ষিণে দুটি আলাদা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) করার পর নির্বাচন কমিশন গত বছর এপ্রিলে ভোটের সময়সূচি ঘোষণা করে।
এর এক সপ্তাহের মাথায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এই রিট আবেদন করে, যাতে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনের কয়েকটি ধারা বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত করার আদেশ চাওয়া হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, ঢাকাকে বিভক্ত করে দক্ষিণ ও উত্তরে দুটি সিটি করপোরেশন করায় এখন স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনের ২৭ ও ২৮ ধারা বাস্তবায়ন না করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ নেই।


এছাড়া নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ায় আইনের ৩, ৫, ২৯ ও ৩০ ধারাও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৬ এপ্রিল বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চ এক আদেশে নির্বাচন স্থগিত করে ‘যথাসম্ভব দ্রুত’ ঢাকার ওয়ার্ডগুলোর সীমানা নির্ধারণ করতে বলে।
একইসঙ্গে নির্বাচনের তিন মাস আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে বলা হয়। আইন অনুযায়ী, সব কাজ শেষ করে দ্রুত নির্বাচন করতে বলে আদালত।
এছাড়া সীমানা নির্ধারণসহ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো বাস্তবায়ন করে তারপর নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসিকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত।


এরপর গত বছরের ২৩ জুলাই নির্বাচনে স্থগিতাদেশের মেয়াদ তিন মাস বাড়ায় আদালত। একই বছরের ৮ অক্টোবর দ্বিতীয়বার এবং চলতি বছর জানুয়ারিতে তৃতীয়বারের মতো ওই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত বছরের ২৪ মে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।