আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাগেরহাটে ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল বর্ষণ

বুধবার রাত ২টা থেকে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মুহাম্মদ শুকুর আলী।
শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন এবং মংলা পৌরসভাসহ ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার মানুষকে বুধবার রাতে ২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও বিভিন্ন স্কুলে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এছাড়া মোড়েলগঞ্জ ও রামপাল উপজেলা থেকে নদীর পাড়ে বসবাসকারী আরো দুই/তিন হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
তবে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া মানুষদের বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো খাবার দেয়া হয়নি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এ ব্যাপারে ডিসি মুহাম্মদ শুকুর আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জেলার যাতায়াত ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

এ কারণে খাবার আসতে দেরি হচ্ছে।
“আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া মানুষদের তালিকা করে দ্রুত তাদের হাতে শুকনো খাবার পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে,” বলেন তিনি।
এদিকে সকালে ঝড়ে শরণখোলা উপজেলা পরিষদ চত্বরের বেশ কয়েকটি গাছ উপড়ে গেছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুজ্জামান।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বুধবার মংলা বন্দরের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পশুর নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে সাত/আট ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
“যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরাসহ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ‘রেসকিউ বোট’ নিয়ে প্রস্তুত আছি। ”

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।