আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিউটির ফালুদা

মানুষ চাই.....সতিকারের মানুষ খুঁজছি....
ফালু দা নামের কোনো দাদার সাথে এখনও পরিচয় না হলেও 'ফালুদা' নামের খাবারটির সাথে পরিচয় হয়েছে ২০০০ সালে ঢাকা আসার পরে। তখন লন্চে বেশি যাতায়াত করা হতো বলে পুরানো ঢাকার ফালুদা প্রায়ই খেতাম। জনসন রোডের জেলা প্রশাসক ভবনের কাছে বিউটি ফালুদা যাওয়া আসার পথে থাকাতে সেখানেই বেশি যাওয়া হতো। আজকাল পুরানো ঢাকাতে যাতায়াত নেই বলে বেশ কয়েক বছর যাবত সেখানের ফালুদা খাওয়া হয় না। এবার বাড়ি থেকে মাওয়া হয়ে বাসে আসলাম ।

বাসে বসে ভাবলাম এদিকে যখন এলামই তখন ফালুদা খেয়েই বাসায় যাবো। জনসন রোডের মোড়ে বাস থেকে নেমে গেলাম লাগেজ সহ। সোজা "বিউটি লাচ্ছি ফালুদা"তে। দোকানে গিয়ে একটা (কু/সু) বুদ্ধি মাথায় আসলো, আবে ব্যাগে তো ক্যামেরা আছে, ছবি তুলি না কেনো? তুললাম কিছু ছবি। এই যে বৃদ্ধ, ইনি হলেন দোকানের সবচেয়ে প্রবীন কর্মচারী লাচ্ছি বানাতে এক্সপার্ট।

তিনি দুই ধরনের লাচ্ছি বানিয়ে থাকেন একটা হলো লেবুর লাচ্ছি, আর একটা হলো স্পেশাল লাচ্ছি। যেহেতু ফালুদা খেতে এসেছি তাই লাচ্ছির দিকে বেশি মন দিলাম না। ফালুদার অর্ডার করে ফালুদা বানানোর দিকে নজর রাখলাম। এগুলো হলো ফালুদা বানানোর উপকরন : ফলমূলের মধ্যে আছে, বেদানা, আপেল, আম, কলা। শুকনো ফলের মধ্যে আছে কিসমিস আর খেজুর।

বোতলে আছে চিনির সিরাপ। সাথে থাকে সাগুদানা, নুডলস (স্পেশাল নিজেদের বানানো), দই এবং এসেন্স। এবার সাজানোর পালা, নুডলস্ এবং সাগুদানার সাথে সিরাপ ও এসেন্স দিয়ে একে একে দই,বেদানা, আপেল, আম, কলা, কিসমিস, খেজুর দিয়ে সাজানো হয়। এবার পরিবেশনের পালা। বরফ কুচির সাথে স্যুপের চামচ দিয়ে পরিবেশন করা হয়।

এই হলো আমার ফালুদা যাকে গতকাল সন্ধ্যার সময় ইয়াম ইয়াম.....
 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।