আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা



সচিবালয় অভ্যন্তরের কোয়ার্টারগুলো থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়টি নিয়ে বুধবার স্বরাষ্ট্রª মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা। স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান শিকদার ও র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সুকমল চাকমা বলেন, সচিবালয়ে কর্মরত ফরাশ, সুইপার ও কেয়ারটেকারদের নামে কোয়ার্টার তিনটি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে সেখানে ১৩টি পরিবার ও ৬১টি সিট বরাদ্দ দেয়া আছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, কোয়ার্টারগুলো সচিবালয়ের নিরাপত্তার জন্য হুমকি উল্লেখ করে ইতিমধ্যে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে তারা উল্লেখ করেছে, কোয়ার্টারগুলো সচিবালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকলেও সেখানে অনেক বহিরাগত লোক বসবাস করছে। খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। জানা গেছে, সেখানে বরাদ্দ পাওয়া অধিকাংশ কর্মচারী রুমের একটি অংশ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিচ্ছে।

যাদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে কোনো তথ্য নেই। এমনকি সেখানকার অধিবাসীদের কাছেও তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। যারা অবাধে সচিবালয়েও যাতায়াত করছে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিষয়টি ¯^xKvi করে জানিয়েছেন, তাদের কাছেও এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। যেহেতু বিষয়টি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন তাই সেখানের অধিবাসীদের ব্যাপারে তথ্য চেয়ে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।

সচিবালয়ে দায়িত্বরত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ¯^vaxbZvhy×Kvjxb মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় গুপ্ত হামলার আশঙ্কার তথ্য রয়েছে তাদের কাছে। আর এ কারণেই সচিবালয় ঘিরে বাড়তি এ সতর্কতা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র সচিব সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে বলেন, সেখানে (কোয়ার্টারে) যেহেতু বাইরের কিছু লোক বাস করছে তাই তাদের নিয়ে আমরা কোনো সন্দেহ রাখতে চাচ্ছি না। তাদের অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া যায় কি না সে ব্যাপারে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হবে। যদি সম্ভব হয় তবে আমরা ওই স্থাপনা পরিষ্কারের নির্দেশ দেব।

আর এ সবই সচিবালয়ের নিরাপত্তার জন্যে করা হবে। প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিপূর্বে সচিবালয়ের নিরাপত্তার ¯^v‡_© গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সচিবালয় অভ্যন্তরে সাধারণ গাড়ির প্রবেশাধিকার সংরক্ষণ করে স্টিকার পদ্ধতি চালু করে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।