আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আরও ১০টি টিভি চ্যানেল!!!!

গাজীপুর ,বাংলাদেশ

Mon, Oct 12th, 2009 10:40 pm BdST Dial 2324 from your mobile for latest news ঢাকা, অক্টোবর ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)--বেসরকারি মালিকানায় আরও ১০টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সমপ্রচারের প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে সরকার। তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সোমবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "আমরা ১০টি বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল সমপ্রচারের ব্যাপারে অনাপত্তিপত্র দেওয়া শুরু করেছি। " গত জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো এ অনুমতি দেওয়া হলো। ওদিকে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সমপ্রচারের জন্য একটি টেরেসট্রিয়াল চ্যানেল চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এটি সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। নতুন অনুমতি পাওয়া বেসরকারি ১০টি টিভি চ্যানেল হলো- বেক্সিমকো গ্রুপের ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, স্কয়ার গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার অঞ্জন চৌধুরীর মাছরাঙা টেলিভিশন, মাহফুজুর রহমানের এটিএন নিউজ, আহমেদ জুবায়েরের সময়ের টেলিভিশন, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুর একাত্তর টেলিভিশন, চট্টগ্রামের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিজয় টিভি, গাজী গোলাম আশরিয়ার জিটিভি, সৈয়দা মাহবুবা আক্তারের চ্যানেল নাইন, কামাল আহমেদ মজুমদারের মোহনা টিভি ও নাসির উদ্দিনের মাই টিভি। এর মধ্যে 'সময়ের টেলিভিশন' এর অন্যতম পরিচালক হচ্ছেন আইনপ্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাই মোরশেদুল ইসলাম। চ্যানেল নাইনের আবেদনকারী সৈয়দা মাহবুবা আক্তার দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলামের স্ত্রী। অনুমতি পাওয়া অন্য কয়েকটি টিভি চ্যানেলের আবেদনকারীর তেমন পরিচিতি নেই।

বর্তমানে দেশে বেসরকারি মালিকানায় ১১টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। নতুন ১০টি চ্যানেল এলে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ২১। এ ছাড়া সরকারি মালিকানায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে দুটি টিভি চ্যানেল রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ জানান, আরও কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল স¤প্রচারের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আটটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে স¤প্রচারের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এগুলো হচ্ছে- বৈশাখী, আরটিভি, এনটিভি, বাংলাভিশন, চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টিভি ও দেশটিভি। ওই সময় নিয়মনীতি না মেনে দলীয় বিবেচনায় এসব চ্যানেলের অনুমতি দেওয়া হয় বলে তখনকার বিরোধীদল আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য মহল থেকে অভিযোগ তোলা হয়। এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে প্রথম স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সমপ্রচারের অনুমিত দেওয়া হয়। ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এটিএন বাংলা, চ্যানেল আই ও একুশে টেলিভিশন (ইটিভি) সমপ্রচার শুরু করে। এর মধ্যে ইটিভিকে দেওয়া হয় টেরেসট্রিয়াল সুবিধা।

পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আদালতের নির্দেশে বন্ধ হয়ে যায় ইটিভি। ইটিভি পরে স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে সমপ্রচার শুরু করে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।