আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আলতু নেই........এভাবে চলে যাবে ভাবতেই চোখে জল এসেযায়।

শূন্য দৃষ্টি মেলেছি আজ বাহির পানে

এইতো কিছুদিন আগেও শুয়ে ছিল পঙ্গু হাসপাতালে,তার কিছুদিন আগে ছিল,একটি মেসে ব্যাচেলর হিসাবে জীবনযাপন,বি.বি.এ ৩য় বর্ষে থেমে গেছে তার সব। একটি মটরসাইকেল দূর্র্ঘটনাকে ছুয়ে ডান পা ভাঙ্গার আওয়াজ, দীর্ঘ তিন মাস পরে ছিল হাসপাতালে,পরীক্ষাটা দেওয়া হলনা,মোটামোটি সুস্থ,ডাক্তার বাড়ী নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিল। আশরাফুলের ( আলতু) দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বাড়ির কথা শুনে কিছুটা ফুটেছে,বাড়ী নিয়ে আসা হল,সবাই দেখতে এল কথাও বলল বেশ,হঠাত অবশ হয়ে এল শরীর,কেমন যেন লাগছে এ কথাটাই বলছে বারবার মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে,কথা থেমে গেল।নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে ,রাস্তায় ২৩ বছর বয়সে আলতু আমাদের ছেড়ে চলে গেল। ওর মৃত্যুর পর শেষ দেখাটা হয়নি আজো ,দেখা হয়িন ওর লাশ,দেয়া হয়নি ওর কবরে মাটি এটা আমার জীবনের সবেচয়ে বড় দুঃখ (ওর ছবিটাও কম্পিউটারে খুজে পাচ্ছি না)

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।