আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

এবার সেঞ্চুরি তামিমের

প্রথম ম্যাচে ১৫০ রানের অতি মানবীয় ইনিংস খেলেছিলেন নাফিস ইকবাল। ওই ম্যাচে কথা বলেনি অনুজ তামিম ইকবালের ব্যাট। মাত্র ৩১ রান করেছিলেন এই বাঁ হাতি ড্যাসিং ওপেনার। গতকাল ওয়ালটন প্রিমিয়ার বিভাগ ক্রিকেট লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে যেমন জয় পেয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন, তেমনি তিন অংকের ম্যাজিক্যাল ইনিংস খেলেছেন তামিম। ১০০ রানের সেঞ্চুরি করে দলকে উপহার দিয়েছেন ১৩৬ রানের বড় জয়।

অবশ্য গোপীবাগের দলটি জয় পেয়েছে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে।

প্রথম ম্যাচে ব্রাদার্স খেলেছিল বিদেশিদের ছাড়া। গতকাল বিকেএসপি-৩ নম্বর মাঠে গত আসরের রানার্স আপ গাজী ট্যাঙ্কের বিপক্ষে দলটি খেলতে নামে তিন বিদেশিসহ। গতকাল দলটির পক্ষে খেলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, সচিত্র সেনানায়েক ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ইংলিশ পাসপোর্টধারী আজহার মেহমুদ। অধিনায়ক তামিমের সঙ্গে পারফরম্যান্স করেছেন তিন বিদেশিই।

কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন গাজীর দুই বিদেশি কৌশল্য বীরারত্নে ও স্কট স্টাইরিশ। আজহার ব্যাটিংয়ে করেন ২৪ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩৩ রান এবং বোলিংয়ে ৪ ওভারে ৫ রানের খরচে নেন ২ উইকেট। ম্যাথিউস ১৩ রান করলেও বোলিংয়ে ১৩ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। সেনানায়েকে ১৪ রানে নেন ১ উইকেট। অন্যদিকে বীরারত্নে ব্যাটিংয়ে করেন ৩ এবং স্টাইরিশ করেন শূন্য।

বোলিংয়ে স্টাইরিশ ৪.১ ওভার বোলিং করে ২০ রান দিয়ে আহত হয়ে মাঠের বাইরে চলে আসেন।

টস হেরে ব্যাট করতে নামে ব্রাদার্স। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমতিয়াজ ৫৪ রানের ভিত দেন। ইমতিয়াজের বিদায়ের পর বড় ভাই নাফিস ও ছোট ভাই দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৯৭ রান যোগ করেন ১৭.৩ ওভারে। এর মধ্যেই তামিম তুলে নেন মৌসুমের প্রথম সেঞ্চুরি।

১০০ রানের ইনিংস খেলেন মাত্র ৯২ বলে ১১ চার ও ৩ ছক্কায়। এর মধ্যে দুটি ছক্কা মারেন জাতীয় দলের সতীর্থ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে। ইনিংসের ২৯ নম্বর ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে চার এবং ষষ্ঠ বলে ছক্কা মারেন। তৃতীয়টি মারেন নাঈম ইসলাম জুনিয়রকে। সেঞ্চুরির পর তামিম বলেন, 'ভালো লাগছে সেঞ্চুরি করে।

নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে রান করলে আত্দবিশ্বাস বাড়বে। ' তামিম আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও নাফিস খেলেছেন ধীরালয়ে। ৩৮ রান করেছেন ৪৫.৭৮ স্ট্রাইক রেটে। যা ওয়ানডে ক্রিকেটে বড্ড বেমানান। গাজীর পেসার রুবেল হোসেন আগের ম্যাচের মতো গতকালও ৫ উইকেট নেন।

প্রথম ম্যাচে ১৮ রানে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। গতকাল ৫ উইকেট নেন ৩৭ রানে।

২৪৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে গাজী ট্যাঙ্ক। প্রতিপক্ষের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩৮ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। আর সে সময় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসান আশ্রয় নেন ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতির। খেলা যখন বন্ধ হয়, তখন নিয়ম অনুযায়ী ব্রাদার্সের পয়েন্ট ছিল ২৪৩। তাই নিয়ম অনুযায়ী খেলা জিতে নেয় ব্রাদার্স। আসরে এটা ব্রাদার্সের প্রথম জয় এবং গাজীর প্রথম হার।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ব্রাদার্স ইউনিয়ন: ২৪৬/১০, ৪৯.২ ওভার (তামিম ১০০, ইমতিয়াজ ১৬, নাফিস ৩৮, অ্যাঞ্জেলো ১৩, আজহার মেহমুদ ৩৩।

রুবেল হোসেন ৫/৩৭, মাহমুদুল্লাহ ১/৪৭, নাঈম জুনিয়র ১/৪৮, আরাফাত সানি ২/৪৭, নুর হোসেন ১/১৬)।

গাজী ট্যাংক: ১০৭/৯, ৩৬ ওভার (আফতাব ৩৬, নাঈম জুনিয়র ১৩*। সেনানায়েক ১/১৪, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ১/১৩, আজহার মেহমুদ ২/৫, সাঞ্জামুল ইসলাম ২/২৫, সোহরাওয়ার্দী শুভ ১/৩১, ইমতিয়াজ ২/৫)।

 

 

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.