আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ময়মনসিংহের দুই রাজাকার হলো এমপি...!!!

ধর্মান্ধ মুমিনগন সাবধান ! আমি কালবৈশাখী ঝড় !

ভীষণ সময় সংকট থাকা সত্ত্বেও অনেকদিন পর ব্লগে লিখতে আসলাম। আওয়ামীলীগ আয়োজিত "নির্দলীয়" "নিরপেক্ষ" "আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন" এবং "মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের" নির্বাচনের দুটি ঘটনা উল্লেখ করা খুবই জরুরী। মুক্তিযুদ্ধের এতবড় ধারক-বাহকগণ কিভাবে রাজাকারদের মহান সংসদে নিয়ে যান তার কিছু প্রমাণ উল্লেখ করছি :

রাজাকার মোসলেম উদ্দীন (ময়মনসিংহ-৬) ফুলবাড়িয়া



ইনি হলেন রাজাকার মোসলেম উদ্দীন উকিল। ময়মনসিংহ-৬ আসন, ফুলবাড়ীয়া থানার আওয়ামীলীগ থেকে সদ্য নির্বাচিত এমপি মোসলেম উদ্দিন একজন যুদ্ধাপরাধী। তিনি একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ময়মনসিংহ শহরে আলবদর বাহিনীর ক্যাম্পে কোষাধক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সে সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সাথে বেঈমানী করে বিভিন্ন আলবদর, রাজাকারদের সমাবেশে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেন। অথচ তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও অত্যাচার করার অভিযোগ রয়েছে। মোসলেম উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের পর রাজাকারদের প্রশ্রয় দেয় এবং রাজাকারদের অনেক সন্তানদের চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেন এরকম অনেক প্রমাণ রয়েছে। তিনি এখন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ‌স্বপক্ষের শাসকদলের নয়নের মণি।

তার নিজ দলও তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিল...

বর্তমানে ফুলবাড়িয়ায় জামাত-শিবিরের আশ্রয় বলতে মোসলেম উদ্দীন।
লিংকটি দেখুন।
এই লিংকটিও দেখুন

রাজাকার এম. এ. হান্নান


মাননীয় বিশিষ্ট রাজাকার এই ভদ্রলোক এবার ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছে। এই ভদ্রলোকের নামে ময়মনসিংহ শহরে পাবলিক টয়লেটও রয়েছে।
লিংকটি দেখুন
একাত্তরে সশস্ত্র রাজাকার ছিলো আব্দুল হান্নান।

চলত পাকিস্তানি বাহিনীর আগে আগে। শহরময় প্রকাশ্যে অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। শহরের নতুন বাজারস্থ আব্দুল হান্নানের বিশাল বাড়িটি ছিল রাজাকারদের আস্তানা। এর অভ্যন্তরে করা হয়েছিলো একাধিক টর্চার সেল।
সূত্র জানায়, তখন রাজাকার হান্নানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলো এক স্কুল শিক্ষিকা।

যার মাধ্যমে রাজাকার হান্নান পাক বাহিনীর কুলালসা মেটানোর উদ্দেশ্যে তাদের কাছে অসহায় নারীদের সরবরাহ করতো। আব্দুল হান্নান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ও আল-বাদর বাহিনী গঠন করে এবং তাদেরকে দেশের নিরীহ মানুষ হত্যা, নির্যাতন ও লুটপাটসহ নানা অপকর্মের মদদ দিতো।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ বলেন, যুদ্ধের সময় তিনি এই রাজাকার আব্দুল হান্নানের সহযোগীদের হাতে ধরা পড়েছিলেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় তিনি শহরের বড় মসজিদ থেকে কৌশলে পালিয়ে রক্ষা পেয়েছেন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গ্রেফতার হয় এই কুখ্যাত রাজাকার আব্দুল হান্নান।

পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় সে জেল থেকে মুক্তি পায়। এরপর আর তাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মুক্তিযুদ্ধকালীন লুটপাট ও জবর দখল করা সম্পদ দিয়ে ময়মনসিংহ শহর ছাপিয়ে রাতারাতি চলে আসে ঢাকার প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতিদের কাতারে। বিগত ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর সুযোগ সন্ধানী এই রাজাকার যুক্ত হয় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে।
সকল কুকর্মে পাক বাহিনীর আগে আগে চলত রাজাকার হান্নান


এখন বলুন, এই দুই রাজাকারকে আপনারা সংসদে দেখতে চান কিনা ??

বি: দ্র: ইদানিং আওয়ামীবিরোধী কথা বললেই ছাগু বলা হয়।




অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.