আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

Cancer- কম্পিউটারে টানা কাজে ক্যানসারের ঝুঁকি

যারা দিনের অধিকাংশ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন তাদের জন্যই এই দুঃসংবাদ! কারণ পেটের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি যে তাদেরই বেশি। শুধু তাই নয়, দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে যারা কম্পিউটারের সামনে বসে একটানা কাজ করছেন তাদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কিন্তু আরো বেশি।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এই তথ্য। দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক পরিশ্রমহীনতাকেই এই রোগের জন্য দায়ী করছেন গবেষক দল।
এই প্রসঙ্গে গবেষক ড. ক্লেয়ার নাইট জানিয়েছেন, বহুক্ষণ টানা বসে থাকার কারণে এমনিতেই কোমরের পরিধি বেড়ে যায়, অর্থাৎ পেটের মেদের পরিমাণ বাড়ে।

তাই যারা একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকেন কিংবা কম্পিউটারে কাজ করেন, তারা যতো বেশি শারীরিক ব্যায়াম করবেন ততই তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।
কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ড. জিনেভাইর হেইলি বলছেন, “লম্বা সময় ধরে টানা বসে থাকার অভ্যাস যাদের, তারা যদি এক মিনিটের জন্যেও উঠে একটু এদিক-ওদিক করেন তাহলেও বেশ খানিকটা সুফল পাবেন। ”
বৃটিশ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ সারা দিনে অন্তত দশ ঘণ্টা শুধু বসেই কাটান। আর তাদের অর্ধেকই নিজের চেয়ার ছেড়ে একটুও নড়তে চান না! আর এভাবেই তারা আমন্ত্রণ জানান নানা ধরনের অসুখবিসুখকে।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যারা একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকেন তাদের ‘ডিমনেশিয়া’ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

শুধু তাই নয়, একজন মানুষ যদি সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টারও বেশি সময় কাজ করেন তাহলে তার মানসিকভাবে দুর্বল হওয়ার আশংকা বেড়ে যায় অনেক। ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্মৃতিশক্তিও।
এছাড়া, একই কাজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা করতে থাকলে মস্তিষ্কে এক ধরনের ব্যাথা অনুভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন ড. জন চ্যানেল।
তাই কাজের সময় প্রতি ঘণ্টার শেষে অন্তত পাঁচ মিনিট একটু ঘোরাফেরা করে নিন আর পান করুন প্রচুর পরিমাণ পানি। মোদ্দাকথা, নিজের যত্ন নেয়ার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকে খানিকটা সময় বের করে নিন।

এতে আপনি যেমন ভালো থাকবেন, বাড়বে আপনার কর্মক্ষমতা আর কাজটিও হবে একদম ঠিকঠাক। সূত্র: ওয়েবসাইট।

সোর্স: http://www.techtunes.com.bd

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।