আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

৪ - ভূতের ভয়

অন্ধকারের ভয় থেকেই ভূতের ভয় বা অতিপ্রাকৃত ভয়ের রূপটি প্রকট হয়েছে। মানুষ বিচিত্র কারণে তার সন্তানকে শৈশব থেকেই অতিপ্রাকৃতশক্তি বা অস্তিত্বের ভয় দেখাতে শুরু করে। অনেকে না জেনেই, অকারণেই ভূতে ভয় দেখাতে পছন্দ করেন। বেশির ভাগ শিশু শৈশব থেকেই ভূত সম্পর্কে জানতে শুরু করে। যদিও বলা হয়ে থাকে, ভূতের অস্তিত্ব নেই তবু বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত ঘটনার সূত্রের ভয়ঙ্কর বর্ণনা দিয়ে ভূতকে সত্য বলে উপস্থাপন করা হয়। অকারণ এই উপস্থাপনা গল্পাকারে হলেও ভূত, পেত্নী, দৈত্যকে দেখানো হয় ভয়ের কারণ হিসেবে। ভূতকে নিয়ে নানান ঘটনার বর্ণনা থাকলে মূলত ভয়ের কারণ হিসেবে এর উপস্থাপনার চর্চা বহুকাল থেকেই করে এসেছে মানুষ। ভূতের ভয়কে সাধারণ ভয় হিসেবেই দেখা হয় কিন্তু এ ধরনের ভয়ে বারবার আতঙ্কগ্রস্ত হতে শুরু করলে সেটা ফোবিয়ার কাতারেই পড়ে। অবাক শোনালেই সত্যি যে, পৃথিবীর যত মানুষ ভূত বলে কিছু নেই বলে মনে করেন ও নিশ্চিত আছেন তাদের সবাই ভূতকে ভয় পান! ভূতের ভয়কে স্পেকট্রোফোবিয়া নামে অভিহিত করা হয়।

 

 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।