আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিজনেস অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস

মনোয়ারা মণি

এ বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকের ঘটনা।
বাংলাদেশে ফোন করতে গিয়ে ফোন করতে পারছি না।
হ্যান্ড সেট থেকে মোবাইল ফোনে ডায়াল করে দেখি অন্য নাম্বার!
নিজের বাসায় অন্য নাম্বার দেখে অবাক হই।
বি টিকে (ব্রিটিশ টেলিকম) ফোন করলে তারা বলে নাম্বারটি ট্র্যান্সফার হয়েছে। আমরা বলি আমাদের কনসেন্ট আর পাসওয়ার্ড ব্যতীত এটা তোমরা কি করে করতে পারো?
তারা জবাব দিতে পারে না।


কয়েকদিন পরে বাসায় এশিয়ান পুরুষের নামে (এশিয়ান নাম দেখলে বোঝা যায়) চিঠি এবং ব্যাংক কার্ড আসতে দেখে অবাক হই। বুঝতে পারি কেউ ঠিকানা নিয়ে ফ্রড করেছে।
এর পরে বি টি থেকে আমাদের নতুন নাম্বার দেয়।
বাসার ল্যান্ড ফোন নাম্বার এখানে আইডেন্টিটি হিসাবে ধরা হয় আর এতো বছরে সব জায়গায় সবাইকে এই নাম্বারই দেয়া আছে আমরা নতুন নাম্বারই নিতে চাই না।
আজ না কাল, এ সপ্তাহে না ও সপ্তাহে দেই দিচ্ছি করে গত সপ্তাহে বি টি জানায় তারা পূর্বের নাম্বার দিতে পারবে না, একই নাম্বার নিতে হলে অন্য প্রোভাইডারের কাছ থেকে নিতে হবে।


এতো বছর ব্রিটেনে থাকায় এ ধরণের বিভ্রান্তি কখনো হয় নাই। পুলিশও বলতে পারে না কে কোথা থেকে এসব করছে।
ঠিকানা সহ চিঠি পত্রগুলো সাধারণত শ্রেড করে বিনে ফেলি।
এখানে অনেক বিজনেস কোম্পানি মানুষের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার কিনে নেয় মার্কেটিং এর জন্য এগুলো ঘটে থাকে কিন্তু
বিনা পাসওয়ার্ডে ফোন নাম্বার ট্র্যান্সফার এই প্রথম।
গত দুই মাসে ল্যান্ড লাইনে ফোন কল আসে নাই বা ফোন করে লাইন পায় নাই।

মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটই ছিলো সবার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম।
কয়েকদিন আগে মোবাইল ফোন হারিয়েছে সাথে হ্যান্ড সেটে সেভ করা কন্টাক্ট নাম্বারগুলোও। ইচ্ছা থাকতেও নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা সম্ভব হয় নাই।
অবশেষে অন্য প্রোভাইডারের কাছ থেকে নতুন কন্ট্রাক্ট করে আগের নাম্বার ফিরে পেলাম। বি টি জানে কাস্টমারের বিড়ম্বনা হয়েছে তারা ঠিকানা দিলো ইন্ডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেশনের জন্য।


এটাই ব্রিটেন,
নিজের কার্যকলাপে কেউ সন্তুষ্ট না হলে নিজেরাই হাতে ধরিয়ে দেয় অভিযোগ করার ঠিকানা।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।