আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে...

বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি মিলে যা শুরু করছে তাতে স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ কঠিন অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার সাথে আবার যুক্ত হয়েছে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতী শক্তি। আওয়ামীলীগ মরিয়া হয়ে চাচ্ছে তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তাই যে কোন উপায়ে জামায়াত এর বিচার করতে চায়। বিচার পতিদের বলে দিয়েছেন যেভাবে হোক রায় দিয়ে ফাসি কার্যকর করে দিন। অপর দিকে বিএনপি জামায়াত ও মরিয়া এই রায় ঠেকাতে।

কিন্তু মধ্যখানে রয়ে গেল সাধারণ জনতা যাদের ছাত্রলীগের মত সন্ত্রাসীদের হাতে নিজেদের জীবন দিতে হয়। বিশ্বজিৎ নামের কোন সাধারণ মানুষ আর যেন এই সকল রাজনৈতিক সন্ত্রাসীদের হাতে না মরে এটাই এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা। কিছুদিন আগে কবি নজরুল কলেজ পুড়িয়ে ছাই করল এই ছাত্রলীদের সন্ত্রাসীরা কিন্তু বাম ঘেষা এই মহাজোটের আমলে কোন বিচারই হল না এই সন্ত্রাসীদের আর কখনো হবে বলে জাতির কেও মনেও করে না। ঠিক তেমনি বিশ্বজিৎ হত্যা সহ অন্য সকল হত্যা কান্ডের বিচারও হবে না এই সরকারের আমলে। সাগর রুনী হত্যা কান্ড নিয়ে তালবাহানা কারী এই সরকার যে আসলে কি চায় তা জাতির নিকট স্পষ্ট হয়ে গেছে।

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একটা বিশ্বাস অন্তত দৃঢ করতে সক্ষম হয়েছে এই সন্ত্রাসী ও বাম ঘেষা বূর্জোয়া সরকার ও তার সংগঠন গুলো, যে কখনো তারা বাংলাদেশের উন্নতির জন্য কিছুই করে না যা করার তা শুধু নিজেদের আখের গোছানোর জন্য। হিন্দুদের সবিনয় অনুবোধ করছি সাথে সাথে ধর্মপ্রাণ ধার্মিকদের বর্তমানে যাদেরকে দেখছেন আপনাদের কল্যানের জন্য কথা বলছে বা কাজ করছে বলে মনে হয় তারা আসলে আপনাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে আপনাদের মূলোৎপাটন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। যে সরকার মসজিদ মন্দির পোড়ানোকে সমর্থন করে সে যে কোন ভাবেই উদারপন্থী সরকার হতে পারে না তা কিন্তু বুঝতে হবে। বাংলাদেশের মানুষের এখন সময় এসেছে জাতির এই কঠিন মূহুর্তে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করার। আওয়ামী সরকারের আমলে প্রায় সকল দেশেই আমাদের জনশক্তি রপ্তানী বন্ধ হয়ে গেছে।

পদ্মা সেতু নিয়ে টাল বাহানা চলছে। শেয়ার বাজারে হরিলুট চলছে পীর ফকিরের কেরামতির মাধ্যমে। সবচাইতে অবাক করার কথা হলো, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে এদেশে তাদের পবিত্র হয়ে রাজনীতি করার মাধ্যমে সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ও ধর্ষিত মা বোনদের রক্তকে কলুষিত করার পায়তারা চলছে। জামায়াত কে আইনের মাধ্যমে বিচার করতে না পেরে এখন যেভাবে হোক হত্যা কান্ড ঘটিয়ে ফাসির রায় কার্যকরের মাধ্যমে এই ঝামেলার সমাধানের পথ খুজতে বিচারপতি নিজামুল হককে নির্দেশ করেছেন। সরকার যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারই করতো তা হলে এখন এই তামাশা কেন?সরকারতো পারতো বিএনপি বা অন্য সংগঠনের নেতাদের যেভাবে গুম করে হত্যা করা হয়েছে সেভাবে জামায়াতীদের মাথা গুলোকে সরিয়ে দিত কিন্তু সরকার তা করেনি।

যদি সরকার বর্তমানে যেভাবে অগ্রসর হতে চাচ্ছে তাতে যদি অগ্রগামী হয় তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যে কোন দিকে যাবে তা আর ক্ষমতাশীনদরে কাউকে ভাবতে হবে না । এখনো সময় আছে বিদ্যমান সব সমস্যা সমাধানের । যদি ঐক্যমতের ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুলে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত সকল দলগুলো দেশ ও জনগনের সার্থে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক সমাধানের পথ খুজে পায় তবেই জাতি এই কলুষতাময় কন্টকাকীর্ণ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.