আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাংলাদেশের মানচিত্রে পরিবর্তন : উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দেড় হাজার একর জমি দেয়ার পর বাংলাদেশের চন্দননগর গ্রামও ভারতকে দেয়া হল

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের বিতর্কিত যৌথচুক্তি অনুযায়ী ভারতের দখলেই থাকছে চন্দননগর গ্রাম। অথচ ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিতে চন্দননগর গ্রাম ছিল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। গতকাল ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক সংবাদ’ পত্রিকায় এটা ফলাও করে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ ছয় দশকের বিতর্কের অবসান হলো। ‘বিতর্কের অবসান, ভারতের দখলেই থাকছে চন্দননগর’ শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টটিতে বলা হয়, কর ও গ্রিডের মানচিত্রের ভিত্তিতে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি অনুযায়ী চন্দননগর গ্রাম ছিল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে।

এই চুক্তির আওতায় ১৯৮৩ সালে এই গ্রামকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ভারত সরকার। প্রশাসনিক জটিলতায় তখন এই উদ্যোগ স্থগিত হয়ে যায়। ভারতের স্বাধীনতার সময় গ্রিড-কর জরিপের মানচিত্রেও চন্দননগর গ্রাম বাংলাদেশের। অথচ গত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের চুক্তি অনুযায়ী এই চন্দননগর গ্রাম এখন ভারতের। চুক্তিতে লেখা হয়েছে : ‘the boundary shall be drawn along sonaroy cherra river from existing boundary pillar no 1904 to boundary pillar no 1905 as surveyed jointly and agreed in july 2011.’ অর্থাত্ সোনারায় ছড়া বরাবর সীমান্ত চিহ্নিত হবে।

দুই প্রান্তের দুই সীমান্ত পিলার হচ্ছে ১৯০৪ থেকে ১৯০৫। চুক্তিতে রহস্যজনক কারণে সোনারায় ছড়াকে নদী বলা হয়েছে। অথচ সোনারায় ছড়া ছড়াই, নদী নয়। দৈনিক সংবাদও স্বীকার করে নিয়েছে ‘সোনারায় নদী নয়, স্রেফ একটি ছড়া। ’ রিপোর্টে বলা হয়, সোনারায় ছড়া বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানার চম্পারায় চা বাগান ও চন্দননগর গ্রামের মাঝখানে অবস্থিত।

ইংরেজ আমল থেকেই এই গ্রামটি সিলেট জেলার মানচিত্রে দেখানো হয়েছে। লিখিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোনারায় ছড়ায় সীমানা নির্ধারণ হলে চন্দননগর গ্রাম চলে যাবে ভারতের ভূখণ্ডে। সোমবার চন্দননগর গ্রামবাসীকে ত্রিপুরার পিসিসির সদস্য প্রেমানন্দ দাস জানিয়েছেন, এখন থেকে চন্দননগর গ্রাম ভারতের। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.