আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

"ভাত দে হারামজাদা, তা-না-হ’লে মানচিত্র খাবো"

আমি আমার ওয়াল এ সাধারণত কোনো পোসট দেই না। আজকে সাভার এর শ্রমিকদের জন্য একটা দিব। শ্রমিকদের কণঠএ কণঠ মিলিয়ে বলতে চাই, শাহবাগ চাই না, হেফাযত চাই না "ভাত দে হারামজাদা, তা-না-হ’লে মানচিত্র খাবো" ‘ভাত দে হারামজাদা’ ---রফিক আজাদের ভীষণ ক্ষুধার্ত আছিঃ উদরে, শারীর বৃত্ত ব্যেপে অনুভূত হ’তে থাকে – প্রতিপলে – সর্বগ্রাসী ক্ষুধা! অনাবৃস্টি – যেমন চৈত্রের শষ্যক্ষেত্রে – জ্বেলে দ্যায় প্রভূত দাহন – তেমনি ক্ষুধার জ্বালা, জ্বলে দেহ। দু’বেলা দু’মুঠো পেলে মোটে নেই অন্যকোন দাবি, অনেকে অনেক-কিছু চেয়ে নিচ্ছে, সকলেই চায়ঃ বাড়ি, গাড়ি, টাকাকড়ি – কারোর বা খ্যাতির লোভ আছে; আমার সামান্য দাবিঃ পুড়ে যাচ্ছে পেটের প্রান্তর – ভাত চাই – এই চাওয়া সরাসরি – ঠাণ্ডা বা গরম, সরু বা দারুণ মোটা রেশনের লাল চালে হ’লে কোনো ক্ষতি নেই—মাটির শানকি ভর্তি ভাত চাই; দু’বেলা দু’মুঠো পেলে ছেড়ে দেবো অন্য সব দাবি! অযৌক্তিক লোভ নেই, এমনকি, নেই যৌন-ক্ষুধা- চাইনি তোঃ নাভিনিম্নে পরা শাড়ি, শাড়ীর মালিক; যে চায় সে নিয়ে যাক-যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে দাও- জেনে রাখোঃ আমার ওসবে কোনো প্রয়োজন নেই। যদি না মেটাতে পারো আমার সামান্য এই দাবি, তোমার সমস্ত রাজ্যে দক্ষযজ্ঞ কাণ্ড ঘ’টে যাবে; ক্ষুধার্তের কাছে নেই ইস্টানিস্ট, আইন কানুন- সন্মুখে যা-কিছু পাবো খেয়ে যাবো অবলীলাক্রমে; থাকবে না কিছু বাকি –চ’লে যাবে হা-ভাতের গ্রাসে। যদি বা দৈবাৎ সন্মুখে তোমাকে, ধরো , পেয়ে যাই- রাক্ষুসে ক্ষুধার কাছে উপাদেয় উপচার হবে। সর্বপরিবেশগ্রাসী হ’লে সামান্য ভাতের ক্ষুধা ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে আসে নিমন্ত্রণ করে! দৃশ্য থেকে দ্রস্টা অব্দি ধারাবাহিকতা খেয়ে ফেলে অবশেষে যথাক্রমে খাবোঃ গাছপালা, নদী-নালা, গ্রাম-গঞ্জ, ফুটপাত, নর্দমার জলের প্রপাত, চলাচলকারি পথচারী, নিতম্ব প্রধান নারী, উড্ডীন পতাকাসহ খাদ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীর গাড়ি- আমার ক্ষুধার কাছে কিছুই ফেলনা নয় আজ। ভাত দে হারামজাদা, তা-না-হ’লে মানচিত্র খাবো।।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১৭ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।