আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ডিটেইলস অফ সিরিয়াল কিলার। পার্টঃ১(১৮+, দুর্বল চিত্তের মানুষদের জন্য নয়)

আমি ব্লগ লেখার চাইতে ব্লগ পড়তে ভাল বাসি। সিরিয়াল কিলারঃ এক বিশেষ ধরনের মার্ডারার যারা কিনা নির্দিষ্ট সময় পর পর তিন বা তার অধিক সংক্ষক খুন করেছে এবং এদের ভিক্টিমের সাথে অর্থাত যাদের খুন করা হয়েছে তাদের সাথে সরাসরি কোন সম্পর্ক নেই এবং খুনের সাথে আর্থিক বা অন্যন্য কোন সার্থ নেই শুধু মানষিক শান্তি নিহিত তাদের বলা হয় সিরিয়াল কিলার। কারা সাধারনত সিরিয়াল কিলার হয়ঃ অধিকাং ক্ষেত্রেই সিরিয়াল কিলাররা মানষিক রুগী হয়ে থাকে। তাদের শিশু কালে নানা যৌন নিপিরনে স্বীকার হয়ে থাকে তাদের বড়দের দাড়া। অনেকে আবার কোন একটি বিশেষ ঘটনা দেখে অনুপ্রানিত হয়ে এধরনের কাজ করে থাকতে পারে।

কারা সিরিয়াল কিলারদের ভিকটিম হয়ঃ সিরিয়াল কিলারদের ভিকটিমরা অনেকটা র‍্যান্ডম হয়ে থাকে। এরা সচরাচর সিমিলারিটি দেখে হত্যা করে থাকে। যেমন কলম্বিয়ার ভয়াবহ সির‍্যাল কিলার লুইস আলফ্রেডো গারাভিটোর ভিকটিমরা সবাই ছিল পথশিশু এবং অধিকাংশই ছেলে। আমেরিকার কিলার গ্রে রিগওয়ের শিকার ছিল র‍্যান্ডম নারীরা আবার চীনার সির‍্যাল কিলার ইয়াং সিনাই রাতের বেলায় ভিক্টিমদের বাসায় ঢুকে সকল পরিবার সহ হত্যাকরত। ।

কি কারনে এরা সিরিয়াল কিলার হয়ঃ সিরিয়াল কিলাররা অধিকাংশ সময় সোসাললি বিচ্ছিন্ন থাকে। সাধারনত এরা সমাজকে ঘৃনা করে অথবা সমাজের নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠিকে ঘৃনা করে। যেমন আমেরিকার সিরিয়াল কিলার প্যাট্রিক কার্নি(২১+) শুধু মাত্র গে দের হত্যা করত কেননা সে এদের প্রচন্ড ঘৃনা করত। গারাভিটো হাসি মুখের শিশুদের ঘৃনা করত কেননা তার শৈশবে সে শিশু নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিল এবং খুব খারাপ সময় কেটেছিল। তাই অনেকটা জেলাস ফিল করেই সে ২০০ থেকে ৪০০ শিশু কে হত্যা করেছিল।

সিরিয়াল কিলারদের কটি বড় অংশথাকে সেক্সুয়া প্রেডেটর অথবা ফেডাফিল(যারা শিশুদের প্রতি আকৃষ্ট)। তাই এটা অনেকের ক্ষেত্রে অনেকের ক্ষেত্রে বিনোদন মুলোক কার্যকালাপ ও বলা যায়। অনেকক্ষেত্রে ধর্মান্ধতাও সিরিয়ল কিলার হয়ে উঠার কারন হতে পারে। অনেক নাজি রয়ে ছে যারা সিরিয়াল কিলার হিসেবে আত্বপ্রকাশ করেছে। কেউ কেউ কুসংস্কারের প্রতি বিশ্বাসের কারনে সিরিয়াল কিলারে পরিনত হয় যেমন মধ্য যুগের স্লোভোকিয়ার রাজ পরিবারের মেয়ে এলিজাবেথ ব্যাথরি কুমারী নারীকে হত্যাকরে তার রক্ত দিয়ে স্নান করত।

তার ধারনা ছিল এতে করে তার সোন্দর্য এবং বয়স দুটিই ধরে রাখা সম্ভব। কখনো জীবনের খুব সংকট ময় ঘটনা মানুষকে সিরিয়াল কিলারে পরিনত করে। সেক্ষেত্রে সবচেয় বর উদাহরন হবে আমাদের দেশের রাসু খা। তরুন বয়সে প্রেমে বিচ্ছেদের কারনে সে র‍্যন্ডম মেয়েদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে তাদের হত্যা করত। তবে এদের সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এরা যতই খুন করুকনা কেন এদের কখনোই কোন আফসোস থাকেনা, বরং এরা এটিকে একটি জাষ্টিফাই কাজ বলে মনে করে।

আলোচিত কয়েকজন সিরিয়াল কিলারঃ ১। লুইস আলফ্রেডো গারাভেটো(কলম্বিয়া)ঃ কলম্বিয়াই মনে হয় সেই অভাগা রাষ্ট যেখানে কিনা সবচেয়ে ভয়াবহ সিরিয়াল কিলারদের আশ্রেয় স্থল। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ সিরিয়াল কিলার এই গ্যারাভেটো। তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ৪০০ এর অধিক। ৪০০র সবাই পথ শিশু এবং হত্যার আগে রেপের শিকার।

ভাবতে অবাক লাগে একজন খোড়া ব্যাক্তি কিভাবে একা এত গুলো শিশুকে হত্যাকরল অথচ কেউ টের পেলনা। বিচারে ১৮০০ বছরের জেল হলেও আইনের বাধ্য বাধকতার কারনে তাকে মাত্র তিরিশ বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। এবং আরো মজার ব্যাপার জেলে তার ব্যাবহার ভাল হবার কারনে এর পুরো সময়ও তাকে জেলে থাকতে হবেনা। সেখুব তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে। ২০০৬ সালে এক ইন্টারভিউয়ে সে নিজেকে রাজনিতি এবং শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছার কথা বলেছেন।

(হাস্যকর একজনের মুখে যে কিন ৪০০ শিশু কে হত্যা এবং রেপ করেছে) ২। প্যাড্রো আলেঞ্জো লোপেজ(কলম্বিয়া)ঃ কলম্বিয়ার আরেক সিরিয়াল কিলার। ৩০০ শিশুকে হত্যা এবং রেপের জন্য পরিচিত। তবে এর ভিক্টিমরা সবাই কন্যা শিশু যাদের বয়স ৮ থেকে ১২। এত ভয়াবহ কিলার কলম্বিয়ায় মাত্র আঠের বছর জেল খেটে রিলিজ পেয়ে গেছে।

হয়ত এত অল্প শাস্তির জন্যই কলম্বিয়ার সিরিয়াল কিলারদের সংখ্যা এত বেশি। ৩। গ্রে রিডওয়ে(ইউ এস এ)ঃ ৭০+ নারী হত্যা করার জন্য দায়ি। সম্ভবত আমেরিকার সবচেয়ে ভয়াবহ সিরিয়াল কিলার। ৪।

সার‍্যায় টাক(রাশিয়া)ঃ একসময়কার ইউক্রেনের পুলিশ ইনভেষ্টিগেটর। নেক্রোফেবিক(যারা মৃত ব্যাক্তির প্রতি যৌনাকার্শিত)। ভিক্টিমের সংখ্যা ১০০র অধিক কিন্তু ৩৬ জনের প্রমান পাওয়া গেছে। সকলেই নারী। এবং হত্যার পরে মৃতদেহের সাথে যৌন সংগম করত বলে প্রমান পাওয়া গেছে।

যাবজ্জিবন কারাদন্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সে মৃত্যু দন্ডের জন্য বিচারকের কাছে প্রার্থনা করেছিল। ৫। হ্যারোল্ড সিপ ম্যান(ইউ কে)ঃ যে ডাক্তার এর জীবন বাচানোর কথা সেই ডাক্তার যদি হত্যাকারী হয়ে থাকে তাহলে এরচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা আর হতে পারেনা। ইংলেন্ডের এই ডাক্তার খুব সম্ভব সবচেয়ে আরামে ২৫০ মানুষকে হত্যা করতে পেরেছে।

কেননা রুগীরা সরল বিশ্বাসে ডাক্তারে কাছ থেকে সিরিঞ্জ নিয়েছে আরে সেই সিরিঞ্জ দিয়ে ডাঃহ্যারোল্ড প্রবেশ করিয়েছে বিশাক্ত ডায়ামরফিন। ধিরের ধিরে দুর্বল শরীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেছে তার রুগীরা। ধরা পরার চার বছরের মাথায় জেলে আত্বহত্যা করে এই D: ডেথ। (আজ এপর্যন্ত লিখতে খুব আলসেমি লাগছে। লেখা ভাল লাগলে আশা করি গা শিউরে ওঠার মত ডিটেলস কিছু রিয়েল লাইফ ইন্সিডেন্টের কাহিনি লিখব, ভাল থাকবেন) ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.