সত্যকে চিনে নাও যুক্তির নিরিখে অবশেষে চূড়ান্তভাবে পাবর্ত্য চট্টগ্রামের ভূমির অধিকার হারাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। পার্বত্য ভূমি আইনের প্রস্তাবিত ১৩টি ধারা সংশোধন করার সাথে সাথেই সরকার হারাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর সব প্রকার কর্তৃত্ব (অধিকার)। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এই আইনটি পাশের অপেক্ষায় রয়েছে। সংশোধিত আইনটি পাস করা হলেই দেশের এক-দশমাংশ ভূমির কর্তৃত্ব চলে যাচ্ছে পার্বত্য জনসংহতি সমিতি তথা উপজাতিদের হাতে। রাজনৈতিক ফায়দা পেতে সরকারের খামখেয়ালী বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে এক দশমাংশ ভূমির সকল প্রকার কর্তৃত্ব হারাবে সরকার।
এমনই অভিমত পার্বত্য চট্টগ্রাম গবেষকদের। বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদগণও আশংকা প্রকাশ করছেন পাবর্ত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালীদেরকে নিজ ভূমিতে পরবাসী হয়ে জীবন যাপন করতে হবে। ফলে বাড়বে দ্বনদ্ব , সংঘাত।
পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিত্তি কমিশন আইনের ১৩টি ধারা নতুন করে সংশোধন বাতিলের দাবিতে আজ মঙ্গলবার রাঙ্গামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ ডেকেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন। একই সাথে বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করবে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদ।
পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকতার হোসেন বলেন, সংশোধন প্রস্তাবে এর ধারা ৬ (১) গ-এর শর্তাংশ থেকে ‘‘তবে শর্ত থাকে যে, প্রযোজ্য আইনের অধীনে অধিগ্রহণকৃত ভূমি এবং রক্ষিত বনাঞ্চল, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ এলাকা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পকারখানা ও সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নামে রেকর্ডকৃত ভূমির ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হবে না’’ এই অংশটি বাদ দেয়া হয়েছে। এই সংশোধনী পাস হলে বাংলাদেশের এক-দশমাংশ ভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে। সংশোধনীতে ১৩ (৩) হিসেবে সংযোজিত ‘‘এ ধারার অধীন কমিশনের সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে’’ এ উপধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত মোট জনসংখ্যার ৫২% বাঙালি সম্প্রদায়কে সংশ্লিষ্ট ভূমি জরিপ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ তথা সরকারি চাকরিতে উপেক্ষা করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন আইনে সদস্য হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত কোন বাঙালি প্রতিনিধি না থাকায় বিরোধপূর্ণ ভূমি মালিকানা নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ায় সেখানে জমি ক্রয় করে বা সরকারি বন্দোবস্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত বাঙালিদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন দেখা দিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল নাগরিকদের বাংলাদেশের যে কোন স্থানে নির্বিঘ্নে বসবাসের সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য পার্বত্য বাঙালিদের প্রতিনিধি সংগঠন হিসেবে বাঙালি ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি ৪ দফা দাবি জানানো হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যার দ্রুত ও গ্রহণযোগ্য নিত্তি, কোন বাঙালি যাতে বাস্তুহারা না হয় তা নিশ্চিতকরণের জন্যে প্রয়োজনীয় ধারার সংযোজন দাবি করা হয়। প্রস্তাবিত ৬(১) গ ধারা শর্তাংশ থেকে উল্লেখিত অংশটি বাদ দেয়ার পরিবর্তে সকল মহলে গ্রহণযোগ্য অন্যকোন ধারা, যা সরকারি মালিকানা শতভাগ বজায় রাখবে। পাশাপাশি বৈধ ভূমি মালিকদের জমি নিশ্চিত করে সেরকম ধারা সংযোজনের আহবান জানানো হয়। পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিত্তি কমিশনে সদস্য হিসেবে বাঙালি প্রতিনিধি ও অন্য পদের নিয়োগের ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত উপজাতি ও বাঙালির সংখ্যানুপাতিক নিয়োগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। আদিবাসী স্বীকৃতি দাবির আড়ালে ভূমি দখলের ষড়যন্ত্র।
ভূমি বিরোধ নিত্তি আইন-২০০১-এর সংশোধনের প্রতিবাদে ৭ আগস্ট চবি ভিসির মাধ্যমে ও ৮ আগস্ট তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন রাঙামাটি জেলা শাখার আহবায়ক পেয়ার আহমেদ খান জানান, ১৩ এপ্রিল'২০১০ মহামান্য হাইকোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ অসাংবিধানিক, আরেকটি রাষ্ট্র চরিত্রের, বাংলাদেশের একক রাষ্ট্র চরিত্রের কাঠামো নষ্ট হওয়ায় আঞ্চলিক পরিষদ বাতিলের রায় দিয়েছিলেন এবং সংবিধানের ১৪৫ (১) ও ১৪ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি কোনো রাষ্ট্রীয় চুক্তি নয়। সরকার দেশে সার্বভৌমত্বের বিষয় বিবেচনায় না এনে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা সরকারের কোনো এখতিয়ার নাই। কেবল মাত্র এই যাবৎ পুনর্বাসিত শরণার্থীদের ভূমি বিরোধ নিত্তির জন্য ভূমি কমিশন গঠন ও ২০০১ সালে সংবিধান পরিপন্থী আইন করিয়াছে।
উপজাতীয়রা এই সুবাদে পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির সকল সমস্যা এই আইনে তাদের চাহিদা ও ইচ্ছামাফিক নিজ স্বার্থে আইন সংশোধন করতে সরকারকে বাধ্য করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ৬ (১) (ক) ধারায় পুনর্বাসিত শরণার্থীদের ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিত্তির স্থলে সমগ্র উপজাতির বিরোধ নিত্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অবৈধভাবে বন্দোবস্ত ও বেদখল হওয়া জায়গা জমি ও পাহাড়ের মালিকানা স্বত্ব বাতিলকরণসহ সমস্ত ভুমি সংক্রান্ত বিরোধ পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী নিত্তি করা সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে বাঙালিরা ভূমি মালিকানা হতে বঞ্চিত হবে। ৬ (১) (খ) ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন ও রীতির আরেকটি শর্ত পদ্ধতি যোগ করে সংশোধন আনা হচ্ছে।
যা হলো ভূমি বিরোধ নিত্তিকে আরো জটিল করা। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন, রীতি নীতির পদ্ধতির কোনো বৈধতা নেই। যা মনগড়া এইটি শাসনবিধি। সরকার সাংবিধানিক ভূমি মন্ত্রণালয়ের আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা পোষণ করে উপজাতীয়দের মনগড়া আইন বিধি নীতির কাছে নতি শিকার করায় সরকারের এই হেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে তারা দাবি জানান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আইনের আলোকে দেশের ও অন্যান্য জেলার ন্যায় পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি বিরোধ নিত্তি করতে হবে, এর বিকল্প আর নেই। উপজাতিরা কখনো ভূমি বিরোধ নিত্তি, ভূমি জরিপ বাসস্তবায়ন হতে দিবে না।
কারণ যারা ভূমি বিরোধ নিত্তি নিয়ে তালবাহনা করছে তাদের দখলে হাজার হাজার একর অবৈধ খাস ভূমি রযেছে।
৬ (১) (গ) ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন বহির্ভূতভাবে কোনো বন্দোবস্ত দেয়া হয়ে থাকলে তা বাতিল এবং বন্দোবস্তজনিত কারণে বৈধ মালিক ভূমি হতে বেদখল হয়ে থাকলে তার দখল পুনর্বহাল করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে সরকারের অধিগ্রহণকৃত ভূমি এবং রক্ষিত বনাঞ্চল, কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ এলাকা, রাষ্ট্রিয় মালিকানাধীন শিল্প কারখানা ও সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নামে রেকর্ডকৃত ভূমির ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হবে না। এই উপধারায় রীতি ও পদ্ধতি সংযোজন করে এবং তবে শর্ত থাকে এই শর্তাংশে বিলুপ্ত করে সংশোধন আনা হয়। এই সংশোধনীতে উল্লেখিত সকলভূমি সরকারের হাত ছাড়া হবে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমারেখার অখন্ডতা ক্ষুণ্ণ হবে। শর্তাংশ বাতিল শান্তি চুক্তির পরিপন্থী। ১৯৫৮ সালে ভূমি অধিগ্রহণ আইন প্রাদেশিক সরকারের রাজস্ব দপ্তরে ন্যস্ত ছিল। ১৯৯১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের আদেশ, ১৯৭৯ সালের ৩১ মার্চ ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশ গৃহীত সকল অধিগ্রহণ, ভূমি সংক্রান্ত কার্যক্রম অবৈধ হয়ে যাবে অধিগ্রহণ করা ভূমি উপজাতীয়দের ব্যক্তি মালিকানায় চলে যাবে। ফলে সরকারের উল্লেখিত ভূমি এলাকায় মালিকানা দাবি করে উপজাতিরা বিরোধ তৈরী করতে পারবে এবং কমিশন বিরোধ নিত্তির জন্য তা আমলে নিতে বাধ্য হবে।
২০০১ সালের কমিশন আইনে এইসব এলাকায় কোনো বিরোধ তৈরী বা নিত্তি কমিশনের কর্তৃত্ব বহির্ভূত ছিল। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের উক্তি ৬ (১) (গ) ধারার শর্তাংশটি পুরোপুরি স্থানীয় সরকার আইনের ৬৪ ধারায় সংযুক্ত আছে বলে কমিশনের আইনে শর্তাংশের কোনো প্রয়োজন নাই কথাটি মোটেই ঠিক নয়, কারণ কমিশন চলবে পৃথক নিজস্ব আইনে শর্তাংশ আরোপ না থাকলে কার্যকরী হবে কিভাবে। ৭ (৫) ধারায় যে কোনো বিরোধ নিত্তির সিদ্বান্তে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব না হলে চেয়ারম্যানের সিদ্বান্তই কমিশনের সিদ্বান্ত, এই ক্ষমতা বিলুপ্ত করে সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে।
সংশোধনী আনা-কমিশনের চেয়ারম্যানের একক ক্ষমতা বিলুপ্ত করে সর্বসম্মত বা সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। প্রশ্ন হলো কমিশন গঠন হলো ক্ষমতা ধর ও প্রভাবশালী ৭ জন উপজাতি ও ২ জন সরকারি আমলাকে নিয়ে।
সুতরাং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে উপজাতীয়দের পক্ষে যাবে। তাছাড়া কমিশনের নিয়োগপ্রাপ্ত ১৬০ জনের মতো কর্মকর্তা কর্মচারী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপজাতীয়দেরকে নিয়োগ দেয়া হবে। ফলে সকল সিদ্ধান্ত পরিমাপ প্রতিবেদন উপজাতীয়দের স্বপক্ষে নিয়ে সকল বাঙালিকে উচ্ছেদ করে বিতাড়িত করা হবে। কাজেই এই বৈষম্য নীতির বিরোধিতা করছি বলে জানান পেয়ার আহমদ। পাশাপাশি এ অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হতে কোনো অবস্থায় দেয়া যাবে না।
১ (খ) ধারায় বলা আছে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ও আওতাধীন কোনো জমি, পাহাড় ও বনাঞ্চল পরিষদের সঙ্গে আলোচনা এবং পরিষদের সম্মতি ছাড়া সরকার অধিগ্রহণ ও হস্তান্তর করিতে পারিবে না। এতে স্পষ্ট প্রামাণ হয় যে, পার্বত্য অঞ্চল আরেকটি রাষ্ট্র চরিত্রের শাসিত হতে যাচ্ছে। দেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো Allocation of Business, ১৯৯৬ অনুযায়ী এদেশের ভূমির সাথে সংশিষ্ট সকল কাজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার জন্য এটা প্রযোজ্য। দেশের সর্বময় ভূমির মালিক রাষ্ট্র।
কোনো সংস্থার ( আঞ্চলিক পরিষদ) মতামত, পরামর্শ ভূমি জটিলতা নিরসন বিধান করা সংবিধান পরিপন্থী ও অনিয়মতান্ত্রিক। কমিশনের বৈঠকে প্রস্তাবসমূহ ন্যায় কিংবা অন্যায় পেশ করা হলে তখন কমিশনের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় কমিশনার সংখ্যালঘু সদস্য হিসেবে আপত্তি করা বা অগ্রাহ্য করার মতো কোনো সুযোগ থাকিবে না বিধায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য প্রতিষ্ঠাস্থাপনের কোনো যৌক্তিকতা নেই। এক্ষেত্রে প্রস্তাবিত সংশোধনীর সিদ্ধান্ত প্রহণ করলে রাষ্ট্র পক্ষের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বাদ পড়ে যাবে। কমিশনের সিদ্ধান্তেরর বিরুদ্ধে আপিলের কোনো বিধান না থাকায় সংক্ষুব্ধ পক্ষের অন্য কোনো আদালতে বা হাইকোর্টে আপীল দায়ের করে প্রতিকার পাওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।
বাঙ্গালী নেতারা আরো বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের বাতিলকৃত আঞ্চলিক পরিষদের রচিত দাবির আলোকে ভূমি বিরোধ নিত্তি কমিশনের আইনের ১৩টি সংশোধনী বাতিল এবং উক্ত সংশোধনী বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন না করার দাবিতে আজ সারা রাঙ্গামাটি জেলায় সকল সন্ধ্যা অবরোধ ঘোষণা করা হল।
সরকার উক্ত সংশোধনী বাতিল না করে সংসদে উপস্থাপন করা হলে আরো কঠিন কর্মসূচি দেয়ার হুশিয়ারী দেন তারা। --- ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।