Digital Bangladesh Warriors - fb.com/openbd ‘কত বড় বেকুবের দেশে আমরা আছি!’ সূত্র আজ রফিক-উল হক বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একেবারে হাসির কথা বলেছেন। একটি বৃহত্তম দলের বড় নেতা মনে করেন, শান্তিতে নোবেল পেতে হলে যুদ্ধ থামাতে হবে। কত বড় বেকুবের দেশে আমরা আছি! আজ শনিবার বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে গুম-অপহরণ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করেন রফিক-উল হক।
গত বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আশরাফ বলেন, “মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি আর বিদেশ থেকে লিল্লার টাকা এনে এনজিও করে দেশের উন্নয়ন হয় না। ক্ষুদ্র ঋণে আমাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না।
একশ বছরেও বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না- ক্ষুদ্র ঋণে। ” গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হিলারি ক্লিনটনের উদ্বেগ প্রকাশের পাঁচ দিনের মাথায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেল জয় নিয়ে সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “তার বেসিক সাবজেক্ট ছিল অর্থনীতি। তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন না। কোনো যুদ্ধ বন্ধ না করেই তিনি শান্তিতে নোবেল পেলেন।
” “নোবেল কীভাবে আসে- তা আমাদের এখানে অনেকেই জানেন”, বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ। এ প্রসঙ্গে আয়ারল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের নোবেল জয় এবং এর দুই উদ্যোক্তার বিরোধের ঘটনা নিজের ভাষায় অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। “আয়ারল্যান্ডের দুই মহিলা মাদারল্যান্ড পিস নামের একটি সংগঠন করে। এই সংগঠন করার দুই মাসের মধ্যে তারা শান্তিতে নোবেল পান। আর নোবেলের টাকা নিয়ে ওই দুই মহিলার মধ্যে ঝগড়া লাগে।
তিন মাসের মধ্যে তাদের ঝগড়া আদালতে গড়ায়। আর শান্তি থাকে না। ”
দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসে গত ৬ মে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘আড্ডা উইথ বাংলাদেশ’ নামে এক অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকে ইউনূসের পদ নিয়ে ‘বিরোধের’ বিষয়টি তিনি ওয়াশিংটন থেকে লক্ষ্য করেছেন। তিনি আশা করেন, সরকার এমন কিছু করবে না যাতে গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়। হিলারির ওই অনুষ্ঠানের সমালোচনা করে আশরাফ বলেন, “তিনি টাউন হল স্টাইলে অনুষ্ঠান করলেন।
তথাকথিত ইয়াংদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। কলকাতায়ও একটি অনুষ্ঠান হয়েছে। তার ২/৪ দিন আগে থেকে অনুষ্ঠানটির বিজ্ঞাপন করা হয়েছে। আর বাংলাদেশে অনুষ্ঠানটি হওয়ার আগের দিনও আমরা জানতাম না। ” কলকাতার মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, সেখানে বিশ্বমন্দা বা ইরান প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছে।
“আর আমাদের এখানে সঞ্চালক আগে থেকেই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া তরুণদের প্রশ্ন শিখিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশকে ছোট, দরিদ্র ও অগণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। ”ওই অনুষ্ঠানে হিলারির বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতও। গত ৮ মে তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হিলারি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার কোনো প্রয়োজন ছিল না, যত সব রাবিশ।
ড. ইউনূস ও ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদের সমালোচনা করায় শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ারও কঠোর সমালোচনা করেন রফিক-উল হক। তিনি বলেন, তাঁর (শিল্পমন্ত্রী) প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলি, তিনি ড. ইউনূসের নখের যোগ্যও নন। শিল্পমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘আপনাদের যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার এতই ভালো লাগে, তাহলে আপনারা রাজনীতিতে আসুন, রাজনীতিতে এসে কথা বলুন। ’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য ঘুষ দিয়েছেন—এই বলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন, এরও কঠোর সমালোচনা করেন রফিক-উল হক। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য শোভন নয়।
এমন মন্তব্য করা উচিত না। ’ গুণী লোকের সম্মান দেখাতে হবে, তাহলে নিজের সম্মান বাড়ে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ছাগল'মন্ত্রীর যত কথাঃ- ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।