আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

গরম পানির গুনাগুন !

সাধারণ ছোটখাট রোগ প্রতিরোধ করতে এবং শারীরিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে গরম পানির ব্যবহারের জুড়ি মেলাভার। ১। উষ্ণ পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গারগিল করলে- ক। গলা ব্যথা কমে। খ।

গলার ইনফেকশন দূর করে। গ। শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণ (ডি-টক্সিফিকেশন) করে। ২। গরম পানিতে গোসল করলে- ক।

গরম পানি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখা। খ। ফাইব্রোমায়ালজিয়া ও সাধারণ বাতের উপশমে ভীষণ কার্যকরী। গ। হরমোন ও শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে।

ঘ। মেটাবলিক রেট ১২ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। ঙ। শরীরের পানি শূন্যতা দূর করে। ৩।

স্টীম বাথ- ক। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমায়। খ। ত্বককে আরও প্রাণবন্ত ও সজিব করে। গ।

শরীরকে নমনীয় অবস্থায় আনে। ঘ। শরীরের পেশীগুলোকে ও মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। ঙ। সাবকিউটেনাসের চর্বিকে নরম করে কার্যকরভাবে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করে।

চ। হুইপল্যাশ, সাইয়াটিকা, মেনোপজ, আর্থ্রাইটিস, কাঁধ শক্ত হওয়া, ঘুম না আসা, ব্রণ, পেটের সমস্যা, কানের রোগ প্রভৃতি সারানো সম্ভব। ছ। কাঁধের পেরিআর্থ্রাইটিস, সাইয়াটিকা, রজস্রাবকালীন বেদনা দূর করে। জ।

নিউরোডারমাটাইটিস, সংক্রমণযুক্ত একজিমা, অস্ত্রোপচারের পরবর্তী সংক্রমণ দূর করে। ঝ। ফেসিয়াল প্যারালাইসিস (বেলস পালসি), ডায়েরিয়া, কোলেসিসটাইটিস, নিউব্যাসথেনিয়া, পেলভিক সংক্রমণ, শিশুদের নিউমোটিয়া, দাদ ইত্যাদি দূর করে। ৫। হার্ট এটাক প্রতিরোধে খাওয়ার পর গরম পানি পান করা ভাল।

৬। খাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে হালকা গরম পানি পানই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ কেননা ঠাণ্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে, পরিপাকক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর। (সংগৃহীত) ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।