ঢাকা শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় একজন পথচারী সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়, পঙ্গুত্ব বরণ করেন অনেকেই। যার অধিকাংশই সড়ক পারাপার করতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে। তাই ঢাকায় সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনডিএফ), ক্যাম্পেইন ফর ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিএফডি), গ্রীণ মাইন্ড সোসাইটি এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যোগে আজ সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এনডিএফ চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ রানা’র সভাপতিত্বে সভায় আলোচনা করেন নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম (নাসফ) এর সভাপতি হাফিজুর রহমান ময়না, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুল আলম, গ্রীণ মাইন্ড সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আমির হাসান, সিএফডি এর চেয়ারম্যান মশিউর রহমান রুবেল।
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর প্রকল্প সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম সুজন এর সঞ্চালনায় সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যাতায়াত বিশেষজ্ঞ মারুফ রহমান।
প্রবন্ধে মারুফ রহমান বলেন, ঢাকা শহরে প্রতিদিন একজন করে পথচারী সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যায়। যার মধ্যে ৪১% মারা যায় রাস্তা পার হতে গিয়ে। তিনি আরও উল্লেখ করেন ঢাকার ৩৭% প্রাইমারী ট্রিপ হয় হাঁটার মাধ্যমে। হেঁটে প্রতি ঘন্টায় ৫ কি.মি পথ অতিক্রম করা যায় এবং ঢাকায় ৭৬% যাতায়াত দূরত্ব ৫ কিমি এর মধ্যে হওয়ায় হেঁটেই অধিকাংশ প্রয়োজন মেটানো যায়।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে ৩০ থেকে ৬০% অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। হাফিজুর রহমান ময়না বলেন, সবাই হাঁটতে চায়। কিন্তু ঢাকা শহরে নিরাপদে হাঁটার মত সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। ঢাকা শহরের মাত্র ২ শতাংশ মানুষ প্রাইভেট গাড়ীতে চলাফেরা করে। অথচ সমস্ত প্রকল্প নেয়া হচ্ছে এবং বাস্তবায়িত হচ্ছে মাত্র এই ২% মানুষকে ঘিরে।
আর বাকী ৯৮% মানুষ অবহেলিত। প্রতিটি কমিউনিটিতে ভাল মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল থাকলে ওখানকার অধীবাসী বিশেষ করে শিশুরা নিরাপদে দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে। বিস্তারিত
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।